ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি

লালমনিরহাটের মামলায় জামিন পেলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক

প্রতিনিধির নাম :

লালমনিরহাটে দায়ের করা মানহানি মামলায় অভিযোগ গঠনের আগ পর্যন্ত জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী।

আজ সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন, আদালতে বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও প্রকাশকের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি করেন তাদের আইনজীবী ড. মমতাজ উদ্দিন মেহেদি।

এর আগে, মামলার বাদী পরপর সাত কার্যদিবস আদালতে উপস্থিত না থাকলেও বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে লালমনিরহাটের একটি আদালত। নিয়ম অনুযায়ী, আদালতে দাখিল করা যে কোনো মামলায় পরপর তিন কার্যদিবস বাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকলেই মামলা খারিজ হয়ে যায়। লালমনিরহাটের ৪ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. আফাজ উদ্দিন ২ জানুয়ারি এই পরোয়ানা জারি করেন।

এরপর দেশে-বিদেশে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ এই গ্রেফতারি পরোয়ানার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন ২০১৪ সালে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক, প্রকাশকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এই মানহানির মামলা করেছিলেন। মামলার অন্য আসামি বাংলাদেশ প্রতিদিনের লালমনিরহাট প্রতিনিধি রেজাউল করিম মানিক।

বাদী আদালতে উপস্থিত না থাকার পরও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার বিষয়ে ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ ও আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আদালতে করা মামলার ক্ষেত্রে কোনো আইনসংগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা ছাড়া যদি বাদী একাধিক ধার্য তারিখে অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে মামলাটি খারিজ হবে। এই বিধানের ব্যত্যয় ঘটিয়ে মামলার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হলে তা হবে আইনের পরিপন্থী। বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিরুদ্ধে করা এই মামলার ক্ষেত্রে বাদী যেহেতু একাধিকবার অনুপস্থিত ছিলেন, সে কারণে মামলাটি খারিজ না করে আইন পরিপন্থীভাবে মামলাটিকে চলমান রাখা হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে না।’

২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পৃষ্ঠায় ‘সাবেকদের আমলনামা : রেশন ডিলার সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহারের শত কোটি টাকা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের জেরে এ মামলাটি করেন মোতাহার হোসেন। প্রতিবেদন প্রকাশের ৪০ দিন পর মামলাটি করা হয়েছিল।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৮
২১ বার পঠিত হয়েছে

লালমনিরহাটের মামলায় জামিন পেলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক

আপডেট এর সময় : ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৮

লালমনিরহাটে দায়ের করা মানহানি মামলায় অভিযোগ গঠনের আগ পর্যন্ত জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী।

আজ সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন, আদালতে বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও প্রকাশকের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি করেন তাদের আইনজীবী ড. মমতাজ উদ্দিন মেহেদি।

এর আগে, মামলার বাদী পরপর সাত কার্যদিবস আদালতে উপস্থিত না থাকলেও বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে লালমনিরহাটের একটি আদালত। নিয়ম অনুযায়ী, আদালতে দাখিল করা যে কোনো মামলায় পরপর তিন কার্যদিবস বাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকলেই মামলা খারিজ হয়ে যায়। লালমনিরহাটের ৪ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. আফাজ উদ্দিন ২ জানুয়ারি এই পরোয়ানা জারি করেন।

এরপর দেশে-বিদেশে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ এই গ্রেফতারি পরোয়ানার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন ২০১৪ সালে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক, প্রকাশকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এই মানহানির মামলা করেছিলেন। মামলার অন্য আসামি বাংলাদেশ প্রতিদিনের লালমনিরহাট প্রতিনিধি রেজাউল করিম মানিক।

বাদী আদালতে উপস্থিত না থাকার পরও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার বিষয়ে ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ ও আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আদালতে করা মামলার ক্ষেত্রে কোনো আইনসংগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা ছাড়া যদি বাদী একাধিক ধার্য তারিখে অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে মামলাটি খারিজ হবে। এই বিধানের ব্যত্যয় ঘটিয়ে মামলার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হলে তা হবে আইনের পরিপন্থী। বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিরুদ্ধে করা এই মামলার ক্ষেত্রে বাদী যেহেতু একাধিকবার অনুপস্থিত ছিলেন, সে কারণে মামলাটি খারিজ না করে আইন পরিপন্থীভাবে মামলাটিকে চলমান রাখা হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে না।’

২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পৃষ্ঠায় ‘সাবেকদের আমলনামা : রেশন ডিলার সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহারের শত কোটি টাকা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের জেরে এ মামলাটি করেন মোতাহার হোসেন। প্রতিবেদন প্রকাশের ৪০ দিন পর মামলাটি করা হয়েছিল।