ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo মাদক সেবনের দায়ে শাহরাস্তিতে যুবকের কারাদণ্ড Logo ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় ভর্তুকি, মালয়েশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী Logo বিভিন্ন খাতে কানাডার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ইমরান সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সহিংসতার জেরে খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন Logo উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রণয়ন হচ্ছে জাতীয় বন্দর কৌশল: নৌপরিবহনমন্ত্রী Logo জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মারুবেনি কর্পোরেশন বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ Logo কুমিল্লা-৬ আসনের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর মতবিনিময় Logo ফেনীতে পৃথক অভিযানে ৩৯ কেজি গাঁজা, ইয়াবা ও ইস্কাপসহ আটক ৪

ধীরগতির উন্নয়ন কাজের জন্য প্রায় একবছর ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছেন এলাকাবাসী

প্রতিনিধির নাম :

নিউজ ডেস্ক: নিজ বাড়ির উঠোন-ই যেনো মৃত্যুফাঁদ। ঘর থেকে বেরিয়ে, পথে নামলেই বিপদের শঙ্কা। রাজধানীর দক্ষিণখানবাসীর জীবনে উন্নয়নই এখন আতঙ্কের নাম। ধীরগতির উন্নয়ন কাজের জন্য প্রায় একবছর ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছেন এলাকাবাসী।

বর্ষাকালে সড়কের যে মাটি কেটে রাখা হয়েছিলো, তিন মাসের ব্যবধানে তা-ই পরিণত হয়েছে ছোটখাটো টিলায়। তাও উন্নতি হয়নি পরিস্থিতির।

কি নেই এই সড়কে- স্থানে স্থানে উপচে পড়ছে সুয়ারেজের পানি। পড়ে আছে পাইপ, হাজারো ইট কিংবা বালুর স্তুপ। এতো কিছুর চাপে এই সড়কে যান চলাচলেরই কোনো ব্যবস্থা নেই।

একজন এলাকাবাসী বলেন, যেকেউ অসুস্থ হলে বেশ বিপদে পড়তে হয়। কারণ- রাস্তা ঠিক নেই। ফলে কোনভাবেই রোগী নিয়ে যাওয়ার উপায় নেই।

বাস্তবতা বুঝে এই এলাকা ছাড়ছেন অনেকে। ভাড়াটিয়া শূন্য অনেক বাসা। সড়কের পাশে যারা ব্যবসা করছেন তাদের অবস্থা পৌঁছেছে চরমে।

গাওয়াইর, কাজিবাড়ি থেকে মাটিবাড়ি পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি ছিলো তিন মাস আগেও। সেনাবাহিনী কাজের দায়িত্ব নেয়ার পর ওই সব এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে মোল্লারটেক থেকে প্রেমবাগান পর্যন্ত পরিস্থিতির কোন উন্নতি নেই।

এতো সব দুর্ভোগের বিপরীতে সিটি কর্পোরেশন তুলে ধরছে নিজেদের যুক্তি। সংস্থাটির দাবি, জমি অধিগ্রহণই এই সড়ক উন্নয়নের মূল জটিলতা।

উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে এই কাজটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেনাবাহিনী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন মূলত জমি অধিগ্রহণের কারণে সড়ক উন্নয়নের কাজ তরান্বিত হচ্ছে না।

নতুন বছরের শুরুতেই সড়কের অন্তত একপাশ যান চলাচলের উপযোগী হবে এমন আশাতেই দিন গুনছে স্থানীয়রা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪
২৭ বার পঠিত হয়েছে

ধীরগতির উন্নয়ন কাজের জন্য প্রায় একবছর ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছেন এলাকাবাসী

আপডেট এর সময় : ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

নিউজ ডেস্ক: নিজ বাড়ির উঠোন-ই যেনো মৃত্যুফাঁদ। ঘর থেকে বেরিয়ে, পথে নামলেই বিপদের শঙ্কা। রাজধানীর দক্ষিণখানবাসীর জীবনে উন্নয়নই এখন আতঙ্কের নাম। ধীরগতির উন্নয়ন কাজের জন্য প্রায় একবছর ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছেন এলাকাবাসী।

বর্ষাকালে সড়কের যে মাটি কেটে রাখা হয়েছিলো, তিন মাসের ব্যবধানে তা-ই পরিণত হয়েছে ছোটখাটো টিলায়। তাও উন্নতি হয়নি পরিস্থিতির।

কি নেই এই সড়কে- স্থানে স্থানে উপচে পড়ছে সুয়ারেজের পানি। পড়ে আছে পাইপ, হাজারো ইট কিংবা বালুর স্তুপ। এতো কিছুর চাপে এই সড়কে যান চলাচলেরই কোনো ব্যবস্থা নেই।

একজন এলাকাবাসী বলেন, যেকেউ অসুস্থ হলে বেশ বিপদে পড়তে হয়। কারণ- রাস্তা ঠিক নেই। ফলে কোনভাবেই রোগী নিয়ে যাওয়ার উপায় নেই।

বাস্তবতা বুঝে এই এলাকা ছাড়ছেন অনেকে। ভাড়াটিয়া শূন্য অনেক বাসা। সড়কের পাশে যারা ব্যবসা করছেন তাদের অবস্থা পৌঁছেছে চরমে।

গাওয়াইর, কাজিবাড়ি থেকে মাটিবাড়ি পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি ছিলো তিন মাস আগেও। সেনাবাহিনী কাজের দায়িত্ব নেয়ার পর ওই সব এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে মোল্লারটেক থেকে প্রেমবাগান পর্যন্ত পরিস্থিতির কোন উন্নতি নেই।

এতো সব দুর্ভোগের বিপরীতে সিটি কর্পোরেশন তুলে ধরছে নিজেদের যুক্তি। সংস্থাটির দাবি, জমি অধিগ্রহণই এই সড়ক উন্নয়নের মূল জটিলতা।

উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে এই কাজটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেনাবাহিনী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন মূলত জমি অধিগ্রহণের কারণে সড়ক উন্নয়নের কাজ তরান্বিত হচ্ছে না।

নতুন বছরের শুরুতেই সড়কের অন্তত একপাশ যান চলাচলের উপযোগী হবে এমন আশাতেই দিন গুনছে স্থানীয়রা।