ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ Logo ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড় Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ

সিডরের ১০ বছর ॥ আজও শুকায়নি ক্ষত অবশেষে নির্মিত হচ্ছে ভান্ডারিয়ায় বেড়িবাঁধ

প্রতিনিধির নাম :

 

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি ঃআজ ১৫ নভেম্বর সেই প্রলয়ংকারী সিডর দিবস । ২০০৭ সালে ১৫ নভেম্বর রাত ১১টার সময় ২শ ৪০ কি.মি বেগে এক মহা দানবীয় তান্ডব লীলার আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকুলীয় এলাকা। ক্ষতিগ্রস্থ এসব এলাকার একটি জনপদের নাম ভান্ডারিয়া। সেই ভয়াল রাতে ঝড় এবং জলোচ্ছাসে ভান্ডারিয়া উপজেলার অসংখ্য মানুষের হাজার হাজার ঘর বাড়ি, গাছপালা বিধ্বস্থ হয়। মারা যায় ১শ ১৭ মানুষসহ কয়েক হাজার গবাদি পশু। তখন উপকুলীয় অঞ্চলের হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। সিডরের দীর্ঘ ১০ বছর অতিবাহিত হলেও সিডরের ক্ষত আজও শুকায়নি। সিডরে বিধ্বস্ত পোনা ও কঁচা নদী তীরবর্তী বেড়ীবাধ ১০ বছরেও নির্মিত হয়নি। অবশেষে পানি উন্নয়ন বোর্ড চলতি বছর প্রায় সাড়ে পাঁচশ কোটি টাকা ব্যয়ে এ বেড়ীবাধ নির্মানের উদ্যোগ নেয় এবং একটি চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে নির্মান কাজ শুরু করেছেন। এ বাধ নির্মানের ফলে কৃষক, শ্রমিক দিন মজুরসহ সাধারণ মানুষের মূখে হাসি ফোটতে শুরু করেছে। সিডরের পর থেকে বেড়ীবাঁধ না থাকায় উপকুলীয় এলাকার মানুষ চরম দূঃখ দূর্দশার মধ্য দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করত। এদিকে সিডরে সর্বশ্ব হারিয়ে ব্যবসায়ী, কৃষক শ্রমিকসহ এলাকার হাজারো মানুষ ঘুরে দাড়াতে ঋন গ্রস্থ হয়ে পড়েছে। এনজিও গুলো থেকে চড়া সুদে ঋন নিয়ে গৃহ নির্মান, গবাদী পশু, হাস মুরগী ক্রয় করে বর্তমানে ঋনের বোঝায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ এসব মানুষগুলো। এদিকে সিডরে বিধ্বস্ত বৈদ্যুতিক লাইন আজও শতভাগ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি জোড়াতালি দেয়া এসব লাইন। একটু ঝড় বৃষ্টি হলেই বিকল হয়ে পড়ে এসব লাইন।
সিডরের দশ বছর পেরিয়ে গেলেও ভান্ডারিয়ার মানুষ সিডরের ভয়াবহতার স্মৃতির কথা কখনোই ভুলতে পারবেনা।

 

 

 

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭
১৩ বার পঠিত হয়েছে

সিডরের ১০ বছর ॥ আজও শুকায়নি ক্ষত অবশেষে নির্মিত হচ্ছে ভান্ডারিয়ায় বেড়িবাঁধ

আপডেট এর সময় : ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

 

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি ঃআজ ১৫ নভেম্বর সেই প্রলয়ংকারী সিডর দিবস । ২০০৭ সালে ১৫ নভেম্বর রাত ১১টার সময় ২শ ৪০ কি.মি বেগে এক মহা দানবীয় তান্ডব লীলার আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকুলীয় এলাকা। ক্ষতিগ্রস্থ এসব এলাকার একটি জনপদের নাম ভান্ডারিয়া। সেই ভয়াল রাতে ঝড় এবং জলোচ্ছাসে ভান্ডারিয়া উপজেলার অসংখ্য মানুষের হাজার হাজার ঘর বাড়ি, গাছপালা বিধ্বস্থ হয়। মারা যায় ১শ ১৭ মানুষসহ কয়েক হাজার গবাদি পশু। তখন উপকুলীয় অঞ্চলের হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। সিডরের দীর্ঘ ১০ বছর অতিবাহিত হলেও সিডরের ক্ষত আজও শুকায়নি। সিডরে বিধ্বস্ত পোনা ও কঁচা নদী তীরবর্তী বেড়ীবাধ ১০ বছরেও নির্মিত হয়নি। অবশেষে পানি উন্নয়ন বোর্ড চলতি বছর প্রায় সাড়ে পাঁচশ কোটি টাকা ব্যয়ে এ বেড়ীবাধ নির্মানের উদ্যোগ নেয় এবং একটি চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে নির্মান কাজ শুরু করেছেন। এ বাধ নির্মানের ফলে কৃষক, শ্রমিক দিন মজুরসহ সাধারণ মানুষের মূখে হাসি ফোটতে শুরু করেছে। সিডরের পর থেকে বেড়ীবাঁধ না থাকায় উপকুলীয় এলাকার মানুষ চরম দূঃখ দূর্দশার মধ্য দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করত। এদিকে সিডরে সর্বশ্ব হারিয়ে ব্যবসায়ী, কৃষক শ্রমিকসহ এলাকার হাজারো মানুষ ঘুরে দাড়াতে ঋন গ্রস্থ হয়ে পড়েছে। এনজিও গুলো থেকে চড়া সুদে ঋন নিয়ে গৃহ নির্মান, গবাদী পশু, হাস মুরগী ক্রয় করে বর্তমানে ঋনের বোঝায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ এসব মানুষগুলো। এদিকে সিডরে বিধ্বস্ত বৈদ্যুতিক লাইন আজও শতভাগ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি জোড়াতালি দেয়া এসব লাইন। একটু ঝড় বৃষ্টি হলেই বিকল হয়ে পড়ে এসব লাইন।
সিডরের দশ বছর পেরিয়ে গেলেও ভান্ডারিয়ার মানুষ সিডরের ভয়াবহতার স্মৃতির কথা কখনোই ভুলতে পারবেনা।