ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ Logo বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ Logo ৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো Logo গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য

বিরামপুরে মাদকদ্রব্য সরবরাহকারী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে নারী পুরুষ আটক থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা

প্রতিনিধির নাম :

রেজওয়ান,দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার অর্ন্তরালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য মুক্ত করণের উদ্দেশ্যে অনেক স্হান থেকে নারী ও পুরুষ আটক করার সংবাদ বিরামপুর থানা সূেএ জানা যায় । সূএ মোতাবেক মাদকদ্রব্য সরবরাহ ও ব্যাবহার করার অপরাধে যাদের কে আটক করা হয় তারা হলেন,পূর্ব জগন্নাথ পুর মহল্লার জুয়েলের স্ত্রী আলেকজান(৩৫),বেগম পুর মহল্লার শামসুলের পুএ আমিনুল ইসলাম,(২৮),একই মহল্লার মিজানুরের স্ত্রী মোনজিলা(৪৫),বিসকিনি মহল্লার মন্টু মিয়ার পুএ সাজ্জাদ হোসেন(২২),একই মহল্লার কছিরের পুএ এনামুল (৫৫)ও কছিরের স্ত্রী আফিয়া,বিরামপুর দিনাজপুর এবং পাবনা জেলার ফতেহ মোহাম্মদ পুর মহল্লার চুন্নু মিয়ার স্ত্রী মুন্নী(৪৫)কে আটক করেন ও ওয়ারেন্ট ভূক্ত আরও দশ জনকে ধৃত করেন বিরামপুর থানা পুলিশের অভিযান টিম।  তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের মাদকদ্রব্য বিশেষ আইনের ২৫/বি ধারায় মামলা রুজু হয়। যার বিরামপুর থানা মামলা নং-৬৩,তাং-২৮/০৫/২০১৮ ইং

এ বিযয়ে জনগনের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন দেশের প্রতিটি শহরের ন্যায় বিরামপুরেও মাদকদ্রব্যের সরবরাহ ও ব্যাবহারের মাএা দিন দিন  বেড়েই চলেছে এমন কি তারা পুলিশ প্রশাসনকেও ভয় পাচ্ছেন না, তাদের উপর চড়াও হয়ে তাদের উপর হামলা করছেন এবং দিনের পর দিন মাদকের কেনাবেচা ও সেবন কারির প্রবনতা বেড়েই চলেছে ।  সেই জন্যে দেশের জনস্পদের ভিষন  ক্ষতি হচ্ছে বিধায় সরকার এমন কঠোর হতে বাধ্য হয়েছেন, তাতে করে দেশ ও সমাজের কল্যাণ সাধিত হবে মর্মে এমন ব্যাবস্হা ।
তারা আরও জানান যে,মাদকবিরুদ্ধি অভিযানে যারা ধরা পড়ছেন তারা চুনা পুটি কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন রাঘব বোয়াল মাদকদ্রব্য সরবরাহকারী ও সেবন কারিগন ধরা পড়েন নাই,তাদেরকে অতি তাড়াতাড়ি করে ধরা একান্ত প্রয়োজন বলে দাবি করেন তবেই বিরামপুরে মাদকদ্রব্য সরবরাহ ও সেবন কারি নিধন হবে তারা আশা করেন এমনই হবে ।
উল্লেখ্য, বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছবুরের এর নেতৃত্বে পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছেন ।
এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করতে থাকায় কিছুদিনের মধ্যে তিনি মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের আতংকের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছেন।
বিরামপুর থানায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছবুরের যোগদানের পর হতে মাদক বিরোধী সমন্বিত অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন হাট-বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে সচেতনাতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন । একসময়ের মাদকের স্পটখ্যাত,কাটলা,আয়ড়া,মুকুন্দপুর, বিশু পাড়া,শান্তি মোড়,ঘোড়াঘাট রেলঘুমটি,মির্জাপুর, কলেজ বাজার শিমুলতলি,হাবিবপুর,রেলষ্টেশন বিহারি পাড়া,শাল বাগান,টিকর আরও অনেক জায়গায় মাদক ব্যাবসায়িরা গাঁ ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা যায় । অবিভাবক গন বলেন

