ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টানা দ্বিতীয় দিনে আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া Logo টাইফুন নউল চীনের দিকে ধেয়ে আসায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Logo ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও

সম্মাননা পেলেন মেসি-শচিন

প্রতিনিধির নাম :

ক্রীড়াবিশ্বে লরিয়াস অ্যাওয়ার্ড কখনোই আলাদা কোনো গুরুত্ব বহন করে না। তবে, এবারের আসরটা অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে ছিল বেশ জাঁকজমকপূর্ণ। সোমবার রাতে বার্লিনে জমজমাট অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন ক্রীড়াবিশ্বের বড়ো সব তারকা।

হাজারো আলোর এই মেলার সবটুকু আলো কেড়েছেন লিওনেল মেসি। তিনি প্রথমবারের মতো লরিয়াসের বিবেচনায় ২০১৯ সালের সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতেছেন। মেসির জন্য এটাও নতুন এক ইতিহাস। কারণ, প্রথমবারের মতো কোনো ফুটবলার এই পুরস্কার জিতলেন। ফুটবল তো দূরের কথা, যে কোনো দলীয় খেলা থেকেই প্রথমবারের মতো কেউ এই পুরস্কার জিতল। বর্ষসেরা ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের পুরস্কারটা অবশ্য একাই বাগিয়ে নিতে পারেননি বার্সেলোনার এই আর্জেন্টাইন তারকা। পুরস্কারটা তিনি পেয়েছেন যৌথভাবে। তার সঙ্গে আছেন ফর্মুলা ওয়ানের লুইস হ্যামিল্টন। এটাও আলাদা করে নতুন এক ইতিহাস। কারণ, এই পুরস্কারের ২০ বছরে ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো দুজন ভিন্ন ক্রীড়াবিদের মাথায় উঠল বিজয়ীর মুকুট।

মেসি অবশ্য সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। তবে, একটা ভিডিও বার্তায় নিজের পুরস্কার জয়ের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন তিনি। ক্ষুদে জাদুকর বলেন, ‘এটা আমার জন্য স্মরণীয় একটা মুহূর্ত। কোনো দলীয় খেলা থেকে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই পুরস্কার পেলাম। আমি গর্বিত।’ মেসি-হ্যামিল্টনদের রাতে ক্রিকেট বিশ্বের হাতেও উঠেছে বিশেষ এক পুরস্কার। আর সেটা এসেছেন স্বয়ং শচীন টেন্ডুলকারের সুবাদে। তিনি গেল বিশ বছরের সেরা ক্রীড়া মুহূর্তের পুরস্কারটা নিজের করে নিয়েছেন।

২০১১ সালে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে ভারত। বিশ্বকাপ জয়ের পর টেন্ডুলকারকে কাঁধে তুলে উদ্যাপন করে ভারতীয় ক্রিকেট দল। সেই স্মৃতি এখনো সমর্থকদের মনে গেঁথে আছে। সেই মুহূর্তটির সুবাদেই পুরস্কারটি জিতেছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহর কাছ থেকে মর্যাদাকর পুরস্কার নেন টেন্ডুলকার। লিটল মাস্টারখ্যাত এই কিংবদন্তি বলেন, ‘এখানে অসংখ্য ক্রীড়াবিদ আছেন, কিংবদন্তি যাদের অনেক কিছু ছিল না। তবু খুঁজে পাওয়া সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছেন তারা। খেলাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তারা। সেই সুবাদে নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। এর মাধ্যমে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন, সামনেও করবেন। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। এ পুরস্কার শুধু আমার নয়, তাদের সবার যারা মাঠের খেলা দিয়ে সবার জন্য আদর্শ স্থাপন করেন।’

বর্ষসেরা নারী ক্রীড়াবিদ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জিমন্যাস্ট সিমোনা বাইলস। আর বছরের বিশ্বসেরা দল নির্বাচিত হয়েছে গেল বছরই রাগবি বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করা দক্ষিণ আফ্রিকা পুরুষ রাগবি দল।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০
১০ বার পঠিত হয়েছে

