ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

সামরিক সক্ষমতায় কে এগিয়ে ভারত না পাকিস্তানের !

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পাকিস্তানের ব্যালিস্টিক মিসাইল মহড়ার পর থেকেই আলোচনায় পাক-ভারত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। দুই দেশেরই সমরভাণ্ডারে রয়েছে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বিভিন্ন পাল্লার মিসাইল। এরমধ্যে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রীতিমতো তাক লাগানোর মতো।

সর্বোচ্চ ১৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার মিসাইল রয়েছে দেশটির সমরভাণ্ডারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতকে টার্গেট করেই।

পরমাণু কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে জোর দেয় পাকিস্তান। সময়ের সাথে সাথে উন্নতি ঘটানো হয় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রে। বর্তমানে আবদালি, নাসর, ঘোরি এবং গজনবির মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার বিভিন্ন ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে পাকিস্তানের সমরভাণ্ডারে। যেগুলো সর্বোচ্চ ৫০ কিলোটন অস্ত্র নিয়ে আঘাত হানতে পারে ২ হাজার ৭শ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে।

পরমাণু অস্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত অস্ত্র বহনেও সক্ষম বিভিন্ন ধরণের ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করেছে দেশটি। রয়েছে জার্ব, আবাবিল, তৈমুর এবং বাবুরের মতো মিসাইল। যেগুলো জাহাজ, ট্যাংক এবং সাবমেরিন ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।

ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে ভারতের সক্ষমতাও তাক লাগানোর মতো। পাকিস্তান-চীনের মতো শক্রু মোকাবেলায় বহুমুখি ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প হাতে নেয় দিল্লি। দেশটির সমরভান্ডারে রয়েছে অগ্নির মতো পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ১৬ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

এছাড়াও পৃথ্বি, সূর্য, কালামের মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ব্যলিস্টিক মিসাইল রয়েছে ভারতের। পাশাপাশি ব্রহ্ম এবং নির্ভয়ের মতো ক্রুজ মিসাইল রয়েছে দেশটির কাছে। যেগুলো পরমাণু এবং প্রচলিত দুই ধরণের অস্ত্র বহনেই সক্ষম।

অন্যদিকে নাগ, অমোঘ, রুদ্র, অস্ত্র, ত্রিশূলের মতো ট্যাংক, জাহাজ এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের কাছে। যেগুলো, আকাশ, ভূমি এবং জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

তবে ভারতের সামরিক সক্ষমতাকে সবদিক থেকে এগিয়ে রেখেছে এর স্যাটেলাইট বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। চীন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত চতুর্থ দেশ যার সমরভাণ্ডারে রয়েছে স্যাটেলাইট বিধ্বংসী মিসাইল।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
১ বার পঠিত হয়েছে

সামরিক সক্ষমতায় কে এগিয়ে ভারত না পাকিস্তানের !

আপডেট এর সময় : ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পাকিস্তানের ব্যালিস্টিক মিসাইল মহড়ার পর থেকেই আলোচনায় পাক-ভারত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। দুই দেশেরই সমরভাণ্ডারে রয়েছে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বিভিন্ন পাল্লার মিসাইল। এরমধ্যে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রীতিমতো তাক লাগানোর মতো।

সর্বোচ্চ ১৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার মিসাইল রয়েছে দেশটির সমরভাণ্ডারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতকে টার্গেট করেই।

পরমাণু কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে জোর দেয় পাকিস্তান। সময়ের সাথে সাথে উন্নতি ঘটানো হয় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রে। বর্তমানে আবদালি, নাসর, ঘোরি এবং গজনবির মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার বিভিন্ন ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে পাকিস্তানের সমরভাণ্ডারে। যেগুলো সর্বোচ্চ ৫০ কিলোটন অস্ত্র নিয়ে আঘাত হানতে পারে ২ হাজার ৭শ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে।

পরমাণু অস্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত অস্ত্র বহনেও সক্ষম বিভিন্ন ধরণের ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করেছে দেশটি। রয়েছে জার্ব, আবাবিল, তৈমুর এবং বাবুরের মতো মিসাইল। যেগুলো জাহাজ, ট্যাংক এবং সাবমেরিন ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।

ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে ভারতের সক্ষমতাও তাক লাগানোর মতো। পাকিস্তান-চীনের মতো শক্রু মোকাবেলায় বহুমুখি ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প হাতে নেয় দিল্লি। দেশটির সমরভান্ডারে রয়েছে অগ্নির মতো পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ১৬ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

এছাড়াও পৃথ্বি, সূর্য, কালামের মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ব্যলিস্টিক মিসাইল রয়েছে ভারতের। পাশাপাশি ব্রহ্ম এবং নির্ভয়ের মতো ক্রুজ মিসাইল রয়েছে দেশটির কাছে। যেগুলো পরমাণু এবং প্রচলিত দুই ধরণের অস্ত্র বহনেই সক্ষম।

অন্যদিকে নাগ, অমোঘ, রুদ্র, অস্ত্র, ত্রিশূলের মতো ট্যাংক, জাহাজ এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের কাছে। যেগুলো, আকাশ, ভূমি এবং জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

তবে ভারতের সামরিক সক্ষমতাকে সবদিক থেকে এগিয়ে রেখেছে এর স্যাটেলাইট বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। চীন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত চতুর্থ দেশ যার সমরভাণ্ডারে রয়েছে স্যাটেলাইট বিধ্বংসী মিসাইল।