উঠতি বয়সের সন্তানদের নিয়ে যে অভিভাবকরা চরম শংকায় ছিলেন, আজ অনেকটাই তারা শংকাহীন। ইতিপূর্বে বিরামপুর শহর থেকে প্রকাশ্যে শত শত নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট অনেকে যাওয়া আসা করতেন। কিন্তু বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছবুেরর সাহসীকতায় সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সমূহের সমন্বয়ে সফলভাবে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে এলাকার মাদক ব্যবসার মূলহোতারা হাতে নাতে ধরা পড়তে থাকায় এখন উল্লেখিত মাদকের স্পটগুলিতে নেই কোন অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা কোলাহল ।
অথচ
যেখানে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির মহোৎসবে মেতে উঠেছিল মাদক ব্যবসায়ীরা, সেখানে এখন তাদের কোন চিহ্ন খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বিরামপুর উপজেলার অর্ন্তরগত সাধারণ মানুষদের মধ্যেও মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতার অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন এলাকাবাসী জনসাধারণ ।

বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছবুরের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীগনকে প্রায় বেশ কিছু আসামীকে আটক করে পর্যায়ক্রমে নিয়মিত মামলা দিয়ে আবার অনেককে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করায় এখন এই এলাকাটি কিছুটা হলেও মাদকদ্রব্য  শূন্যতায় প্রতক্ষ্য করা যায় ।
এ বিযয়ে বিরামপুর উপজেলার ৪নং দিওড়,খাঁনপুর,বিনাইল,কাটলা,জোতবানি,মুকুন্দপুর, ইউনিয়ন ও বিরামপুর পৌরসভার সাধারন জনগনের নিকট জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন,বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন তবেই তো মাদকদ্রব্য সরবরাহ বিক্রয় ক্রয় ও সেবন প্রক্রিয়া অনেকাংশে কমেছে গেছে, এমন অবস্হা বিদ্যমান থাকলে মাদকদ্রব্য আর এ দেশে থাকবেনা । তারা আরও জানান, এই মাদকের ব্যাবহারের সমারোহে জোরালো ভাবে প্রত্যেক জায়গায় ছড়িয়ে যাওয়ার ফলে আমাদের স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাএছািএদের জিবন ধ্বংসের দিগে ধাবিত হতে যাচ্ছিল ও শোভ্য সমাজ নষ্টের পথে এগুচ্ছিল তা থেকে বধায় আমরা রেহায় পাইব বলে প্রতাশা করছি ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮
১১ বার পঠিত হয়েছে

বিরামপুরে মাদকদ্রব্য সরবরাহকারী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে নারী পুরুষ আটক থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা

আপডেট এর সময় : ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

রেজওয়ান,দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার অর্ন্তরালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য মুক্ত করণের উদ্দেশ্যে অনেক স্হান থেকে নারী ও পুরুষ আটক করার সংবাদ বিরামপুর থানা সূেএ জানা যায় । সূএ মোতাবেক মাদকদ্রব্য সরবরাহ ও ব্যাবহার করার অপরাধে যাদের কে আটক করা হয় তারা হলেন,পূর্ব জগন্নাথ পুর মহল্লার জুয়েলের স্ত্রী আলেকজান(৩৫),বেগম পুর মহল্লার শামসুলের পুএ আমিনুল ইসলাম,(২৮),একই মহল্লার মিজানুরের স্ত্রী মোনজিলা(৪৫),বিসকিনি মহল্লার মন্টু মিয়ার পুএ সাজ্জাদ হোসেন(২২),একই মহল্লার কছিরের পুএ এনামুল (৫৫)ও কছিরের স্ত্রী আফিয়া,বিরামপুর দিনাজপুর এবং পাবনা জেলার ফতেহ মোহাম্মদ পুর মহল্লার চুন্নু মিয়ার স্ত্রী মুন্নী(৪৫)কে আটক করেন ও ওয়ারেন্ট ভূক্ত আরও দশ জনকে ধৃত করেন বিরামপুর থানা পুলিশের অভিযান টিম।  তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের মাদকদ্রব্য বিশেষ আইনের ২৫/বি ধারায় মামলা রুজু হয়। যার বিরামপুর থানা মামলা নং-৬৩,তাং-২৮/০৫/২০১৮ ইং