সম্মাননা পেলেন মেসি-শচিন

আপডেট এর সময় : ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ক্রীড়াবিশ্বে লরিয়াস অ্যাওয়ার্ড কখনোই আলাদা কোনো গুরুত্ব বহন করে না। তবে, এবারের আসরটা অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে ছিল বেশ জাঁকজমকপূর্ণ। সোমবার রাতে বার্লিনে জমজমাট অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন ক্রীড়াবিশ্বের বড়ো সব তারকা।

হাজারো আলোর এই মেলার সবটুকু আলো কেড়েছেন লিওনেল মেসি। তিনি প্রথমবারের মতো লরিয়াসের বিবেচনায় ২০১৯ সালের সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতেছেন। মেসির জন্য এটাও নতুন এক ইতিহাস। কারণ, প্রথমবারের মতো কোনো ফুটবলার এই পুরস্কার জিতলেন। ফুটবল তো দূরের কথা, যে কোনো দলীয় খেলা থেকেই প্রথমবারের মতো কেউ এই পুরস্কার জিতল। বর্ষসেরা ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের পুরস্কারটা অবশ্য একাই বাগিয়ে নিতে পারেননি বার্সেলোনার এই আর্জেন্টাইন তারকা। পুরস্কারটা তিনি পেয়েছেন যৌথভাবে। তার সঙ্গে আছেন ফর্মুলা ওয়ানের লুইস হ্যামিল্টন। এটাও আলাদা করে নতুন এক ইতিহাস। কারণ, এই পুরস্কারের ২০ বছরে ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো দুজন ভিন্ন ক্রীড়াবিদের মাথায় উঠল বিজয়ীর মুকুট।

মেসি অবশ্য সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। তবে, একটা ভিডিও বার্তায় নিজের পুরস্কার জয়ের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন তিনি। ক্ষুদে জাদুকর বলেন, ‘এটা আমার জন্য স্মরণীয় একটা মুহূর্ত। কোনো দলীয় খেলা থেকে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই পুরস্কার পেলাম। আমি গর্বিত।’ মেসি-হ্যামিল্টনদের রাতে ক্রিকেট বিশ্বের হাতেও উঠেছে বিশেষ এক পুরস্কার। আর সেটা এসেছেন স্বয়ং শচীন টেন্ডুলকারের সুবাদে। তিনি গেল বিশ বছরের সেরা ক্রীড়া মুহূর্তের পুরস্কারটা নিজের করে নিয়েছেন।

২০১১ সালে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে ভারত। বিশ্বকাপ জয়ের পর টেন্ডুলকারকে কাঁধে তুলে উদ্যাপন করে ভারতীয় ক্রিকেট দল। সেই স্মৃতি এখনো সমর্থকদের মনে গেঁথে আছে। সেই মুহূর্তটির সুবাদেই পুরস্কারটি জিতেছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহর কাছ থেকে মর্যাদাকর পুরস্কার নেন টেন্ডুলকার। লিটল মাস্টারখ্যাত এই কিংবদন্তি বলেন, ‘এখানে অসংখ্য ক্রীড়াবিদ আছেন, কিংবদন্তি যাদের অনেক কিছু ছিল না। তবু খুঁজে পাওয়া সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছেন তারা। খেলাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তারা। সেই সুবাদে নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। এর মাধ্যমে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন, সামনেও করবেন। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। এ পুরস্কার শুধু আমার নয়, তাদের সবার যারা মাঠের খেলা দিয়ে সবার জন্য আদর্শ স্থাপন করেন।’

বর্ষসেরা নারী ক্রীড়াবিদ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জিমন্যাস্ট সিমোনা বাইলস। আর বছরের বিশ্বসেরা দল নির্বাচিত হয়েছে গেল বছরই রাগবি বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করা দক্ষিণ আফ্রিকা পুরুষ রাগবি দল।