ঢাকা , শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের মিশন শেষ Logo ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া

তিনে তিন হার সিলেটের

প্রতিনিধির নাম :

আগে ব্যাট করে জেতা যায়নি প্রথম দুই ম্যাচে। সিলেট থান্ডার জিততে পারল না পরে ব্যাট করেও। শনিবার ঢাকা প্লাটুনের ১৮২ রান তাড়া করতে নেমে মোসাদ্দেক হোসেনরা আটকে গেছেন ১৫৮ রানে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে ৫ উইকেটে আর রাজশাহী রয়্যালসের কাছে ৮ উইকেটে হারের ধারাবাহিকতায় এটি দলটির টানা তৃতীয় হার। টুর্নামেন্টের প্রথম তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরে ঢাকার প্রথম পর্ব শেষ করল সিলেট। দুই দিনের বিরতি দিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে পরবর্তী ম্যাচ গড়াবে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সিলেট থান্ডার প্রতি ম্যাচেই ভুগেছে ব্যটিংয়ে। শনিবার বড় রানের লক্ষ্যে ব্যটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করে দিয়েছিলেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের প্রথম ২২ বলের মধ্যে ৪৭ রান তুলে ফেলেছিলেন রনি তালুকদার, জনসন চার্লস, আন্দ্রে ফ্লেচাররা। কিন্তু ওয়াহাব রিয়াজের বলে ১৪ রান করা রনি আউট হতেই ধ্বস নামে ব্যটিং লাইন আপে। পরের ওভারে রানআউট হন চার্লস, তরুণ পেসার হাসান মাহমুদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হন শফিকুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ মিঠুন শিকার হন মাশরাফি বিন মুর্তজার। ১ উইকেটে ৪৭ থেকে ২৩ বলের মধ্যে ৫ উইকেটে ৬১ রানের রূপ পায় স্কোরবোর্ড। এরপরও যে আরও ৯৬ রান যোগ হয়, তার মূলে অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনের অপরাজিত ফিফটি। নাঈম হাসান, দেলোয়ার হোসেন আর ক্রিসমার সানতোকিদের নিয়ে ছোট ছোট জুটি গড়ে ২০ ওভার পর্যন্ত ব্যটিং টেনে নেন তিনি। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ বলে ৬০ রান করে মাঠ ছাড়েন মোসাদ্দেক।

ঢাকা প্লাটুনের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন মাশরাফি ও হাসান মাহমুদ। এর আগে ব্যটিংয়ে ঢাকার হয়ে বড় অবদান রাখেন এনামুল হক বিজয়। ডানহাতি এ ওপেনার ৪২ বল খেলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৬২ রান। উদ্বোধনী জুটিতে তাকে সঙ্গ দেওয়া তামিম ইকবাল ২৮ বলে খেলেন ৩১ রানের ইনিংস। ঢাকার হয়ে শেষদিকে কার্যকর ছোট তিনটি ইনিংস খেলে দেন থিসারা পেরেরা (১১ বলে ২২), জাকের আলি (১২ বলে ২০) ও ওয়াহাব রিয়াজ (৭ বলে ১৭)।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ঢাকা প্লাটুন: ২০ ওভারে ১৮২/৪ (এনামুল ৬২, তামিম ৩১, থিসারা ২২*, ইভান্স ২১, জাকের ২০; মোসাদ্দেক ১/১৬, দেলোয়ার ১/২৮)।

সিলেট থান্ডার: ২০ ওভারে ১৫৮/৭ (মোসাদ্দেক ৬০*, চার্লস ১৯, দেলোয়ার ১৭; হাসান ২/২৪, মাশরাফি ২/২৯)।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯
১৭ বার পঠিত হয়েছে

তিনে তিন হার সিলেটের

আপডেট এর সময় : ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

আগে ব্যাট করে জেতা যায়নি প্রথম দুই ম্যাচে। সিলেট থান্ডার জিততে পারল না পরে ব্যাট করেও। শনিবার ঢাকা প্লাটুনের ১৮২ রান তাড়া করতে নেমে মোসাদ্দেক হোসেনরা আটকে গেছেন ১৫৮ রানে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে ৫ উইকেটে আর রাজশাহী রয়্যালসের কাছে ৮ উইকেটে হারের ধারাবাহিকতায় এটি দলটির টানা তৃতীয় হার। টুর্নামেন্টের প্রথম তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরে ঢাকার প্রথম পর্ব শেষ করল সিলেট। দুই দিনের বিরতি দিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে পরবর্তী ম্যাচ গড়াবে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সিলেট থান্ডার প্রতি ম্যাচেই ভুগেছে ব্যটিংয়ে। শনিবার বড় রানের লক্ষ্যে ব্যটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করে দিয়েছিলেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের প্রথম ২২ বলের মধ্যে ৪৭ রান তুলে ফেলেছিলেন রনি তালুকদার, জনসন চার্লস, আন্দ্রে ফ্লেচাররা। কিন্তু ওয়াহাব রিয়াজের বলে ১৪ রান করা রনি আউট হতেই ধ্বস নামে ব্যটিং লাইন আপে। পরের ওভারে রানআউট হন চার্লস, তরুণ পেসার হাসান মাহমুদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হন শফিকুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ মিঠুন শিকার হন মাশরাফি বিন মুর্তজার। ১ উইকেটে ৪৭ থেকে ২৩ বলের মধ্যে ৫ উইকেটে ৬১ রানের রূপ পায় স্কোরবোর্ড। এরপরও যে আরও ৯৬ রান যোগ হয়, তার মূলে অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনের অপরাজিত ফিফটি। নাঈম হাসান, দেলোয়ার হোসেন আর ক্রিসমার সানতোকিদের নিয়ে ছোট ছোট জুটি গড়ে ২০ ওভার পর্যন্ত ব্যটিং টেনে নেন তিনি। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ বলে ৬০ রান করে মাঠ ছাড়েন মোসাদ্দেক।

ঢাকা প্লাটুনের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন মাশরাফি ও হাসান মাহমুদ। এর আগে ব্যটিংয়ে ঢাকার হয়ে বড় অবদান রাখেন এনামুল হক বিজয়। ডানহাতি এ ওপেনার ৪২ বল খেলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৬২ রান। উদ্বোধনী জুটিতে তাকে সঙ্গ দেওয়া তামিম ইকবাল ২৮ বলে খেলেন ৩১ রানের ইনিংস। ঢাকার হয়ে শেষদিকে কার্যকর ছোট তিনটি ইনিংস খেলে দেন থিসারা পেরেরা (১১ বলে ২২), জাকের আলি (১২ বলে ২০) ও ওয়াহাব রিয়াজ (৭ বলে ১৭)।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ঢাকা প্লাটুন: ২০ ওভারে ১৮২/৪ (এনামুল ৬২, তামিম ৩১, থিসারা ২২*, ইভান্স ২১, জাকের ২০; মোসাদ্দেক ১/১৬, দেলোয়ার ১/২৮)।

সিলেট থান্ডার: ২০ ওভারে ১৫৮/৭ (মোসাদ্দেক ৬০*, চার্লস ১৯, দেলোয়ার ১৭; হাসান ২/২৪, মাশরাফি ২/২৯)।