এ বিযয়ে জনগনের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন দেশের প্রতিটি শহরের ন্যায় বিরামপুরেও মাদকদ্রব্যের সরবরাহ ও ব্যাবহারের মাএা দিন দিন  বেড়েই চলেছে এমন কি তারা পুলিশ প্রশাসনকেও ভয় পাচ্ছেন না, তাদের উপর চড়াও হয়ে তাদের উপর হামলা করছেন এবং দিনের পর দিন মাদকের কেনাবেচা ও সেবন কারির প্রবনতা বেড়েই চলেছে ।  সেই জন্যে দেশের জনস্পদের ভিষন  ক্ষতি হচ্ছে বিধায় সরকার এমন কঠোর হতে বাধ্য হয়েছেন, তাতে করে দেশ ও সমাজের কল্যাণ সাধিত হবে মর্মে এমন ব্যাবস্হা ।
তারা আরও জানান যে,মাদকবিরুদ্ধি অভিযানে যারা ধরা পড়ছেন তারা চুনা পুটি কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন রাঘব বোয়াল মাদকদ্রব্য সরবরাহকারী ও সেবন কারিগন ধরা পড়েন নাই,তাদেরকে অতি তাড়াতাড়ি করে ধরা একান্ত প্রয়োজন বলে দাবি করেন তবেই বিরামপুরে মাদকদ্রব্য সরবরাহ ও সেবন কারি নিধন হবে তারা আশা করেন এমনই হবে ।
উল্লেখ্য, বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছবুরের এর নেতৃত্বে পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছেন ।
এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করতে থাকায় কিছুদিনের মধ্যে তিনি মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের আতংকের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছেন।
বিরামপুর থানায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছবুরের যোগদানের পর হতে মাদক বিরোধী সমন্বিত অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন হাট-বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে সচেতনাতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন । একসময়ের মাদকের স্পটখ্যাত,কাটলা,আয়ড়া,মুকুন্দপুর, বিশু পাড়া,শান্তি মোড়,ঘোড়াঘাট রেলঘুমটি,মির্জাপুর, কলেজ বাজার শিমুলতলি,হাবিবপুর,রেলষ্টেশন বিহারি পাড়া,শাল বাগান,টিকর আরও অনেক জায়গায় মাদক ব্যাবসায়িরা গাঁ ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা যায় । অবিভাবক গন বলেন

উঠতি বয়সের সন্তানদের নিয়ে যে অভিভাবকরা চরম শংকায় ছিলেন, আজ অনেকটাই তারা শংকাহীন। ইতিপূর্বে বিরামপুর শহর থেকে প্রকাশ্যে শত শত নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট অনেকে যাওয়া আসা করতেন। কিন্তু বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছবুেরর সাহসীকতায় সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সমূহের সমন্বয়ে সফলভাবে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে এলাকার মাদক ব্যবসার মূলহোতারা হাতে নাতে ধরা পড়তে থাকায় এখন উল্লেখিত মাদকের স্পটগুলিতে নেই কোন অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা কোলাহল ।
অথচ
যেখানে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির মহোৎসবে মেতে উঠেছিল মাদক ব্যবসায়ীরা, সেখানে এখন তাদের কোন চিহ্ন খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বিরামপুর উপজেলার অর্ন্তরগত সাধারণ মানুষদের মধ্যেও মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতার অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন এলাকাবাসী জনসাধারণ ।

বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছবুরের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীগনকে প্রায় বেশ কিছু আসামীকে আটক করে পর্যায়ক্রমে নিয়মিত মামলা দিয়ে আবার অনেককে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করায় এখন এই এলাকাটি কিছুটা হলেও মাদকদ্রব্য  শূন্যতায় প্রতক্ষ্য করা যায় ।
এ বিযয়ে বিরামপুর উপজেলার ৪নং দিওড়,খাঁনপুর,বিনাইল,কাটলা,জোতবানি,মুকুন্দপুর, ইউনিয়ন ও বিরামপুর পৌরসভার সাধারন জনগনের নিকট জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন,বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন তবেই তো মাদকদ্রব্য সরবরাহ বিক্রয় ক্রয় ও সেবন প্রক্রিয়া অনেকাংশে কমেছে গেছে, এমন অবস্হা বিদ্যমান থাকলে মাদকদ্রব্য আর এ দেশে থাকবেনা । তারা আরও জানান, এই মাদকের ব্যাবহারের সমারোহে জোরালো ভাবে প্রত্যেক জায়গায় ছড়িয়ে যাওয়ার ফলে আমাদের স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাএছািএদের জিবন ধ্বংসের দিগে ধাবিত হতে যাচ্ছিল ও শোভ্য সমাজ নষ্টের পথে এগুচ্ছিল তা থেকে বধায় আমরা রেহায় পাইব বলে প্রতাশা করছি ।