ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গতকাল সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনাকে শক্তিশালী করে মার্কিন-খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এতে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং ভবিষ্যতের ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ তৈরির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রস্তাবটির পক্ষে ১৩টি ভোট পড়ে। শুধুমাত্র রাশিয়া এবং চীন ভোটদানে বিরত ছিল। তবে, কোনও ভেটো দেয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ‘সারা বিশ্বে আরও শান্তি’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন। ওই পোস্টে তিনি দাবি করেছেন যে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় শান্তি বোর্ডের অনুমোদন জাতিসংঘের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম অনুমোদন হবে এবং এটি বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করবে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ভোটের পর বলেন, ‘আজকের প্রস্তাবটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে যা গাজাকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম করবে এবং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে যা ইসরাইলকে নিরাপদে বসবাসের সুযোগ করে দেবে।’

কিন্তু হামাস, যাকে প্রস্তাবে গাজায় যেকোনো শাসনকার্যের ভূমিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তারা বলেছে যে এই প্রস্তাব ফিলিস্তিনিদের ‘রাজনৈতিক ও মানবিক দাবি এবং অধিকার’ পূরণ করে না।

এই প্রস্তাবের ওপর উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা ও সমঝোতার ফলে একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে এবং এই পরিকল্পনাটি ‘সমর্থন’ পেয়েছে। যার ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ১০ অক্টোবর থেকে ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামাসের আক্রমণের ফলে দুই বছরের লড়াইয়ের পর গাজা উপত্যকা মূলত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

শান্তি পরিকল্পনায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ইসরাইল ও মিশরসহ নতুন প্রশিক্ষিত ফিলিস্তিনি পুলিশের সাথে সীমান্ত এলাকা সুরক্ষিত করতে এবং গাজা উপত্যকাকে নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করতে কাজ করবে।

কাতার, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, জর্ডান এবং তুরস্কের স্বাক্ষরিত এই প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি আরব এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সমর্থন অর্জন করেছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
৭ বার পঠিত হয়েছে

ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন

আপডেট এর সময় : ০১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গতকাল সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনাকে শক্তিশালী করে মার্কিন-খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এতে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং ভবিষ্যতের ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ তৈরির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রস্তাবটির পক্ষে ১৩টি ভোট পড়ে। শুধুমাত্র রাশিয়া এবং চীন ভোটদানে বিরত ছিল। তবে, কোনও ভেটো দেয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ‘সারা বিশ্বে আরও শান্তি’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন। ওই পোস্টে তিনি দাবি করেছেন যে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় শান্তি বোর্ডের অনুমোদন জাতিসংঘের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম অনুমোদন হবে এবং এটি বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করবে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ভোটের পর বলেন, ‘আজকের প্রস্তাবটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে যা গাজাকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম করবে এবং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে যা ইসরাইলকে নিরাপদে বসবাসের সুযোগ করে দেবে।’

কিন্তু হামাস, যাকে প্রস্তাবে গাজায় যেকোনো শাসনকার্যের ভূমিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তারা বলেছে যে এই প্রস্তাব ফিলিস্তিনিদের ‘রাজনৈতিক ও মানবিক দাবি এবং অধিকার’ পূরণ করে না।

এই প্রস্তাবের ওপর উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা ও সমঝোতার ফলে একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে এবং এই পরিকল্পনাটি ‘সমর্থন’ পেয়েছে। যার ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ১০ অক্টোবর থেকে ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামাসের আক্রমণের ফলে দুই বছরের লড়াইয়ের পর গাজা উপত্যকা মূলত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

শান্তি পরিকল্পনায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ইসরাইল ও মিশরসহ নতুন প্রশিক্ষিত ফিলিস্তিনি পুলিশের সাথে সীমান্ত এলাকা সুরক্ষিত করতে এবং গাজা উপত্যকাকে নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করতে কাজ করবে।

কাতার, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, জর্ডান এবং তুরস্কের স্বাক্ষরিত এই প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি আরব এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সমর্থন অর্জন করেছে।