ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

নির্বাচনের দিনই গণভোট, অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন দিল উপদেষ্টা পরিষদ

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:     গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

সভা শুরুর সময় ছিল সকাল ১১টা। তার আগে ২০ নভেম্বরের বৈঠকে গণভোট আইন অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত কাঠামোগত সংস্কারে জনগণের মতামত নিতে নির্বাচন এবং গণভোট একই দিনে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় আইন প্রণয়নের অংশ হিসেবে মঙ্গলবারের বিশেষ বৈঠকে অধ্যাদেশ পাস করা হলো।

বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, গণভোট আয়োজনের ঘোষণা অনুসারে আগামী সপ্তাহেই অধ্যাদেশটি কার্যকর করার মতো প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। তার ভাষায়, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক কার্যদিবসের মধ্যেই আইনি কাঠামো দাঁড়িয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অনুমোদনও দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এই সচিবালয় গঠিত হলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আর সরকারের হাতে থাকবে না।

এর আগেও প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সেই নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, এতে নির্বাচন আরও উৎসবমুখর হবে এবং ব্যয়ও কমবে।

গণভোটে চারটি সংস্কার প্রস্তাব একত্রে একটি প্রশ্নে উপস্থাপন করা হবে। ভোটাররা হ্যাঁ বা না দিয়ে মতামত জানাবেন। অধিকাংশ ভোট যদি হ্যাঁ হয়, তবে নতুন সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে, যারা ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার চূড়ান্ত করবে। পরবর্তী পর্যায়ে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হবে।

সরকারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী, অধ্যাদেশ অনুমোদনের ফলে গণভোটের প্রস্তুতি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে পারবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই প্রক্রিয়াটি নীতিগত কাঠামোতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
২৪ বার পঠিত হয়েছে

নির্বাচনের দিনই গণভোট, অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন দিল উপদেষ্টা পরিষদ

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:     গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

সভা শুরুর সময় ছিল সকাল ১১টা। তার আগে ২০ নভেম্বরের বৈঠকে গণভোট আইন অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত কাঠামোগত সংস্কারে জনগণের মতামত নিতে নির্বাচন এবং গণভোট একই দিনে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় আইন প্রণয়নের অংশ হিসেবে মঙ্গলবারের বিশেষ বৈঠকে অধ্যাদেশ পাস করা হলো।

বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, গণভোট আয়োজনের ঘোষণা অনুসারে আগামী সপ্তাহেই অধ্যাদেশটি কার্যকর করার মতো প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। তার ভাষায়, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক কার্যদিবসের মধ্যেই আইনি কাঠামো দাঁড়িয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অনুমোদনও দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এই সচিবালয় গঠিত হলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আর সরকারের হাতে থাকবে না।

এর আগেও প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সেই নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, এতে নির্বাচন আরও উৎসবমুখর হবে এবং ব্যয়ও কমবে।

গণভোটে চারটি সংস্কার প্রস্তাব একত্রে একটি প্রশ্নে উপস্থাপন করা হবে। ভোটাররা হ্যাঁ বা না দিয়ে মতামত জানাবেন। অধিকাংশ ভোট যদি হ্যাঁ হয়, তবে নতুন সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে, যারা ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার চূড়ান্ত করবে। পরবর্তী পর্যায়ে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হবে।

সরকারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী, অধ্যাদেশ অনুমোদনের ফলে গণভোটের প্রস্তুতি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে পারবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই প্রক্রিয়াটি নীতিগত কাঠামোতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।