ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo নাগোয়ায় টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন তারেক রহমান Logo বালুরমাঠে এসআরবির অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৪ Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা Logo তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর Logo ইয়েমেনে জ্বালানি ও অক্সিজেন সংকটে হাসপাতাল, ঝুঁকিতে রোগীরা

সর্দিতে বন্ধ নাক, ঘরোয়া উপায়ে যেভাবে খুলবেন

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    ঋতু পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা-সর্দি লাগা স্বাভাবিক ঘটনা। আবার ধুলাবালিতে যাদের অ্যালার্জি, তাদের হুটহাট সর্দি লেগেই থাকে। তাই বলা যায় ঋতু পরিবর্তনে এটি নিত্য ঘটনা। সুতরাং ঠান্ডা-সর্দি বা অ্যালার্জির কারণে যাদের নাক বন্ধ হয়ে আসে, তাদের অনেকেই নেজাল ড্রপ ব্যবহার করে থাকেন। এতে তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান হলেও দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে শরীরে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই হঠাৎ নাক বন্ধ হয়ে গেলে ঘরোয়া সমাধান অনুসরণ করলে মুসকিল আসান হয়।

এ ছাড়া ঘণ্টা দুই পরপর আদা চা পান করুন। কারণ আদায় থাকা অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। উষ্ণ আদা চা পানে গলার খুশখুশে ভাব কমে যায়। সেই সঙ্গে নাকের ফোলাভাব কমিয়ে দেয়। আর নিয়মিত আদা চা পানে ঠান্ডা ও বন্ধ নাক দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে।

আবার ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খেলেও আরোগ্য লাভ করে। এই যেমন— কমলালেবু, কিউই, স্ট্রবেরিসহ আরও অনেক খাবার বন্ধ নাক সৃষ্টিকারী সংক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। আপনি নিয়মিত এ ধরনের খাবার গ্রহণ করলে ঠান্ডা ও নাকের বন্ধভাব কমে আসবে।

যদি এতেও সমস্যার সমাধান পাওয়া না যায়, তবে গরম পানির সঙ্গে মধু ও লেবু মিশ্রণ করে পান করুন। এটি একটি সতেজ পানীয়, যা শরীরকে আর্দ্র রাখে । এটি গলার জ্বালা বন্ধ করে এবং শ্লেষ্মা তরল করতে সাহায্য করে। মধুতে থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য, লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে নাক বন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

এ ছাড়া গরম দুধে হলুদ খেতে পারেন। কারণ হলুদে থাকা কারকুমিন একটি শক্তিশালী জ্বালারোধী উপাদান। গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে পান করলে শরীরের প্রদাহ কমে। এতে সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়। এই মিশ্রণ নাকের বন্ধভাব দূর করে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
৫০ বার পঠিত হয়েছে

সর্দিতে বন্ধ নাক, ঘরোয়া উপায়ে যেভাবে খুলবেন

আপডেট এর সময় : ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:    ঋতু পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা-সর্দি লাগা স্বাভাবিক ঘটনা। আবার ধুলাবালিতে যাদের অ্যালার্জি, তাদের হুটহাট সর্দি লেগেই থাকে। তাই বলা যায় ঋতু পরিবর্তনে এটি নিত্য ঘটনা। সুতরাং ঠান্ডা-সর্দি বা অ্যালার্জির কারণে যাদের নাক বন্ধ হয়ে আসে, তাদের অনেকেই নেজাল ড্রপ ব্যবহার করে থাকেন। এতে তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান হলেও দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে শরীরে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই হঠাৎ নাক বন্ধ হয়ে গেলে ঘরোয়া সমাধান অনুসরণ করলে মুসকিল আসান হয়।

এ ছাড়া ঘণ্টা দুই পরপর আদা চা পান করুন। কারণ আদায় থাকা অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। উষ্ণ আদা চা পানে গলার খুশখুশে ভাব কমে যায়। সেই সঙ্গে নাকের ফোলাভাব কমিয়ে দেয়। আর নিয়মিত আদা চা পানে ঠান্ডা ও বন্ধ নাক দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে।

আবার ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খেলেও আরোগ্য লাভ করে। এই যেমন— কমলালেবু, কিউই, স্ট্রবেরিসহ আরও অনেক খাবার বন্ধ নাক সৃষ্টিকারী সংক্রমণগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। আপনি নিয়মিত এ ধরনের খাবার গ্রহণ করলে ঠান্ডা ও নাকের বন্ধভাব কমে আসবে।

যদি এতেও সমস্যার সমাধান পাওয়া না যায়, তবে গরম পানির সঙ্গে মধু ও লেবু মিশ্রণ করে পান করুন। এটি একটি সতেজ পানীয়, যা শরীরকে আর্দ্র রাখে । এটি গলার জ্বালা বন্ধ করে এবং শ্লেষ্মা তরল করতে সাহায্য করে। মধুতে থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য, লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে নাক বন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

এ ছাড়া গরম দুধে হলুদ খেতে পারেন। কারণ হলুদে থাকা কারকুমিন একটি শক্তিশালী জ্বালারোধী উপাদান। গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে পান করলে শরীরের প্রদাহ কমে। এতে সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়। এই মিশ্রণ নাকের বন্ধভাব দূর করে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।