ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত Logo হজযাত্রীদের লাগেজ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন: মিল্লাত Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ Logo ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা Logo নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শিগগিরই দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আস্থা পুনর্গঠন ও সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার খলিলুর রহমানের Logo ক্ষমতা গ্রহণের ৩ মাসেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : মির্জা ফখরুল Logo বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছে ইরাক Logo চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা; মামলার রায় আজ

প্রতিনিধির নাম :

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিগত ২৮ বছর আগে অর্থ্যাৎ ১৯৯৭ সালে তার বাসায় হামলা করে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছিল। এই হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা দু’টি মামলার রায় হবে রোববার (২৯ অক্টোবর)। গত ১৬ অক্টোবর রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকা চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির রায় ঘোষণার রোববার (২৯ অক্টোবর) তারিখ নির্ধারণ করেন।

এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী আবদুল্লাহ আবু স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘অনেক বাধা-বিপত্তির পর এ মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘রোববার (২৯ অক্টোবর) সকালে নাজিমউদ্দিন রোডের বিশেষ এজলাসে হত্যা চেষ্টা মামলার রায় ও বিকালে মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার এজলাসে বিস্ফোরক মামলার রায় দেওয়া হবে।’

এ মামলার আসামিরা হলো- জজ মিয়া, সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম, মো. শাজাহান বালু, আবদুর রশীদ, গাজী ইমাম হোসেন, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় মোট ১৯ বার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এই বছরই রায় হয় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে হামলার মামলাটিতে ।

১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে গুলি ও বোমা ছোড়া হয়। ওই ঘটনায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা করেন। তদন্ত অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের নেতৃত্বে গঠিত দল ফ্রিডম পার্টির নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসে।

১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এ ঘটনার তদন্ত শেষ করে হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মোট ১২ জনকে আসামি করা হয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৭
৮ বার পঠিত হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা; মামলার রায় আজ

আপডেট এর সময় : ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৭

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিগত ২৮ বছর আগে অর্থ্যাৎ ১৯৯৭ সালে তার বাসায় হামলা করে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছিল। এই হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা দু’টি মামলার রায় হবে রোববার (২৯ অক্টোবর)। গত ১৬ অক্টোবর রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকা চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির রায় ঘোষণার রোববার (২৯ অক্টোবর) তারিখ নির্ধারণ করেন।

এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী আবদুল্লাহ আবু স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘অনেক বাধা-বিপত্তির পর এ মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘রোববার (২৯ অক্টোবর) সকালে নাজিমউদ্দিন রোডের বিশেষ এজলাসে হত্যা চেষ্টা মামলার রায় ও বিকালে মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার এজলাসে বিস্ফোরক মামলার রায় দেওয়া হবে।’

এ মামলার আসামিরা হলো- জজ মিয়া, সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম, মো. শাজাহান বালু, আবদুর রশীদ, গাজী ইমাম হোসেন, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় মোট ১৯ বার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এই বছরই রায় হয় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে হামলার মামলাটিতে ।

১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে গুলি ও বোমা ছোড়া হয়। ওই ঘটনায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা করেন। তদন্ত অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের নেতৃত্বে গঠিত দল ফ্রিডম পার্টির নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসে।

১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এ ঘটনার তদন্ত শেষ করে হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মোট ১২ জনকে আসামি করা হয়।