ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার

যা কিছু ঘটেছে দুজনের সম্মতিতেই’

প্রতিনিধির নাম :

ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করলেন এমজে আকবর। আমেরিকা নিবাসী সাংবাদিক পল্লবী গগৈয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে তার দাবি, নব্বইয়ের দশকে ওই সাংবাদিকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তাঁর। আর তাদের মধ্যে যা কিছু হয়েছিল, সবই দু’জনের সম্মতিতে। তাতে সমর্থন জানিয়েছেন তার স্ত্রী মল্লিকা। ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এ প্রকাশিত পল্লবীর সাক্ষাৎকারের প্রেক্ষিতে এমন দাবি করেছেন তাঁরা।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া বিবৃতিতে আকবর জানান, ‘১৯৯৪ সাল নাগাদ পল্লবী গগৈ এবং আমার মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। তাতে দু’জনেরই সম্মতি ছিল। বেশ কয়েকমাস টিকেও ছিল সম্পর্কটি। বিষয়টি সর্বসমক্ষে এসে পড়ায় বাড়িতে তা নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। যার পর সম্পর্ক ভেঙে যায়। তবে সম্পর্কের শেষটা বোধহয় ভাল হয়নি।’

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, সেই সময় তাদের সঙ্গে যারা কাজ করতেন, তাদের অনেকেই সম্পর্কের কথা জানতেন। বিষয়টি নিয়ে সাক্ষ্য দিতে রাজি সকলেই।

এম জে আকবরের স্ত্রী মল্লিকা আকবরও স্বামীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এতদিন মিটু আন্দোলন থেকে দরেই ছিলাম। স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে ওয়াশিংটন পোস্টে পল্লবী গগৈয়ের অভিযোগ দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। সত্যিটা তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে হচ্ছে। আমার স্বামীর সঙ্গে ওঁর সম্পর্কের কথা জানতাম আমি। রাতবিরেতে বাড়িতে ফোন আসত। এমনকি, আমার সামনেও আকবরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেছেন উনি। তুষিতা পটেল এবং পল্লবী গগৈ আমাদের বাড়িতে নৈশভোজেও এসেছেন। একসঙ্গে বসে মদ্যপান করেছেন। তখন নির্যাতনের ছাপ দেখিনি ওদের মুখে। পল্লবীর মিথ্যে বলা কারণ জানি না। তবে ডাহা মিথ্যে বলছেন উনি।’

সম্প্রতি একাধিক মহিলা আকবরের বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে এনেছেন। যার জেরে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। তাতে নয়া সংযোজন ঘটে বুধবার। মার্কিন সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন আমেরিকা নিবাসী সাংবাদিক পল্লবী গগৈ। বর্তমানে আমেরিকার ‘ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও’(এনপিআর)-তে কর্মরত তিনি। সেখানে দু’দশক আগের কথা তুলে ধরে অভিযোগ আনেন ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ নভেম্বর ২০১৮
১২ বার পঠিত হয়েছে

যা কিছু ঘটেছে দুজনের সম্মতিতেই’

আপডেট এর সময় : ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ নভেম্বর ২০১৮

ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করলেন এমজে আকবর। আমেরিকা নিবাসী সাংবাদিক পল্লবী গগৈয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে তার দাবি, নব্বইয়ের দশকে ওই সাংবাদিকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তাঁর। আর তাদের মধ্যে যা কিছু হয়েছিল, সবই দু’জনের সম্মতিতে। তাতে সমর্থন জানিয়েছেন তার স্ত্রী মল্লিকা। ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এ প্রকাশিত পল্লবীর সাক্ষাৎকারের প্রেক্ষিতে এমন দাবি করেছেন তাঁরা।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া বিবৃতিতে আকবর জানান, ‘১৯৯৪ সাল নাগাদ পল্লবী গগৈ এবং আমার মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। তাতে দু’জনেরই সম্মতি ছিল। বেশ কয়েকমাস টিকেও ছিল সম্পর্কটি। বিষয়টি সর্বসমক্ষে এসে পড়ায় বাড়িতে তা নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। যার পর সম্পর্ক ভেঙে যায়। তবে সম্পর্কের শেষটা বোধহয় ভাল হয়নি।’

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, সেই সময় তাদের সঙ্গে যারা কাজ করতেন, তাদের অনেকেই সম্পর্কের কথা জানতেন। বিষয়টি নিয়ে সাক্ষ্য দিতে রাজি সকলেই।

এম জে আকবরের স্ত্রী মল্লিকা আকবরও স্বামীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এতদিন মিটু আন্দোলন থেকে দরেই ছিলাম। স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে ওয়াশিংটন পোস্টে পল্লবী গগৈয়ের অভিযোগ দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। সত্যিটা তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে হচ্ছে। আমার স্বামীর সঙ্গে ওঁর সম্পর্কের কথা জানতাম আমি। রাতবিরেতে বাড়িতে ফোন আসত। এমনকি, আমার সামনেও আকবরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেছেন উনি। তুষিতা পটেল এবং পল্লবী গগৈ আমাদের বাড়িতে নৈশভোজেও এসেছেন। একসঙ্গে বসে মদ্যপান করেছেন। তখন নির্যাতনের ছাপ দেখিনি ওদের মুখে। পল্লবীর মিথ্যে বলা কারণ জানি না। তবে ডাহা মিথ্যে বলছেন উনি।’

সম্প্রতি একাধিক মহিলা আকবরের বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে এনেছেন। যার জেরে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। তাতে নয়া সংযোজন ঘটে বুধবার। মার্কিন সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন আমেরিকা নিবাসী সাংবাদিক পল্লবী গগৈ। বর্তমানে আমেরিকার ‘ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও’(এনপিআর)-তে কর্মরত তিনি। সেখানে দু’দশক আগের কথা তুলে ধরে অভিযোগ আনেন ।