ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

বেগমগঞ্জে ৪২৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, ৩২৫টি জলাশয়ে অবমুক্ত

প্রতিনিধির নাম :

নোয়াখালী প্রতিনিধি:    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে অভিযান চালিয়ে ৪২৫টি কচ্ছপ (কড়ি কাইট্টা) উদ্ধার করেছে বন বিভাগ, যার মধ্যে ৩২৫টি জীবিত ও ১০০টি মৃত কচ্ছপ রয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপকূলীয় বন বিভাগ, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড মন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার লোকনাথ মন্দিরের পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে ওই সময় ঘরের মধ্যে কেউ ছিল না।

উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর সহকারি বন সংরক্ষণ এ কে এম আরিফ উজ জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে একটি চক্র বিভিন্ন স্থান থেকে কচ্ছপগুলো সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে একত্রিত করেছে। আমাদের অভিযানের খবর পেয়ে ওই চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ঘর থেকে জীবিত ও মৃত কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, মৃত কচ্ছপগুলোর মধ্যে কিছু মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রজাতির কয়েকটি কচ্ছপ ঢাকার ল্যাবে নেওয়া হয়েছে। জীবিত কচ্ছপগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। জলজ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আমাদের এই অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

অবমুক্ত করার সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় বন বিভাগ সদরের রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখ মোঃ কামরুজ্জামান, বন্যপ্রাণী ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট ঢাকার পরিদর্শক সাদিক আব্দুল্লাহ, সহ বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১১ বার পঠিত হয়েছে

বেগমগঞ্জে ৪২৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, ৩২৫টি জলাশয়ে অবমুক্ত

আপডেট এর সময় : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নোয়াখালী প্রতিনিধি:    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে অভিযান চালিয়ে ৪২৫টি কচ্ছপ (কড়ি কাইট্টা) উদ্ধার করেছে বন বিভাগ, যার মধ্যে ৩২৫টি জীবিত ও ১০০টি মৃত কচ্ছপ রয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপকূলীয় বন বিভাগ, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড মন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার লোকনাথ মন্দিরের পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে ওই সময় ঘরের মধ্যে কেউ ছিল না।

উপকূলীয় বন বিভাগ নোয়াখালীর সহকারি বন সংরক্ষণ এ কে এম আরিফ উজ জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে একটি চক্র বিভিন্ন স্থান থেকে কচ্ছপগুলো সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে একত্রিত করেছে। আমাদের অভিযানের খবর পেয়ে ওই চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ঘর থেকে জীবিত ও মৃত কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, মৃত কচ্ছপগুলোর মধ্যে কিছু মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রজাতির কয়েকটি কচ্ছপ ঢাকার ল্যাবে নেওয়া হয়েছে। জীবিত কচ্ছপগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। জলজ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আমাদের এই অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

অবমুক্ত করার সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় বন বিভাগ সদরের রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখ মোঃ কামরুজ্জামান, বন্যপ্রাণী ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট ঢাকার পরিদর্শক সাদিক আব্দুল্লাহ, সহ বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।