ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা Logo সহিংসতার পর সিরিয়ায় বাস্তুচ্যুত কুর্দিদের নিজ শহরে ফেরার কার্যক্রম স্থগিত Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা Logo দাবানলের ধোঁয়ার কারণে ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে বাংলাদেশে ভিসার প্রযুক্তি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার স্থাপনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ Logo বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী Logo জিসানের ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ এইচপি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা : প্রধানমন্ত্রী

রংপুরে মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে চুইয়া মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

প্রতিনিধির নাম :

এম এ মজিদ : রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানাধীন ইসলামপুর বাইশাপাড়া গ্রামে আজ বিকেলে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় চুইয়া মদসহ এক দম্পতি মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ইসলামপুর বাইশাপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাটুল মিয়া এবং তার স্ত্রী শাহানা আক্তার গোপনে চুইয়া মদ প্রস্তুত ও সরবরাহ করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর থানায় ইতোমধ্যে চারটি মাদক মামলা রয়েছে।

থানার ওসি মহোদয় কর্তৃক প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৭২ পদাতিক ব্রিগেডের অধীনে পীরগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর শেখ রাশশাদ রহমান সেনাবাহিনীর একটি দল অভিযানে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তার নেতৃত্বে ক্যাপ্টেন মো. রাকিবুল ইসলাম এর কমান্ডে ১৬ সদস্যের সেনা টহল দল এবং ৬ সদস্যের পুলিশ সদস্য—যার মধ্যে ২ জন নারী কনস্টেবলও ছিলেন—একটি পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানটি দুপুর দুইটা ঘটিকায় শুরু হয়ে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত শেষ হয়। অভিযানে মোহাম্মদ বাটুল মিয়া ও তার স্ত্রী শাহানা আক্তারকে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়:

দেশীয় চুইয়া মদ: ১৪২.৫ লিটার
তৈরিকৃত মদের বোতল: ৯টি
মোবাইল ফোন: ৩টি
নগদ অর্থ: ১২০০ টাকা
মদ তৈরির পাউডার: ৭৫০ গ্রাম
প্রচুর পরিমাণ মদ প্রস্তুত করার সরঞ্জাম

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদক ও অন্যান্য আলামতসহ আটক দুই আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য মিঠাপুকুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে রংপুর অঞ্চলে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান মাদকের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখছে। স্থানীয় জনগণ এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে জানান, এর ফলে এলাকায় স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরে এসেছে। এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
৩১ বার পঠিত হয়েছে

রংপুরে মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে চুইয়া মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

আপডেট এর সময় : ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

এম এ মজিদ : রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানাধীন ইসলামপুর বাইশাপাড়া গ্রামে আজ বিকেলে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় চুইয়া মদসহ এক দম্পতি মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ইসলামপুর বাইশাপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাটুল মিয়া এবং তার স্ত্রী শাহানা আক্তার গোপনে চুইয়া মদ প্রস্তুত ও সরবরাহ করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর থানায় ইতোমধ্যে চারটি মাদক মামলা রয়েছে।

থানার ওসি মহোদয় কর্তৃক প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৭২ পদাতিক ব্রিগেডের অধীনে পীরগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর শেখ রাশশাদ রহমান সেনাবাহিনীর একটি দল অভিযানে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তার নেতৃত্বে ক্যাপ্টেন মো. রাকিবুল ইসলাম এর কমান্ডে ১৬ সদস্যের সেনা টহল দল এবং ৬ সদস্যের পুলিশ সদস্য—যার মধ্যে ২ জন নারী কনস্টেবলও ছিলেন—একটি পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানটি দুপুর দুইটা ঘটিকায় শুরু হয়ে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত শেষ হয়। অভিযানে মোহাম্মদ বাটুল মিয়া ও তার স্ত্রী শাহানা আক্তারকে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়:

দেশীয় চুইয়া মদ: ১৪২.৫ লিটার
তৈরিকৃত মদের বোতল: ৯টি
মোবাইল ফোন: ৩টি
নগদ অর্থ: ১২০০ টাকা
মদ তৈরির পাউডার: ৭৫০ গ্রাম
প্রচুর পরিমাণ মদ প্রস্তুত করার সরঞ্জাম

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদক ও অন্যান্য আলামতসহ আটক দুই আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য মিঠাপুকুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে রংপুর অঞ্চলে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান মাদকের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখছে। স্থানীয় জনগণ এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে জানান, এর ফলে এলাকায় স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরে এসেছে। এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।