ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

তামিমের স্বপ্নের ফাইনালে কুমিল্লার ঘরে দ্বিতীয় শিরোপা

প্রতিনিধির নাম :

কেটে গেছে পাঁচটি আসর। শিরোপা তো দূরে থাক ফাইনাল খেলার সৌভাগ্যও হয়নি। ষষ্ঠ আসরে যেন একসঙ্গে সব স্বপ্ন পূরণ। প্রথমবার ফাইনালে খেলেই শিরোপা। তাও আবার ১৪১ রানের দুর্দান্ত একটা ইনিংস নিজের ব্যাট থেকে। তিনি আর কেউ নন, দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। তার অগ্নিঝরা ব্যাটিংয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১৭ রানে হারিয়ে ষষ্ঠ আসরে এসে দ্বিতীয়বারের মতো বিপিএল শিরোপা ঘরে তুলেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

ফাইনালে ২০০ রানের জয়ের লক্ষ্যে শুরু থেকে ভালোই খেলছিল ঢাকা ডায়নামাইটস। নবম ওভারেই শত রান পূর্ণ করে তারা। তবে এরপর হঠাৎ দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি।

যদিও রানের খাতা খোলার আগেই প্রথম উইকেট হারায় ঢাকা। এরপর ১০২ রানের জুটি গড়েন উপুল থারাঙ্গা ও রনি তালুকদার। তবে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ হওয়ার ঠিক আগে আউট হয়ে যান থারাঙ্গা। ২৭ বল থেকে ৪৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি।

থারাঙ্গাকে অনুসরণ করে দলীয় ১২০ রানে সাজঘরে ফিরেন অধিনায়ক সাকিব। এক রানের ব্যবধানে ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৬ রান করে রনি তালুকদারও রান আউট হয়ে ফিরে যান। সেই আসা-যাওয়ার মিছিলে একে একে যোগ দেন আন্দ্রে রাসেল, কাইরন পোলার্ড ও শুভাগত হোম।

শেষ দিকে নুরুল হাসান (১৮) ও মাহমুদুল হাসানের (১৫) চেষ্টায় হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি ঢাকা।

কুমিল্লার পক্ষে ওয়াহাব রিয়াজ তিনটি এবং মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও থিসারা পেরেরা দুটি করে উইকেট নেন।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিমের ঝড়ো ইনিংসে তিন উইকেটে ১৯৯ রান করে কুমিল্লা। ব্যাটিংয়ে নেমে সতর্কতার সঙ্গেই শুরুটা করে দলটি। তবে ৯ রানে রুবেল হোসেনের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন এভিন লুইস। এরপর এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে যতোটা সম্ভব সামনে চলার চেষ্টা করেন তামিম।

তামিমের সেই প্রচেষ্টা কাজে লেগেছে। দ্বাদশ ওভারে সাকিবের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন বিজয়। ৩০ বল থেকে দুটি চারে ২৪ রান করে ফেরেন তিনি। বিজয় আউট হওয়ার পরপরই রান আউট হয়ে যান শামসুর রহমান। পরে ইমরুল সঙ্গী হন তামিমের। একপ্রান্ত ধরে রাখা ছাড়া ইমরুল তেমন কিছু করেননি।

তবে অপরপ্রান্তে ব্যাটে ঝড় তোলেন তামিম। শেষ দিকে যেন তামিমের ব্যাট হয়ে ওঠে আগুনের মতো। ৬১ বল থেকে ১০টি চার ও ১১টি ছক্কার মারে তামিম করেন ১৪১ রান। আর ইমরুল ২১ বল থেকে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
২০ বার পঠিত হয়েছে

তামিমের স্বপ্নের ফাইনালে কুমিল্লার ঘরে দ্বিতীয় শিরোপা

আপডেট এর সময় : ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

কেটে গেছে পাঁচটি আসর। শিরোপা তো দূরে থাক ফাইনাল খেলার সৌভাগ্যও হয়নি। ষষ্ঠ আসরে যেন একসঙ্গে সব স্বপ্ন পূরণ। প্রথমবার ফাইনালে খেলেই শিরোপা। তাও আবার ১৪১ রানের দুর্দান্ত একটা ইনিংস নিজের ব্যাট থেকে। তিনি আর কেউ নন, দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। তার অগ্নিঝরা ব্যাটিংয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১৭ রানে হারিয়ে ষষ্ঠ আসরে এসে দ্বিতীয়বারের মতো বিপিএল শিরোপা ঘরে তুলেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

ফাইনালে ২০০ রানের জয়ের লক্ষ্যে শুরু থেকে ভালোই খেলছিল ঢাকা ডায়নামাইটস। নবম ওভারেই শত রান পূর্ণ করে তারা। তবে এরপর হঠাৎ দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি।

যদিও রানের খাতা খোলার আগেই প্রথম উইকেট হারায় ঢাকা। এরপর ১০২ রানের জুটি গড়েন উপুল থারাঙ্গা ও রনি তালুকদার। তবে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ হওয়ার ঠিক আগে আউট হয়ে যান থারাঙ্গা। ২৭ বল থেকে ৪৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি।

থারাঙ্গাকে অনুসরণ করে দলীয় ১২০ রানে সাজঘরে ফিরেন অধিনায়ক সাকিব। এক রানের ব্যবধানে ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৬ রান করে রনি তালুকদারও রান আউট হয়ে ফিরে যান। সেই আসা-যাওয়ার মিছিলে একে একে যোগ দেন আন্দ্রে রাসেল, কাইরন পোলার্ড ও শুভাগত হোম।

শেষ দিকে নুরুল হাসান (১৮) ও মাহমুদুল হাসানের (১৫) চেষ্টায় হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি ঢাকা।

কুমিল্লার পক্ষে ওয়াহাব রিয়াজ তিনটি এবং মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও থিসারা পেরেরা দুটি করে উইকেট নেন।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিমের ঝড়ো ইনিংসে তিন উইকেটে ১৯৯ রান করে কুমিল্লা। ব্যাটিংয়ে নেমে সতর্কতার সঙ্গেই শুরুটা করে দলটি। তবে ৯ রানে রুবেল হোসেনের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন এভিন লুইস। এরপর এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে যতোটা সম্ভব সামনে চলার চেষ্টা করেন তামিম।

তামিমের সেই প্রচেষ্টা কাজে লেগেছে। দ্বাদশ ওভারে সাকিবের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন বিজয়। ৩০ বল থেকে দুটি চারে ২৪ রান করে ফেরেন তিনি। বিজয় আউট হওয়ার পরপরই রান আউট হয়ে যান শামসুর রহমান। পরে ইমরুল সঙ্গী হন তামিমের। একপ্রান্ত ধরে রাখা ছাড়া ইমরুল তেমন কিছু করেননি।

তবে অপরপ্রান্তে ব্যাটে ঝড় তোলেন তামিম। শেষ দিকে যেন তামিমের ব্যাট হয়ে ওঠে আগুনের মতো। ৬১ বল থেকে ১০টি চার ও ১১টি ছক্কার মারে তামিম করেন ১৪১ রান। আর ইমরুল ২১ বল থেকে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।