ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ Logo ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড় Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য শ্রুতি লেখক নীতিমালা জারি, অভিন্ন নিয়মে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:   দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখকের সেবা গ্রহণে একটি অভিন্ন নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্ন ভিন্ন নিয়মে শ্রুতি লেখক নিয়োগ ও পরীক্ষার ব্যবস্থা চলায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। সেই জটিলতা দূর করতেই ‘পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখকের সেবা গ্রহণ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চার মাস ধরে একাধিক অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এই নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

শফিকুল আলম জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের জরিপ অনুযায়ী দেশে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যা ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬৫ জন। এর আগে পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষার ক্ষেত্রে শ্রুতি লেখক নিয়োগের কোনো পূর্ণাঙ্গ ও অভিন্ন নীতিমালা ছিল না। বিভিন্ন সময় খণ্ড খণ্ড প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া পরিচালিত হতো। ফলে শ্রুতি লেখকের যোগ্যতা, সম্মানী, আবেদন প্রক্রিয়া, অভিযোগ ও প্রতিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল না।

নতুন নীতিমালায় এসব বিষয় সমন্বিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সময়ের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রতি এক ঘণ্টা পরীক্ষার বিপরীতে ১৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে নীতিমালায়।

প্রেস সচিব বলেন, এই নীতিমালা সকল সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এতে শ্রুতি লেখকদের যোগ্যতা ও আবেদন ফরমের বিস্তারিত তফসিল সংযুক্ত রয়েছে।

শফিকুল আলম জানান, ইতোমধ্যে একাধিক সংগঠন ও সংস্থা এই নীতিমালাকে স্বাগত জানিয়েছে। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার বলেছেন, শিক্ষায় সমতা প্রতিষ্ঠায় এই নীতিমালা কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন ঘটাবে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
১৭ বার পঠিত হয়েছে

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য শ্রুতি লেখক নীতিমালা জারি, অভিন্ন নিয়মে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ

আপডেট এর সময় : ০৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:   দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখকের সেবা গ্রহণে একটি অভিন্ন নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্ন ভিন্ন নিয়মে শ্রুতি লেখক নিয়োগ ও পরীক্ষার ব্যবস্থা চলায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। সেই জটিলতা দূর করতেই ‘পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখকের সেবা গ্রহণ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চার মাস ধরে একাধিক অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এই নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

শফিকুল আলম জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের জরিপ অনুযায়ী দেশে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যা ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬৫ জন। এর আগে পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষার ক্ষেত্রে শ্রুতি লেখক নিয়োগের কোনো পূর্ণাঙ্গ ও অভিন্ন নীতিমালা ছিল না। বিভিন্ন সময় খণ্ড খণ্ড প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া পরিচালিত হতো। ফলে শ্রুতি লেখকের যোগ্যতা, সম্মানী, আবেদন প্রক্রিয়া, অভিযোগ ও প্রতিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল না।

নতুন নীতিমালায় এসব বিষয় সমন্বিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সময়ের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রতি এক ঘণ্টা পরীক্ষার বিপরীতে ১৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে নীতিমালায়।

প্রেস সচিব বলেন, এই নীতিমালা সকল সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এতে শ্রুতি লেখকদের যোগ্যতা ও আবেদন ফরমের বিস্তারিত তফসিল সংযুক্ত রয়েছে।

শফিকুল আলম জানান, ইতোমধ্যে একাধিক সংগঠন ও সংস্থা এই নীতিমালাকে স্বাগত জানিয়েছে। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার বলেছেন, শিক্ষায় সমতা প্রতিষ্ঠায় এই নীতিমালা কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন ঘটাবে।