ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

হোটেল কক্ষ থেকে নারী পুলিশসহ এমপিপুত্র আটকের ঘটনায় তোলপাড়!

প্রতিনিধির নাম :

যশোরে হোটেল কক্ষ থেকে নারী পুলিশসহ এমপিপুত্র আটকের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে সামাজিক গণমাধ্যমে। এ বিষয়ে নানা মন্তব্য এসেছে। অনেকে ফেসবুকে এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি করেছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, চাকরি প্রাপ্তি, বদলি, প্রমোশন অর্থ ইত্যাদির মোহে অনেকেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে নিজেকে বিকিয়ে দেয়। বিধিবাম বা অদৃষ্টের কারণে কিছুকিছু ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।

গতকাল যশোরের মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এ ঘটনা। সূত্র জানায়, বেলা আড়াইটার দিকে যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) শহরের হাটখোলা রোডে হোটেল সিটি প্লাজায় অভিযান চালান। তিনি হোটেলের ৫১৪ নম্বর কক্ষ থেকে শুভ ও শাহানা (প্রকৃত নাম নয়) নামে দুই যুবক-যুবতীকে আটক করেন। শুভ যশোর-৫ আসনের (মনিরামপুর) সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্যের ছেলে। আর শাহানা যশোরের একটি থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুরোপুরি স্বীকার বা অস্বীকারও করা হয়নি। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। হোটেল সিটি প্লাজার জেনারেল ম্যানেজার শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী হোটেল কক্ষে নারী থাকার বিষয়টি কোতোয়ালি থানায় অবহিত করা হলে কিছুক্ষণ পর থানার অফিসার শামসুদ্দোহা কক্ষটি থেকে শুভ ও সাহানাকে আটক করে নিয়ে যান।

তবে ইন্সপেক্টর শামসুদ্দোহা বলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানার ওসির কাছে জানতে চাওয়া হলে ওই নামে তার থানায় একজন এএসআই কর্মরত আছেন বলে স্বীকার করেন।

ওসি জানান, ওই এএসআই সিসি নিয়ে যশোর গেছেন। সেখানে কিছু ঘটেছে কিনা তা তিনি জানেন না।

এ ব্যাপারে জানতে মনিরামপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্যের ছেলে শুভর মুঠোফোনে সন্ধ্যা ৭টায় ফোন করা হলে মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে শুভর মা যশোর মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তন্দ্রা ভট্টাচার্যকে ফোন করলে তিনি বলেন, এসব কথার কোনো ভিত্তি নেই। শুভ তো বাসায় রয়েছে। কিছু মানুষ রটনা পছন্দ করে, তাই এসব কথা রটাচ্ছে।

এ ব্যাপরে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহউদ্দিন শিকদার সাংবাদিকদের বলেন, একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তা অফিস অর্ডার ছাড়া সিটি প্লাজায় গিয়েছিলেন। কী কারণে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন, তা দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

কিন্তু এমপিপুত্রকে আটক করা হয়েছে এমন কোনো খবর পুলিশের কাছে নেই বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮
১৫ বার পঠিত হয়েছে

হোটেল কক্ষ থেকে নারী পুলিশসহ এমপিপুত্র আটকের ঘটনায় তোলপাড়!

আপডেট এর সময় : ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

যশোরে হোটেল কক্ষ থেকে নারী পুলিশসহ এমপিপুত্র আটকের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে সামাজিক গণমাধ্যমে। এ বিষয়ে নানা মন্তব্য এসেছে। অনেকে ফেসবুকে এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি করেছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, চাকরি প্রাপ্তি, বদলি, প্রমোশন অর্থ ইত্যাদির মোহে অনেকেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে নিজেকে বিকিয়ে দেয়। বিধিবাম বা অদৃষ্টের কারণে কিছুকিছু ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।

গতকাল যশোরের মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এ ঘটনা। সূত্র জানায়, বেলা আড়াইটার দিকে যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) শহরের হাটখোলা রোডে হোটেল সিটি প্লাজায় অভিযান চালান। তিনি হোটেলের ৫১৪ নম্বর কক্ষ থেকে শুভ ও শাহানা (প্রকৃত নাম নয়) নামে দুই যুবক-যুবতীকে আটক করেন। শুভ যশোর-৫ আসনের (মনিরামপুর) সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্যের ছেলে। আর শাহানা যশোরের একটি থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুরোপুরি স্বীকার বা অস্বীকারও করা হয়নি। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। হোটেল সিটি প্লাজার জেনারেল ম্যানেজার শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী হোটেল কক্ষে নারী থাকার বিষয়টি কোতোয়ালি থানায় অবহিত করা হলে কিছুক্ষণ পর থানার অফিসার শামসুদ্দোহা কক্ষটি থেকে শুভ ও সাহানাকে আটক করে নিয়ে যান।

তবে ইন্সপেক্টর শামসুদ্দোহা বলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানার ওসির কাছে জানতে চাওয়া হলে ওই নামে তার থানায় একজন এএসআই কর্মরত আছেন বলে স্বীকার করেন।

ওসি জানান, ওই এএসআই সিসি নিয়ে যশোর গেছেন। সেখানে কিছু ঘটেছে কিনা তা তিনি জানেন না।

এ ব্যাপারে জানতে মনিরামপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্যের ছেলে শুভর মুঠোফোনে সন্ধ্যা ৭টায় ফোন করা হলে মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে শুভর মা যশোর মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তন্দ্রা ভট্টাচার্যকে ফোন করলে তিনি বলেন, এসব কথার কোনো ভিত্তি নেই। শুভ তো বাসায় রয়েছে। কিছু মানুষ রটনা পছন্দ করে, তাই এসব কথা রটাচ্ছে।

এ ব্যাপরে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহউদ্দিন শিকদার সাংবাদিকদের বলেন, একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তা অফিস অর্ডার ছাড়া সিটি প্লাজায় গিয়েছিলেন। কী কারণে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন, তা দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

কিন্তু এমপিপুত্রকে আটক করা হয়েছে এমন কোনো খবর পুলিশের কাছে নেই বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।