ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর নিজেকে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র বলে দাবি তাইওয়ানের

প্রতিনিধির নাম :

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাইওয়ান একটি ‘সার্বভৌম ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশ’।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গণতান্ত্রিক দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়ে সতর্ক করার কয়েক ঘণ্টা পর দেশটি এ ঘোষণা দেয়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘তাইওয়ান একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অধীন নয়।’

ট্রাম্প বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবছেন বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর, মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি তাইওয়ানের প্রতি ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অস্ত্র বিক্রয় শুধুমাত্র ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির অংশই নয়, বরং এটি আঞ্চলিক হুমকির বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবেও কাজ করে।

এই বক্তব্য আসে এমন এক সময়ে, যখন ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বেইজিং সফর শেষে দেশে ফেরেন।

ওই সফরে সি চিনপিং ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন যেন তিনি স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে সমর্থন না দেন।

তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখন্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে চীন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে
১৭ বার পঠিত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর নিজেকে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র বলে দাবি তাইওয়ানের

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাইওয়ান একটি ‘সার্বভৌম ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশ’।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গণতান্ত্রিক দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়ে সতর্ক করার কয়েক ঘণ্টা পর দেশটি এ ঘোষণা দেয়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘তাইওয়ান একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অধীন নয়।’

ট্রাম্প বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবছেন বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর, মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি তাইওয়ানের প্রতি ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অস্ত্র বিক্রয় শুধুমাত্র ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির অংশই নয়, বরং এটি আঞ্চলিক হুমকির বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবেও কাজ করে।

এই বক্তব্য আসে এমন এক সময়ে, যখন ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বেইজিং সফর শেষে দেশে ফেরেন।

ওই সফরে সি চিনপিং ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন যেন তিনি স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে সমর্থন না দেন।

তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখন্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে চীন।