ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছে পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানায়।

বুধবার (১ মে) দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভারতের ‘ভিত্তিহীন’ দাবি প্রত্যাখ্যান করে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিক্ষোভের আয়োজন করেন বেলুচিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সদস্য সঞ্জয় কুমার। তার নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বিক্ষোভকারীরা কোয়েটা প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন। বিক্ষোভে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি ও ভারতবিরোধী নানা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড।

সমাবেশে বক্তারা ভারতের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রসূত’ ও ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ সময় পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের সম্পৃক্ততার দাবি সরাসরি নাকচ করে দেয়া হয়।

সঞ্জয় কুমার বলেন, পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে একতাবদ্ধ। যদি ভারত আগ্রাসনের চেষ্টা করে, তবে পাকিস্তানের এক কোটি হিন্দু সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়াবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বারবার বলেছি, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করে না। বরং এ ধরনের হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে ভারত।

বক্তৃতায় নারী নেত্রীরা ভারতের পানি চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণাকেও মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চুক্তি লঙ্ঘন করে পানি সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্তও একধরনের আগ্রাসন এবং এটি সরাসরি পাকিস্তানের জনগণের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ।

সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে ভারতের ‘অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ প্রচারণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরও জোরদার করা হবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
৫ বার পঠিত হয়েছে

ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের

আপডেট এর সময় : ০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছে পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানায়।

বুধবার (১ মে) দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভারতের ‘ভিত্তিহীন’ দাবি প্রত্যাখ্যান করে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিক্ষোভের আয়োজন করেন বেলুচিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সদস্য সঞ্জয় কুমার। তার নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বিক্ষোভকারীরা কোয়েটা প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন। বিক্ষোভে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি ও ভারতবিরোধী নানা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড।

সমাবেশে বক্তারা ভারতের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রসূত’ ও ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ সময় পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের সম্পৃক্ততার দাবি সরাসরি নাকচ করে দেয়া হয়।

সঞ্জয় কুমার বলেন, পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে একতাবদ্ধ। যদি ভারত আগ্রাসনের চেষ্টা করে, তবে পাকিস্তানের এক কোটি হিন্দু সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়াবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বারবার বলেছি, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করে না। বরং এ ধরনের হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে ভারত।

বক্তৃতায় নারী নেত্রীরা ভারতের পানি চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণাকেও মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চুক্তি লঙ্ঘন করে পানি সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্তও একধরনের আগ্রাসন এবং এটি সরাসরি পাকিস্তানের জনগণের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ।

সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে ভারতের ‘অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ প্রচারণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরও জোরদার করা হবে।