1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সম্ভাবনা নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন ভোটের সততা নষ্ট হওয়ার বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে না : নোয়াখালীতে ইসি সানাউল্লাহ ওমানে শিগগিরই খুলছে বাংলাদেশি কর্মীদের শ্রমবাজার রাঙ্গামাটিতে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধরত সেনাদের পরিদর্শনে রাশিয়ার সেনা প্রধান নেত্রকোনায় ফলিত পুষ্টি বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সুপার সিক্স শুরু করবে বাংলাদেশ বন্ড বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে আরও শক্তিশালী আইন প্রয়োগের আহ্বান গভর্নরের নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষ ভূমিকার নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

৪ বছরের সন্তানকে নিতে চান না মা-বাবা, বিস্মিত আদালত

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৯

প্রত্যেক সন্তানের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল তার মা-বাবা। কিন্তু চার বছরের ছোট্ট শিশু মাসান আরদিতের আপন কে? বাবা, নাকি মা? বিয়ে বিচ্ছেদের চরম নির্মমতার শিকার এই শিশুর দায়িত্ব তার মা-বাবা কেউই নিতে চান না। মাসান আরদিতের মা-বাবার এমন আচারণে বিস্মিত আদালত। বিষয়টি নিয়ে পরস্পরকে দুষছেন দুই পক্ষের আইনজীবীও।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে মাসান আরদিতের মা-বাবা জানিয়েছেন, মাসানকে তারা রাখতে চান না। বিয়ে বিচ্ছেদের পর বাবা উঠেছেন একটি মেসে। সেখানে শিশুটিকে রাখার পরিবেশ নেই। আর সন্তানের খরচ চালানোর অক্ষমতার কথা বলছেন মা।

এমন ঘটনায় আদালতে উপস্থিত থাকা সবাই অবাক হন। এ সময় আদালত প্রশ্ন করেন, বাবা-মা না দেখলে ছোট্ট শিশুটির দায়িত্ব নেবে কে?

মাসানের মা সানজিদা শারমিন বলেন, ‘বাচ্চার বাবা তার কোনোই খোঁজ নেই না। একবারও দেখতে আসে না। ভরণ-পোষণও দিচ্ছে না। তাহলে বাচ্চাটাকে আমি কীভাবে রাখব?

তবে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি শিশুর বাবা মাহফুজ ইসলাম। দুপক্ষের আইনজীবীরাও একে অপরের ওপর দোষ চাপান।

মাসানের বাবার আইনজীবী ইকবাল আহাম্মেদ খান বলেন, ‘বাচ্চা নাবালক হলে ৭ বছর বয়স পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তার মায়ের কাছেই থাকবে।’

অপরদিকে মাসানের মায়ের আইনজীবী আকলিমা ইসলাম বলেন, ‘বাচ্চা মা রাখতে পারবে। কিন্তু বাচ্চার খরচ অবশ্যই বাবাকে দিতে হবে। না দিলে ভিন্নপথ অবলম্বন করতে হবে আমাদের।’

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী ফাওজিয়া কর্মী ফিরোজ বলেন, ‘বিচ্ছেদের মামলা বিষাক্ত করে তুলছে এমন শিশুদের জীবন।’ তিনি আদালতে বলেন, ‘আমাদের আদালত নারী ও শিশুবান্ধব নয়। আদালত দেখতে চান বলে অনেকেই ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে আসেন। কিন্তু সেখানে বাচ্চা নিয়ে ঢোকার মতো পরিবেশ থাকে না।’

২০১৩ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন এ দম্পতি। তবে এরপর সময় যত গড়িয়েছে, দাম্পত্য কলহে ফাটল ধরেছে ততই।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews