ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পাকিস্তান দলে যোগ দিচ্ছেন শফিক ও শাকিল Logo স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান Logo যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল Logo ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী Logo গোমেজের চোটে দুশ্চিন্তায় লিভারপুলের নতুন কোচ ইরাওলা Logo অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২ মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন Logo চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়’

প্রতিনিধির নাম :

স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন সব ধারা উপধারা বহাল রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ সংসদে পাস করায় উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সাংবাদিক সমাজের মতামত, পরামর্শ ও সুপারিশ উপেক্ষা করে এই আইন পাস করায় নিন্দা জানান ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন খান এক বিবৃতিতে বলেন, বহুল আলোচিত এই বিলের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর থেকেই সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন সুনির্দিষ্ট কিছু ধারায় আপত্তি জানিয়ে আসছিল।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিদের সাথে বৈঠক করে আপত্তিকর ধারাগুলো বাদ দেয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। বিলটি সংসদে উত্থাপনের পর সংসদীয় কমিটিতেও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মত প্রকাশের অন্তরায় ও স্বাধীন সাংবাদিকতার বাধা হতে পারে এমন কোন ধারা আইনে থাকবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস দেয়া হলেও, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করলাম সাংবাদিকদের সকল মতামত ও সুপারিশ উপেক্ষা করেই ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস করা হলো। এতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে আইসিটি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারা বাতিল করে সেগুলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারায় ছড়িয়ে দেয়া এবং বৃটিশ আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন অন্তর্ভূক্ত করা, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করার বিধান রাখায় সাংবাদিকদের নিগৃহীত হওয়ার আশংকা সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিধান মৌলিক মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

আইনটি তথ্য অধিকার আইনের সাথেও সাংঘর্ষিক।

ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক সমাজের দেয়া সুপারিশ আমলে নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন, আপত্তিকর ও নিবর্তনমূলক ধারাসমূহ বাতিল করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
১৮ বার পঠিত হয়েছে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়’

আপডেট এর সময় : ০১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন সব ধারা উপধারা বহাল রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ সংসদে পাস করায় উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সাংবাদিক সমাজের মতামত, পরামর্শ ও সুপারিশ উপেক্ষা করে এই আইন পাস করায় নিন্দা জানান ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন খান এক বিবৃতিতে বলেন, বহুল আলোচিত এই বিলের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর থেকেই সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন সুনির্দিষ্ট কিছু ধারায় আপত্তি জানিয়ে আসছিল।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিদের সাথে বৈঠক করে আপত্তিকর ধারাগুলো বাদ দেয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। বিলটি সংসদে উত্থাপনের পর সংসদীয় কমিটিতেও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মত প্রকাশের অন্তরায় ও স্বাধীন সাংবাদিকতার বাধা হতে পারে এমন কোন ধারা আইনে থাকবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস দেয়া হলেও, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করলাম সাংবাদিকদের সকল মতামত ও সুপারিশ উপেক্ষা করেই ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস করা হলো। এতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে আইসিটি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারা বাতিল করে সেগুলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারায় ছড়িয়ে দেয়া এবং বৃটিশ আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন অন্তর্ভূক্ত করা, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করার বিধান রাখায় সাংবাদিকদের নিগৃহীত হওয়ার আশংকা সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিধান মৌলিক মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

আইনটি তথ্য অধিকার আইনের সাথেও সাংঘর্ষিক।

ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক সমাজের দেয়া সুপারিশ আমলে নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন, আপত্তিকর ও নিবর্তনমূলক ধারাসমূহ বাতিল করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।