ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজেএমসি বন্ধ করে দেওয়া উচিত :অর্থমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম :

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) লোকসানি হওয়ায় একেবারে বন্ধ করে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, তাদের অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে। তারা লোকসান থেকে বের হতে পারছে না। যে পদ্ধতিতে কাজ চলছে, তাতে পাটের উন্নয়ন হবে না বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

গতকাল বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থ বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীর সমিতির উদ্যোগে স্মরণিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সোমবার বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এক অনুষ্ঠানে অভিযোগ করে বলেছিলেন দেশে পাটের বিকাশে অর্থমন্ত্রী বাধা। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা তার ব্যক্তিগত অভিমত। সুতরাং এটার ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

তিনি বলেন, পাটকে আমরা রিভাইস করতে চাই। পাটের একটা নতুন বাজারও সৃষ্টি হয়েছে; কিন্তু রিভিশনের প্রক্রিয়াটা আমার ভালো লাগছে না। তিনি বলেন, নতুন ব্যবস্থায় আমরা বলছি পিপিপি (সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব) প্রজেক্ট হবে সবগুলো। সেখানে এই বিজেএমসি থাকার কোনো প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। বিজেএমসি একদম বন্ধ করে দেওয়া উচিত। মন্ত্রণালয়ে সমন্বয়ের একটা সেল থাকবে, তারাই সব দেখবে। আমি তাদের অফিসিয়ালি পর্যন্ত বলেছি; কিন্তু মন্ত্রণালয় বিজেএমসির খপ্পরে পড়েছে।

এ সময় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান বলেন, স্যার আপনি (অর্থমন্ত্রী) তো সম্প্রতি পলিসি সাপোর্ট দিয়েছেন। যেটা আমার মাধ্যমে হয়েছে। কাঁচা পাটের ব্যবসা এক সময় বন্ধ করে দিয়েছিল, আপনি পলিসি সাপোর্ট দিয়ে সেগুলো বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। তারপরও এই মন্তব্যটা আসলে ঠিক হয়নি। এ পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, পাটে আমাদের ইনভেস্টমেন্ট কত আছে!

ইনিশিয়ালি যখন বিজিএমসি হলো তখন কয়েক হাজার টাকা দিয়েছি, এরপর প্রত্যেক বছরে ৪০০-৫০০ কোটি টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও তারা টাকা চাইছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ ২০১৮
১৬ বার পঠিত হয়েছে

বিজেএমসি বন্ধ করে দেওয়া উচিত :অর্থমন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ ২০১৮

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) লোকসানি হওয়ায় একেবারে বন্ধ করে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, তাদের অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে। তারা লোকসান থেকে বের হতে পারছে না। যে পদ্ধতিতে কাজ চলছে, তাতে পাটের উন্নয়ন হবে না বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

গতকাল বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থ বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীর সমিতির উদ্যোগে স্মরণিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সোমবার বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এক অনুষ্ঠানে অভিযোগ করে বলেছিলেন দেশে পাটের বিকাশে অর্থমন্ত্রী বাধা। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা তার ব্যক্তিগত অভিমত। সুতরাং এটার ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

তিনি বলেন, পাটকে আমরা রিভাইস করতে চাই। পাটের একটা নতুন বাজারও সৃষ্টি হয়েছে; কিন্তু রিভিশনের প্রক্রিয়াটা আমার ভালো লাগছে না। তিনি বলেন, নতুন ব্যবস্থায় আমরা বলছি পিপিপি (সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব) প্রজেক্ট হবে সবগুলো। সেখানে এই বিজেএমসি থাকার কোনো প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। বিজেএমসি একদম বন্ধ করে দেওয়া উচিত। মন্ত্রণালয়ে সমন্বয়ের একটা সেল থাকবে, তারাই সব দেখবে। আমি তাদের অফিসিয়ালি পর্যন্ত বলেছি; কিন্তু মন্ত্রণালয় বিজেএমসির খপ্পরে পড়েছে।

এ সময় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান বলেন, স্যার আপনি (অর্থমন্ত্রী) তো সম্প্রতি পলিসি সাপোর্ট দিয়েছেন। যেটা আমার মাধ্যমে হয়েছে। কাঁচা পাটের ব্যবসা এক সময় বন্ধ করে দিয়েছিল, আপনি পলিসি সাপোর্ট দিয়ে সেগুলো বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। তারপরও এই মন্তব্যটা আসলে ঠিক হয়নি। এ পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, পাটে আমাদের ইনভেস্টমেন্ট কত আছে!

ইনিশিয়ালি যখন বিজিএমসি হলো তখন কয়েক হাজার টাকা দিয়েছি, এরপর প্রত্যেক বছরে ৪০০-৫০০ কোটি টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও তারা টাকা চাইছে।