ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

রাশিয়ার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:     উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে রাশিয়ার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।  এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চরম কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  খবর বিবিসি’র।গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় চেষ্টা চালানোর পর অবশেষে বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাহাজটি মার্কিন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আসে।  অভিযানের আগে রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল যে হেলিকপ্টার থেকে কমান্ডো নামিয়ে জাহাজটি দখল করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।  এর আগে মার্কিন কোস্টগার্ড জাহাজটি থামানোর সংকেত দিলেও সেটির ক্রুরা তা অমান্য করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

রাশিয়া এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।  রুশ পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে ১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইন অনুযায়ী উন্মুক্ত সমুদ্রে জাহাজ চলাচলের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে এবং অন্য দেশে নিবন্ধিত কোনো জাহাজের ওপর শক্তি প্রয়োগ করার অধিকার কোনো রাষ্ট্রের নেই।

তবে ওয়াশিংটন তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।  মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘বেলা-১’ নামে পরিচিত এই ট্যাঙ্কারটি মূলত ভেনিজুয়েলার ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল পরিবহন করছিল যা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে প্রতিহত করা হবে।

মার্কিন প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভেট এই অভিযান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিলেও দাবি করেছেন, জাহাজটি ভেনিজুয়েলা, ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে অবৈধভাবে তেল আনা-নেয়া করত।  নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে ভেনিজুয়েলার জলসীমা থেকে বেরিয়ে আসায় জাহাজটির ক্রুদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়ে সেখানে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলেও তিনি জানান।

ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তেলের বাজারের ওপর মার্কিন কঠোর নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে এই অভিযান মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক দ্বন্দ্বকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেল।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
২৬ বার পঠিত হয়েছে

রাশিয়ার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:     উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে রাশিয়ার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।  এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চরম কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  খবর বিবিসি’র।গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় চেষ্টা চালানোর পর অবশেষে বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাহাজটি মার্কিন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আসে।  অভিযানের আগে রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল যে হেলিকপ্টার থেকে কমান্ডো নামিয়ে জাহাজটি দখল করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।  এর আগে মার্কিন কোস্টগার্ড জাহাজটি থামানোর সংকেত দিলেও সেটির ক্রুরা তা অমান্য করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

রাশিয়া এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।  রুশ পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে ১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইন অনুযায়ী উন্মুক্ত সমুদ্রে জাহাজ চলাচলের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে এবং অন্য দেশে নিবন্ধিত কোনো জাহাজের ওপর শক্তি প্রয়োগ করার অধিকার কোনো রাষ্ট্রের নেই।

তবে ওয়াশিংটন তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।  মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘বেলা-১’ নামে পরিচিত এই ট্যাঙ্কারটি মূলত ভেনিজুয়েলার ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল পরিবহন করছিল যা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে প্রতিহত করা হবে।

মার্কিন প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভেট এই অভিযান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিলেও দাবি করেছেন, জাহাজটি ভেনিজুয়েলা, ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে অবৈধভাবে তেল আনা-নেয়া করত।  নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে ভেনিজুয়েলার জলসীমা থেকে বেরিয়ে আসায় জাহাজটির ক্রুদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়ে সেখানে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলেও তিনি জানান।

ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তেলের বাজারের ওপর মার্কিন কঠোর নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে এই অভিযান মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক দ্বন্দ্বকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেল।