
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বল্প-খরচের বিমান সংস্থা এয়ারএশিয়া এক্স সোমবার জানিয়েছে, ইরানের ওপর যুদ্ধের প্রভাব কমাতে তারা টিকিটের দাম বাড়াচ্ছে এবং রুট কমাচ্ছে।
তবে কোম্পানিটি জোর দিয়েছে যে ফ্লাইটের চাহিদা এখনও বেশি রয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মালয়েশিয়া-ভিত্তিক এই স্বল্প-খরচের বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের মোট ফ্লাইটের প্রায় ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে।
তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রথম হাব বাহরাইনে পরিকল্পিত পরিষেবা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাইরে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পদক্ষেপ জুনে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
এয়ার এশিয়া এক্স-এর প্রতিষ্ঠাতা টনি ফার্নান্দেজ বলেছেন, দাম বৃদ্ধি ‘অনিবার্য’ এবং সেই সব রুটে ফ্লাইট সংখ্যা কমানো হবে ‘যেখানে আমরা জ্বালানির খরচ মেটাতে পারব বলে মনে করি না।’
গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মার্কিন ও ইসরাইলি হামলায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে অনেক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা জ্বালানি সারচার্জ বাড়িয়েছে।
এর জবাবে তেহরান বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
এয়ার এশিয়া এক্স-এর প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আমান্ডা উ বলেছেন, মালয়েশিয়া-ভিত্তিক এই বিমান সংস্থাটি ২৫টি দেশের ১৫০টিরও বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করে, এমন সব রুটে তাদের কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে, ‘যেখানে আমরা উচ্চ জ্বালানি সারচার্জ পুষিয়ে নিতে পারব।’
ভাড়া বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য এয়ারলাইনটি কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যেমন ব্যাগেজ ফি কমানো।
কোভিড-১৯ মহামারির ফলে মারাত্মক ক্ষতির পর এয়ারএশিয়া ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার করেছে। গত বছর তারা ১ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত (প্রায় ৪৮৬ মিলিয়ন ডলার) লাভ করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ২০২৬ সালের বাকি সময়ের জন্য মুনাফাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, এমন এক প্রশ্নের জবাবে এয়ারএশিয়া এক্স-এর কর্মকর্তারা বলেন, পরিস্থিতি ‘নিয়ন্ত্রণযোগ্য’ রয়েছে, তবে যুদ্ধ কতদিন চলবে তার ওপর এটি নির্ভর করবে।’