ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ধান-চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

প্রতিনিধির নাম :

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না মর্মে ধারনা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ ব্যবসায়ীরা। উপজেলায় খাদ্য গুদাম ২টি, লক্ষ্যমাত্রা ধান ২০৭৭ মে. টন এবং চাল ১৫৮২ মে. টন।

সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বাজার মুল্য অনেক বেশী হওয়ায় আভ্যন্তরিন আমন মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হতে চলেছে। ব্যবসায়ী ও মিলারেরা সরকারের সাথে চুক্তি আবদ্ধ হলেও তারা চুক্তি অনুযায়ী খাদ্য গুদামে ধান-চাল সরবরাহ করতে পারছেন না।

সরকারীভাবে বীরগঞ্জ এবং কবিরাজহাট খাদ্য গুদামে গত ১৭ নভেম্বর’২০২৪ তারিখে একই সঙ্গে ধান চাল সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং কার্যক্রম শুরু হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারী’২০২৫ পর্যন্ত চলবে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও দিলিপ চন্দ্র রায় জানান শতাধিক মিলার চুক্তিবদ্ধ থাকলেও এখনো লক্ষ্যমাত্রার ৩০% ভাগ অর্জন হয়নি, অটোমেটিক রাইস মিলগুলো অল্পকিছু চাল সরবরাহ করলেও হাস্কিং মিলারেরা করছেন না। তাছাড়া একজন কৃষকও ১ কেজি ধান বিক্রির জন্য গোডাউনে আসেন নাই।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিলার মোঃ সাইদুল ইসলাম, মোঃ রহিমুল হক এবং মোঃ সিদ্দিক হোসেনের সাথে কথা হলে তারা বলেন চালের মুল্য প্রতি কেজি ৪৭ টাকা ও ধান ৩২ টাকা নির্ধারিত কিন্তু ধানের বাজার মূল্য প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি তাই কোন কৃষক সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহ করেন নাই।

প্রতি কেজি চাউল উৎপাদনে খরচ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। ফলে এত লোকসানে চাউল সরবরাহ করা মোটেও সম্ভব হচ্ছে না। তারা ধান চালের মূল্য পুনঃ নির্ধারণ করার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মোস্তাফিজার রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান চাল সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে আশা করি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে কিন্তু ধান সংগ্রহ মোটেই সম্ভব নয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫
১৪ বার পঠিত হয়েছে

ধান-চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

আপডেট এর সময় : ০১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না মর্মে ধারনা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ ব্যবসায়ীরা। উপজেলায় খাদ্য গুদাম ২টি, লক্ষ্যমাত্রা ধান ২০৭৭ মে. টন এবং চাল ১৫৮২ মে. টন।

সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বাজার মুল্য অনেক বেশী হওয়ায় আভ্যন্তরিন আমন মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হতে চলেছে। ব্যবসায়ী ও মিলারেরা সরকারের সাথে চুক্তি আবদ্ধ হলেও তারা চুক্তি অনুযায়ী খাদ্য গুদামে ধান-চাল সরবরাহ করতে পারছেন না।

সরকারীভাবে বীরগঞ্জ এবং কবিরাজহাট খাদ্য গুদামে গত ১৭ নভেম্বর’২০২৪ তারিখে একই সঙ্গে ধান চাল সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং কার্যক্রম শুরু হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারী’২০২৫ পর্যন্ত চলবে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও দিলিপ চন্দ্র রায় জানান শতাধিক মিলার চুক্তিবদ্ধ থাকলেও এখনো লক্ষ্যমাত্রার ৩০% ভাগ অর্জন হয়নি, অটোমেটিক রাইস মিলগুলো অল্পকিছু চাল সরবরাহ করলেও হাস্কিং মিলারেরা করছেন না। তাছাড়া একজন কৃষকও ১ কেজি ধান বিক্রির জন্য গোডাউনে আসেন নাই।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিলার মোঃ সাইদুল ইসলাম, মোঃ রহিমুল হক এবং মোঃ সিদ্দিক হোসেনের সাথে কথা হলে তারা বলেন চালের মুল্য প্রতি কেজি ৪৭ টাকা ও ধান ৩২ টাকা নির্ধারিত কিন্তু ধানের বাজার মূল্য প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি তাই কোন কৃষক সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহ করেন নাই।

প্রতি কেজি চাউল উৎপাদনে খরচ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। ফলে এত লোকসানে চাউল সরবরাহ করা মোটেও সম্ভব হচ্ছে না। তারা ধান চালের মূল্য পুনঃ নির্ধারণ করার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মোস্তাফিজার রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান চাল সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে আশা করি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে কিন্তু ধান সংগ্রহ মোটেই সম্ভব নয়।