ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

পূর্বাচল স্টেডিয়ামে ‘মাটি চুরি’ ইস্যুতে নড়েচড়ে বসলেন পাইলট

প্রতিনিধির নাম :

খেলাধুলা ডেস্ক: বিসিবির গ্রাউন্ড কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসে কাজের মান ভালো না হলে তিনি নিজেই পদ ছাড়বেন। সম্প্রতি বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামকে সরিয়ে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার তিনি পূর্বাচল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যান এবং স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করেন।

সেখানে তিনি বলেন, ‘আমরা ১৫, ৩০ বা ৪০ বছর ধরে দেখছি মানুষ আসে আর যায়। আমাদের মতো মানুষ আসলে খুব খারাপ। আমি পরিচালক হিসেবে বলছি, আমাদের মতো মানুষ ক্রিকেট বোর্ডকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করেছে। এই চেয়ারগুলোও ব্যবহার করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ যেন আমাকে এমন সুযোগ না দেন। আমি করতে চাই না। যদি দেখি আমি কাজ পারছি না, তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে যদি দেখি ভালো কাজ করতে পারছি না, তাহলে আমার মনে হয় আমি ছেড়ে চলে যাব।’

মাসুদ বলেন, ‘আমি চেয়ারের জন্য আসিনি। আমি ক্রিকেটের উন্নতির জন্য এসেছি। যদি দেখি কাজ পারছি না, তাহলে থাকার কোনো মানে নেই। আমি টাকা রোজগার করতে আসিনি। আমার কাছে চেয়ার গুরুত্বপূর্ণ না, গুরুত্বপূর্ণ হলো আমি কতটা ভালো কাজ করতে পারব এবং কতটা জ্ঞান দিতে পারব।’

এদিকে তিনি জানান, পূর্বাচল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাটি চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর মাটি ‘অনিয়মের মাধ্যমে সরানোর’ অভিযোগ উঠে। মাসুদ বলেন, ‘আমি শুনেছি। জানলাম যে ২০ হাজার সিএফটি মাটি পড়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন মাপজোখ করে দেখা গেছে ৭ হাজার ৫০০ সিএফটি মাটি আছে। প্রায় ১২ হাজার ৫০০ সিএফটি মাটি নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষকে সন্দেহ করা খুব খারাপ। আগে ঠিকভাবে জানতে হবে। বিল দেখে মনে হলো ২০ হাজার সিএফটি মাটির অর্ডার ছিল। কিন্তু মাপজোখে ৭ হাজার ৫০০ পাওয়া গেছে। পড়েনি? নাকি পড়েছে? কে সাইন করেছে? কে করেনি? সব দেখতে হবে।’

মাসুদ বলেন, ‘একটা খুব স্বচ্ছ তদন্ত কমিটি করতে হবে, যাতে পুরো ঘটনাটা বের হয় এবং বোঝা যায় কে কে জড়িত।’

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
৭ বার পঠিত হয়েছে

পূর্বাচল স্টেডিয়ামে ‘মাটি চুরি’ ইস্যুতে নড়েচড়ে বসলেন পাইলট

আপডেট এর সময় : ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

খেলাধুলা ডেস্ক: বিসিবির গ্রাউন্ড কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসে কাজের মান ভালো না হলে তিনি নিজেই পদ ছাড়বেন। সম্প্রতি বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামকে সরিয়ে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার তিনি পূর্বাচল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যান এবং স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করেন।

সেখানে তিনি বলেন, ‘আমরা ১৫, ৩০ বা ৪০ বছর ধরে দেখছি মানুষ আসে আর যায়। আমাদের মতো মানুষ আসলে খুব খারাপ। আমি পরিচালক হিসেবে বলছি, আমাদের মতো মানুষ ক্রিকেট বোর্ডকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করেছে। এই চেয়ারগুলোও ব্যবহার করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহ যেন আমাকে এমন সুযোগ না দেন। আমি করতে চাই না। যদি দেখি আমি কাজ পারছি না, তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে যদি দেখি ভালো কাজ করতে পারছি না, তাহলে আমার মনে হয় আমি ছেড়ে চলে যাব।’

মাসুদ বলেন, ‘আমি চেয়ারের জন্য আসিনি। আমি ক্রিকেটের উন্নতির জন্য এসেছি। যদি দেখি কাজ পারছি না, তাহলে থাকার কোনো মানে নেই। আমি টাকা রোজগার করতে আসিনি। আমার কাছে চেয়ার গুরুত্বপূর্ণ না, গুরুত্বপূর্ণ হলো আমি কতটা ভালো কাজ করতে পারব এবং কতটা জ্ঞান দিতে পারব।’

এদিকে তিনি জানান, পূর্বাচল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাটি চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর মাটি ‘অনিয়মের মাধ্যমে সরানোর’ অভিযোগ উঠে। মাসুদ বলেন, ‘আমি শুনেছি। জানলাম যে ২০ হাজার সিএফটি মাটি পড়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন মাপজোখ করে দেখা গেছে ৭ হাজার ৫০০ সিএফটি মাটি আছে। প্রায় ১২ হাজার ৫০০ সিএফটি মাটি নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষকে সন্দেহ করা খুব খারাপ। আগে ঠিকভাবে জানতে হবে। বিল দেখে মনে হলো ২০ হাজার সিএফটি মাটির অর্ডার ছিল। কিন্তু মাপজোখে ৭ হাজার ৫০০ পাওয়া গেছে। পড়েনি? নাকি পড়েছে? কে সাইন করেছে? কে করেনি? সব দেখতে হবে।’

মাসুদ বলেন, ‘একটা খুব স্বচ্ছ তদন্ত কমিটি করতে হবে, যাতে পুরো ঘটনাটা বের হয় এবং বোঝা যায় কে কে জড়িত।’