ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

৩৩ বছরে রাষ্ট্রপতি কতজনের কারাদণ্ড মওকুফ, দণ্ড স্থগিত বা কমিয়েছেন, তার তালিকা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

প্রতিনিধির নাম :

নিউজ ডেস্ক:  ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত এই ৩৩ বছর সাত মাসে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজনের কারাদণ্ড মওকুফ, দণ্ড স্থগিত বা কমিয়েছেন, তার তালিকা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২১ এপ্রিল) বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

এর আগে, গত ৩৩ বছরে দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতিরা কতজনের দণ্ড মওকুফ করেছেন, তা জানতে চেয়ে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক।

নোটিশে বলা হয়, ১৯৯১ সাল থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজন দণ্ড পাওয়া আসামির কারাদণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছেন, সেই তালিকা ১৫ দিনের মধ্যে দেয়ার অনুরোধ করেন।

নোটিশে আরও বলা হয়– রাষ্ট্রপতি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায়, কাদের সুপারিশ বা তদবিরে দাগী, ঘৃণীত, কুখ্যাত সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন, তা জানার অধিকার আছে। কয়েক বছর ধরে রাষ্ট্রপতি বহু অপরাধী, হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবনদণ্ড পাওয়া অপরাধীরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার মাফিয়া ডন হিসেবে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

তবে সেই নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

রিটে বলা হয়– বিভিন্ন দেশে দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত, ভুল বিচারের শিকার ও বিখ্যাত ব্যক্তি; এই তিন ধরনের আসামিকে ক্ষমা করা হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি এই তিন ধরনের ব্যক্তির বাইরেও ৪৯ অনুচ্ছেদ বিবেচনায় রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন ব্যক্তিদের ক্ষমা করে থাকেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
৫ বার পঠিত হয়েছে

৩৩ বছরে রাষ্ট্রপতি কতজনের কারাদণ্ড মওকুফ, দণ্ড স্থগিত বা কমিয়েছেন, তার তালিকা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

আপডেট এর সময় : ০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:  ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত এই ৩৩ বছর সাত মাসে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজনের কারাদণ্ড মওকুফ, দণ্ড স্থগিত বা কমিয়েছেন, তার তালিকা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২১ এপ্রিল) বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

এর আগে, গত ৩৩ বছরে দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতিরা কতজনের দণ্ড মওকুফ করেছেন, তা জানতে চেয়ে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক।

নোটিশে বলা হয়, ১৯৯১ সাল থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজন দণ্ড পাওয়া আসামির কারাদণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছেন, সেই তালিকা ১৫ দিনের মধ্যে দেয়ার অনুরোধ করেন।

নোটিশে আরও বলা হয়– রাষ্ট্রপতি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায়, কাদের সুপারিশ বা তদবিরে দাগী, ঘৃণীত, কুখ্যাত সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন, তা জানার অধিকার আছে। কয়েক বছর ধরে রাষ্ট্রপতি বহু অপরাধী, হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবনদণ্ড পাওয়া অপরাধীরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার মাফিয়া ডন হিসেবে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

তবে সেই নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

রিটে বলা হয়– বিভিন্ন দেশে দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত, ভুল বিচারের শিকার ও বিখ্যাত ব্যক্তি; এই তিন ধরনের আসামিকে ক্ষমা করা হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি এই তিন ধরনের ব্যক্তির বাইরেও ৪৯ অনুচ্ছেদ বিবেচনায় রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন ব্যক্তিদের ক্ষমা করে থাকেন।