ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ Logo বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ Logo ৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো Logo গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য

মানুষের জন্ম চাকরির জন্য নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য: অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষ কারো চাকরি করার জন্য নয়, বরং নিজের উদ্যোগ তৈরি করার জন্য জন্মগ্রহণ করেছে। তিনি রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ভবন-২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষকে তার সক্ষমতার ভিত্তিতে নিজের পথ চিহ্নিত করার সুযোগ দেওয়া উচিত। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোক্তা উদ্ভূত হয়েছে এবং প্রযুক্তির বিকাশের কারণে আরও নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। “প্রযুক্তি আমাদেরকে বিশ্বের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত করেছে। এখন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করার সময় এসেছে,” তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমরা চাই প্রতিটি মানুষ তার নিজস্ব সক্ষমতার আলোকে যেখানে যেতে চায় সেখানে পৌঁছাতে পারুক। পিকেএসএফ নতুন ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনের নতুন যাত্রা শুরু করবে।” তিনি যুব সমাজের উদ্ভাবনী শক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান প্রজন্ম আগের দিনের মতো নয়; তারা অনেক দূর এগিয়েছে, কয়েক লাখ নতুন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী হয়ে উঠেছে।

পিকেএসএফ-এর প্রতিষ্ঠার স্মৃতি তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস জানান, প্রতিষ্ঠানটির জন্ম হয়েছিল বিশ্বব্যাংক থেকে আসা ২০ কোটি টাকার ফান্ডকে কেন্দ্র করে। তিনি বলেন, “ওই ফান্ড না হলে পিকেএসএফ জন্ম পেত না। সেই সময় প্রেসিডেন্ট এরশাদ ফান্ড রাখার জন্য আমাকে সমর্থন করেছিলেন। আমরা লক্ষ্য করেছি, মানুষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে পারলে, ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমের মাধ্যমে মানুষকে সত্যিকারের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করা সম্ভব।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পিকেএসএফ পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানসহ অন্যান্য সরকারি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৪ বার পঠিত হয়েছে

মানুষের জন্ম চাকরির জন্য নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য: অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

আপডেট এর সময় : ০৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষ কারো চাকরি করার জন্য নয়, বরং নিজের উদ্যোগ তৈরি করার জন্য জন্মগ্রহণ করেছে। তিনি রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ভবন-২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষকে তার সক্ষমতার ভিত্তিতে নিজের পথ চিহ্নিত করার সুযোগ দেওয়া উচিত। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোক্তা উদ্ভূত হয়েছে এবং প্রযুক্তির বিকাশের কারণে আরও নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। “প্রযুক্তি আমাদেরকে বিশ্বের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত করেছে। এখন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করার সময় এসেছে,” তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমরা চাই প্রতিটি মানুষ তার নিজস্ব সক্ষমতার আলোকে যেখানে যেতে চায় সেখানে পৌঁছাতে পারুক। পিকেএসএফ নতুন ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনের নতুন যাত্রা শুরু করবে।” তিনি যুব সমাজের উদ্ভাবনী শক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান প্রজন্ম আগের দিনের মতো নয়; তারা অনেক দূর এগিয়েছে, কয়েক লাখ নতুন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী হয়ে উঠেছে।

পিকেএসএফ-এর প্রতিষ্ঠার স্মৃতি তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস জানান, প্রতিষ্ঠানটির জন্ম হয়েছিল বিশ্বব্যাংক থেকে আসা ২০ কোটি টাকার ফান্ডকে কেন্দ্র করে। তিনি বলেন, “ওই ফান্ড না হলে পিকেএসএফ জন্ম পেত না। সেই সময় প্রেসিডেন্ট এরশাদ ফান্ড রাখার জন্য আমাকে সমর্থন করেছিলেন। আমরা লক্ষ্য করেছি, মানুষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে পারলে, ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমের মাধ্যমে মানুষকে সত্যিকারের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করা সম্ভব।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পিকেএসএফ পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানসহ অন্যান্য সরকারি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।