ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী

বিপিএল নিলাম শেষে সবচেয়ে আলোচনায় নাঈম

প্রতিনিধির নাম :

খেলাধুলা ডেস্ক: ঢাকা শহরের একটি হোটেলে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম রোববার ঘিরে ছিল সরগরম পরিবেশ। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। প্রথম ডাকে শুরু হওয়া লড়াই শেষে তাকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস। বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। তাকে ৫৫ হাজার ডলারে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

নিলামের শুরু থেকেই স্থানীয় ক্রিকেটারদের দামে ওঠানামা ছিল বেশ নাটকীয়। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ৫০ লাখ টাকার নাঈমকে ঘিরে তিন দলের মধ্যে দারুণ লড়াই হয়। রংপুর ও সিলেটের সঙ্গে শেষ সময়ে যোগ দেয় চট্টগ্রাম। একের পর এক ডাক বাড়তে থাকে। ৮০ লাখের পর লড়াইটি চট্টগ্রাম ও সিলেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় নাঈমকে দলে ভেড়ায় চট্টগ্রাম। একই ক্যাটাগরির লিটন দাসকে নেওয়া হয় তুলনামূলকভাবে কম প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে। রংপুর ৭০ লাখ টাকায় তাকে দলে নেয়।

পটভূমিতে ছিল তাওহিদ হৃদয়কে ঘিরে সমান উত্তাপ। বি ক্যাটাগরির এই ব্যাটসম্যানের ভিত্তিমূল্য ছিল ৩৫ লাখ। একে একে ডাকা বাড়তে বাড়তে দাঁড়ায় ৯২ লাখ টাকায়। তাকে দলে নেয় রংপুর রাইডার্স। ঢাকা ক্যাপিটালস ৫৬ লাখ টাকায় নেয় শামীম হোসেনকে।

স্থানীয়দের নিলাম শেষে শুরু হয় বিদেশি ক্রিকেটারদের ডাক। বেশিরভাগ দলই কিনেছে ভিত্তিমূল্যে বা সামান্য ওপরে। শানাকাকে সবচেয়ে বেশি ৫৫ হাজার ডলারে নেয় ঢাকা। চট্টগ্রাম নেয় নিরোশান ডিকভেলাকে ৩৫ হাজার ডলারে এবং ২০ হাজার ডলারে অ্যাঞ্জেলো পেরেরাকে। সিলেট দলে নেয় অভিজ্ঞ অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে। রাজশাহী কিনে দুশান হেমন্তকে এবং নোয়াখালী তাদের স্কোয়াডে যুক্ত করে পাকিস্তানি ইহসানউল্লাহকে।

মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ প্রথম ডাকে দল না পেয়ে আলোচনায় আসেন। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ক্যাটাগরিতে নাম ওঠানোর কথা থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তা করেনি। শেষ পর্যন্ত ৩৫ লাখ টাকায় মাহমুদউল্লাহকে নেয় রংপুর এবং সমান দামে মুশফিককে দলে নেয় রাজশাহী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়ায় মুশফিক লেখেন সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।

নিলামের আরেক বড় আলোচনা ছিল কোন দল কত ব্যয়ে স্কোয়াড তৈরি করেছে তা নিয়ে। সর্বোচ্চ ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা খরচ করেছে রংপুর রাইডার্স। চট্টগ্রাম ব্যয় করেছে ৩ কোটি ৮৭ লাখ। রাজশাহী ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা দিয়ে নিয়েছে সবচেয়ে বেশি ১৩ ক্রিকেটার। সবচেয়ে কম ব্যয় করেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস, ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় স্কোয়াড গড়ে।

বিদেশিদের ক্ষেত্রে বরাদ্দ ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত। এর মধ্যে ঢাকা ক্যাপিটালসই সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে ৭৫ হাজার ডলার। অন্যদিকে নোয়াখালী, রংপুর এবং রাজশাহী ৫০ হাজার ডলারও খরচ করেনি।

নিলাম শেষে দলগুলোর স্কোয়াডে জমেছে অভিজ্ঞতা, তরুণদের তারুণ্য এবং বিদেশিদের বহুজাতিক বৈচিত্র্য। ২৬ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া আসর নিয়ে উত্তেজনা তাই আরও বেড়ে গেছে ক্রিকেটভক্তদের মধ্যে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
১৪ বার পঠিত হয়েছে

