ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেল এনসিপিসহ তিন রাজনৈতিক দল

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে নতুন করে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।”

তিনি আরও জানান, বুধবার (৫ নভেম্বর) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে। নির্ধারিত সময় শেষে তা নিষ্পত্তি করে দলগুলোর নিবন্ধন গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে নির্বাচন কমিশনে মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন করেছিল। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর ২২টি দলের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হয়। তদন্ত শেষে সাতটি দলকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করে ইসি জানায়, তারা ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

ইসি সচিব বলেন, “বাংলাদেশ নেজামী ইসলাম পার্টির বিষয়ে একটি রিট মামলা হাইকোর্টে বিচারাধীন আছে। আদালতের রায় পাওয়ার পর তাদের বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।”

তিনি জানান, তদন্তে দেখা গেছে অনেক দলের রাজনৈতিক কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা নেই। বিশেষ করে জাতীয় জনতা পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (শাহজাহান সিরাজ) ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে যাচাই শেষে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ইসির নিয়ম অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে রাজনৈতিক দলকে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় সাংগঠনিক কাঠামো ও অন্তত ১০০টি উপজেলা কমিটি গঠন করতে হয়। প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হয়। এছাড়া আগের নির্বাচনে সংসদ সদস্য থাকা বা পাঁচ শতাংশ ভোট পাওয়াও নিবন্ধনের যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
১০ বার পঠিত হয়েছে

নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেল এনসিপিসহ তিন রাজনৈতিক দল

আপডেট এর সময় : ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে নতুন করে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে তিনটি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।”

তিনি আরও জানান, বুধবার (৫ নভেম্বর) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১২ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে। নির্ধারিত সময় শেষে তা নিষ্পত্তি করে দলগুলোর নিবন্ধন গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে নির্বাচন কমিশনে মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন করেছিল। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর ২২টি দলের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হয়। তদন্ত শেষে সাতটি দলকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করে ইসি জানায়, তারা ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

ইসি সচিব বলেন, “বাংলাদেশ নেজামী ইসলাম পার্টির বিষয়ে একটি রিট মামলা হাইকোর্টে বিচারাধীন আছে। আদালতের রায় পাওয়ার পর তাদের বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।”

তিনি জানান, তদন্তে দেখা গেছে অনেক দলের রাজনৈতিক কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা নেই। বিশেষ করে জাতীয় জনতা পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (শাহজাহান সিরাজ) ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে যাচাই শেষে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ইসির নিয়ম অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে রাজনৈতিক দলকে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় সাংগঠনিক কাঠামো ও অন্তত ১০০টি উপজেলা কমিটি গঠন করতে হয়। প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হয়। এছাড়া আগের নির্বাচনে সংসদ সদস্য থাকা বা পাঁচ শতাংশ ভোট পাওয়াও নিবন্ধনের যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়।