ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পাকিস্তান দলে যোগ দিচ্ছেন শফিক ও শাকিল Logo স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান Logo যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল Logo ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী Logo গোমেজের চোটে দুশ্চিন্তায় লিভারপুলের নতুন কোচ ইরাওলা Logo অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২ মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন Logo চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

মোগল আমলের মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন

প্রতিনিধির নাম :

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদটি এ জেলার অন্যতম পূরাকীর্তি হিসেবে পরিচিত। ষোল শতকের দিকে নির্মিত এ জামে মসজিদটি মোঘল আমলের স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। অপরূপ স্থাপত্য কলায় নির্মিত সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদটি দেশী-বিদেশী পর্যটকদের প্রতিনিয়ত বিমোহিত করেছে। তাই এ প্রাচীন মসজিদটির প্রত্মতাত্ত্বিক তাৎপর্যের কারণে জরুরী ভিত্তিতে মসজিদটি প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদটি দেখতে আসা পর্যটকদের দীর্ঘদিনের দাবী।

অন্যথায় মসজিদটি ভেঙ্গে গিয়ে এক সময় কালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। সূত্র জানায়, সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদটি প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে আনয়নের জন্য ইতিমধ্যে প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা মসজিদটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ছবি ও মৌজাম্যাপসহ প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীকালে জানা যায় প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক প্রতিবেদনটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়ে ছিল। কিন্তু আজ পযর্ন্ত এ মসজিদটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যপারে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

সেকান্দরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী মো. জুয়েল মিয়া বলেন, প্রায় সাড়ে চারশত বছর আগে নির্মিত পূরাকীর্তি হিসেবে পরিচিত এ মসজিদটি দেখতে প্রতিনিয়তই ভ্রমণ পিপাসু বহু মানুষ এখানে ছুটে আসে। মসজিদের ঈমাম মাওলানা সৈয়দ আবু সায়েম জানান, সেকান্দরনগর মৌজার ১নং খতিয়ানভূক্ত ৫৬৫ সাবেক দাগে ১০ শতাংশ ভূমির উপর কালের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে মোঘল আমলের নির্মিত ঐতিহাসিক সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদটি। মসজিদের পবিত্রতা রক্ষার্থে সীমানা প্রাচীর করা খুব-ই দরকার। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ বশির আহমেদ বলেন, মসজিদ সংলগ্ন গভীর পুকুরটির পাড় যে ভাবে ভেঙ্গে যাচ্ছে তাতে মসজিদটি হুমকীর মুখে। পুকুর ঘেসে একটি প্রতিরক্ষা দেয়াল দেওয়া খুব জরুরী। তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লুৎফুন নাহার আমাদের সময়কে বলেন, আমি এ উপজেলায় ১ জানুয়ারি যোগদান করেছি। প্রাচীন এ মসজিদটিসহ অন্য পুরাকীর্তিগুলো রক্ষায় প্রশাসন সব সময়েই আন্তরিক। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন ভূঞা কাঞ্চন জানান,  সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদের নির্মাণশৈলী ও স্থাপত্যে দৃষ্টিনন্দন কারুকাজের নিদর্শন প্রকাশ পায়। স্থাপত্য কলায় নির্মিত এগুলো তদারকি করার জন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮
১৮ বার পঠিত হয়েছে

মোগল আমলের মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন

আপডেট এর সময় : ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদটি এ জেলার অন্যতম পূরাকীর্তি হিসেবে পরিচিত। ষোল শতকের দিকে নির্মিত এ জামে মসজিদটি মোঘল আমলের স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। অপরূপ স্থাপত্য কলায় নির্মিত সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদটি দেশী-বিদেশী পর্যটকদের প্রতিনিয়ত বিমোহিত করেছে। তাই এ প্রাচীন মসজিদটির প্রত্মতাত্ত্বিক তাৎপর্যের কারণে জরুরী ভিত্তিতে মসজিদটি প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদটি দেখতে আসা পর্যটকদের দীর্ঘদিনের দাবী।

অন্যথায় মসজিদটি ভেঙ্গে গিয়ে এক সময় কালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। সূত্র জানায়, সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদটি প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে আনয়নের জন্য ইতিমধ্যে প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা মসজিদটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ছবি ও মৌজাম্যাপসহ প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীকালে জানা যায় প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক প্রতিবেদনটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়ে ছিল। কিন্তু আজ পযর্ন্ত এ মসজিদটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যপারে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

সেকান্দরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী মো. জুয়েল মিয়া বলেন, প্রায় সাড়ে চারশত বছর আগে নির্মিত পূরাকীর্তি হিসেবে পরিচিত এ মসজিদটি দেখতে প্রতিনিয়তই ভ্রমণ পিপাসু বহু মানুষ এখানে ছুটে আসে। মসজিদের ঈমাম মাওলানা সৈয়দ আবু সায়েম জানান, সেকান্দরনগর মৌজার ১নং খতিয়ানভূক্ত ৫৬৫ সাবেক দাগে ১০ শতাংশ ভূমির উপর কালের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে মোঘল আমলের নির্মিত ঐতিহাসিক সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদটি। মসজিদের পবিত্রতা রক্ষার্থে সীমানা প্রাচীর করা খুব-ই দরকার। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ বশির আহমেদ বলেন, মসজিদ সংলগ্ন গভীর পুকুরটির পাড় যে ভাবে ভেঙ্গে যাচ্ছে তাতে মসজিদটি হুমকীর মুখে। পুকুর ঘেসে একটি প্রতিরক্ষা দেয়াল দেওয়া খুব জরুরী। তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লুৎফুন নাহার আমাদের সময়কে বলেন, আমি এ উপজেলায় ১ জানুয়ারি যোগদান করেছি। প্রাচীন এ মসজিদটিসহ অন্য পুরাকীর্তিগুলো রক্ষায় প্রশাসন সব সময়েই আন্তরিক। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন ভূঞা কাঞ্চন জানান,  সেকান্দরনগর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদের নির্মাণশৈলী ও স্থাপত্যে দৃষ্টিনন্দন কারুকাজের নিদর্শন প্রকাশ পায়। স্থাপত্য কলায় নির্মিত এগুলো তদারকি করার জন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।