বিপিএল নিলাম শেষে সবচেয়ে আলোচনায় নাঈম

আপডেট এর সময় : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

খেলাধুলা ডেস্ক: ঢাকা শহরের একটি হোটেলে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম রোববার ঘিরে ছিল সরগরম পরিবেশ। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। প্রথম ডাকে শুরু হওয়া লড়াই শেষে তাকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস। বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। তাকে ৫৫ হাজার ডলারে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

নিলামের শুরু থেকেই স্থানীয় ক্রিকেটারদের দামে ওঠানামা ছিল বেশ নাটকীয়। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ৫০ লাখ টাকার নাঈমকে ঘিরে তিন দলের মধ্যে দারুণ লড়াই হয়। রংপুর ও সিলেটের সঙ্গে শেষ সময়ে যোগ দেয় চট্টগ্রাম। একের পর এক ডাক বাড়তে থাকে। ৮০ লাখের পর লড়াইটি চট্টগ্রাম ও সিলেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় নাঈমকে দলে ভেড়ায় চট্টগ্রাম। একই ক্যাটাগরির লিটন দাসকে নেওয়া হয় তুলনামূলকভাবে কম প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে। রংপুর ৭০ লাখ টাকায় তাকে দলে নেয়।

পটভূমিতে ছিল তাওহিদ হৃদয়কে ঘিরে সমান উত্তাপ। বি ক্যাটাগরির এই ব্যাটসম্যানের ভিত্তিমূল্য ছিল ৩৫ লাখ। একে একে ডাকা বাড়তে বাড়তে দাঁড়ায় ৯২ লাখ টাকায়। তাকে দলে নেয় রংপুর রাইডার্স। ঢাকা ক্যাপিটালস ৫৬ লাখ টাকায় নেয় শামীম হোসেনকে।

স্থানীয়দের নিলাম শেষে শুরু হয় বিদেশি ক্রিকেটারদের ডাক। বেশিরভাগ দলই কিনেছে ভিত্তিমূল্যে বা সামান্য ওপরে। শানাকাকে সবচেয়ে বেশি ৫৫ হাজার ডলারে নেয় ঢাকা। চট্টগ্রাম নেয় নিরোশান ডিকভেলাকে ৩৫ হাজার ডলারে এবং ২০ হাজার ডলারে অ্যাঞ্জেলো পেরেরাকে। সিলেট দলে নেয় অভিজ্ঞ অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে। রাজশাহী কিনে দুশান হেমন্তকে এবং নোয়াখালী তাদের স্কোয়াডে যুক্ত করে পাকিস্তানি ইহসানউল্লাহকে।

মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ প্রথম ডাকে দল না পেয়ে আলোচনায় আসেন। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ক্যাটাগরিতে নাম ওঠানোর কথা থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তা করেনি। শেষ পর্যন্ত ৩৫ লাখ টাকায় মাহমুদউল্লাহকে নেয় রংপুর এবং সমান দামে মুশফিককে দলে নেয় রাজশাহী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়ায় মুশফিক লেখেন সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।

নিলামের আরেক বড় আলোচনা ছিল কোন দল কত ব্যয়ে স্কোয়াড তৈরি করেছে তা নিয়ে। সর্বোচ্চ ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা খরচ করেছে রংপুর রাইডার্স। চট্টগ্রাম ব্যয় করেছে ৩ কোটি ৮৭ লাখ। রাজশাহী ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা দিয়ে নিয়েছে সবচেয়ে বেশি ১৩ ক্রিকেটার। সবচেয়ে কম ব্যয় করেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস, ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় স্কোয়াড গড়ে।

বিদেশিদের ক্ষেত্রে বরাদ্দ ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত। এর মধ্যে ঢাকা ক্যাপিটালসই সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে ৭৫ হাজার ডলার। অন্যদিকে নোয়াখালী, রংপুর এবং রাজশাহী ৫০ হাজার ডলারও খরচ করেনি।

নিলাম শেষে দলগুলোর স্কোয়াডে জমেছে অভিজ্ঞতা, তরুণদের তারুণ্য এবং বিদেশিদের বহুজাতিক বৈচিত্র্য। ২৬ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া আসর নিয়ে উত্তেজনা তাই আরও বেড়ে গেছে ক্রিকেটভক্তদের মধ্যে।