ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা Logo চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে ১০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা Logo সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের Logo আগামী এক বছরে ২০ লাখ মামলা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে: আইনমন্ত্রী Logo মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের উত্তেজনায় এক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তেলের দাম

সীমান্ত সংঘর্ষে ২৩ পাক সেনা ও ২০০ তালেবান যোদ্ধা নিহত

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০০ জনেরও বেশি তালেবান ও তাদের মিত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।  এছাড়া এই অভিযানে ২৩ জন পাক সেনাও নিহত হয়েছেন।  খবর সামাটিভির। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শত্রুপক্ষের এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়া। তবে পাকিস্তানি বাহিনী ‘সময়োপযোগী ও দৃঢ় পদক্ষেপ’ নিয়ে হামলাটি প্রতিহত করেছে এবং তাদের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সীমান্তপারের লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল একাধিক তালেবান পোস্ট, ক্যাম্প ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র।  এসব অভিযানে আফগানিস্তানের ভেতরে থাকা ২১টি ঘাঁটি দখল করে ধ্বংস করা হয়েছে।  এতে  ২০০ জনের বেশি তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছেন।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে, তালেবান যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ২৩ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন আরও ২৯ জন। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, চলমান অভিযানের সময় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আফগান ভূখণ্ডে অবস্থিত সব সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি, তালেবান সরকারকে সতর্ক করে বলা হয়, যদি তারা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো নির্মূল না করে, তবে পাকিস্তান আরও বেশি পালটা হামলা চালাবে। আইএসপিআর দাবি করেছে, এই হামলা ‘তালেবান সরকার ও ভারতের যোগসাজশে চালানো হয়েছে’।

মুখপাত্র বলেন, ‘এই উসকানিমূলক ও আঞ্চলিক শান্তির জন্য হুমকিস্বরূ  হামলা যখন হয় তখন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের সফরে ছিলেন।’পাকিস্তান সরকার কাবুলের কাছে দাবি জানিয়েছে, তারা যেন অবিলম্বে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কগুলোকে আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়া বন্ধ করে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তান এই অঞ্চলে শান্তি চায়, কিন্তু সন্ত্রাসবাদ কোনোভাবেই সহ্য করবে না।’

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
৯ বার পঠিত হয়েছে

সীমান্ত সংঘর্ষে ২৩ পাক সেনা ও ২০০ তালেবান যোদ্ধা নিহত

আপডেট এর সময় : ০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০০ জনেরও বেশি তালেবান ও তাদের মিত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।  এছাড়া এই অভিযানে ২৩ জন পাক সেনাও নিহত হয়েছেন।  খবর সামাটিভির। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শত্রুপক্ষের এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়া। তবে পাকিস্তানি বাহিনী ‘সময়োপযোগী ও দৃঢ় পদক্ষেপ’ নিয়ে হামলাটি প্রতিহত করেছে এবং তাদের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সীমান্তপারের লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল একাধিক তালেবান পোস্ট, ক্যাম্প ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র।  এসব অভিযানে আফগানিস্তানের ভেতরে থাকা ২১টি ঘাঁটি দখল করে ধ্বংস করা হয়েছে।  এতে  ২০০ জনের বেশি তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছেন।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে, তালেবান যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ২৩ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন আরও ২৯ জন। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, চলমান অভিযানের সময় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আফগান ভূখণ্ডে অবস্থিত সব সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি, তালেবান সরকারকে সতর্ক করে বলা হয়, যদি তারা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো নির্মূল না করে, তবে পাকিস্তান আরও বেশি পালটা হামলা চালাবে। আইএসপিআর দাবি করেছে, এই হামলা ‘তালেবান সরকার ও ভারতের যোগসাজশে চালানো হয়েছে’।

মুখপাত্র বলেন, ‘এই উসকানিমূলক ও আঞ্চলিক শান্তির জন্য হুমকিস্বরূ  হামলা যখন হয় তখন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের সফরে ছিলেন।’পাকিস্তান সরকার কাবুলের কাছে দাবি জানিয়েছে, তারা যেন অবিলম্বে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কগুলোকে আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়া বন্ধ করে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তান এই অঞ্চলে শান্তি চায়, কিন্তু সন্ত্রাসবাদ কোনোভাবেই সহ্য করবে না।’