ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কুমিল্লা-৬ আসনের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর মতবিনিময় Logo ফেনীতে পৃথক অভিযানে ৩৯ কেজি গাঁজা, ইয়াবা ও ইস্কাপসহ আটক ৪ Logo নোবেল রসায়নে স্বীকৃতি পেল ওষুধ তৈরির যুগান্তকারী ‘কাইরাল’ গবেষণা Logo সড়কে নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধে নতুন ফেডারেশন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: রিজভী Logo ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ভিসা ও বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে মাহ্দী আমিনের বৈঠক Logo ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক Logo বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধি পেলেন মেসি Logo রাঙ্গামাটিতে ভারতীয় সিগারেটসহ দুই জন আটক Logo ৭ অক্টোবরের বার্ষিকীতে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত অন্তত ২ Logo শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : ড. মঈন খান

প্রতিনিধির নাম :

সম্প্রতি ইরানের পরমাণু সমঝোতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির আইন ভঙ্গকারী এমন আচরণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। আর যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ জাতিসংঘের কার্যকারিতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাছে লেখা আলাদা আলাদা চিঠিতে একথা বলেছেন জারিফ। পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে গতমাসে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার জের ধরে এ চিঠি লিখলেন তিনি। খবর পার্সটুডের।

চিঠিতে জারিফ বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদনের মাধ্যমে ওই সমঝোতা একটি আন্তর্জাতিক আইন হিসেবে চিহ্নিত যা থেকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বেরিয়ে গেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এ ধরনের উদ্ধত আচরণের নিন্দা জানাতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে নিজে বেরিয়ে যাওয়ার পর এখন অন্যান্য দেশকেও এটি থেকে বের করে নেয়ার জন্য দুর্বৃত্তের মতো আচরণ করছে আমেরিকা। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের মতো একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার চিঠিতে আরও বলেন, ২০১৫ সালে যে পরমাণু সমঝোতা অর্জিত হয়েছিল তাতে পরিবর্তন আনা বা তা নিয়ে আবার আলোচনায় বসা সম্ভব নয়।

গত ৮ মে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইরানের সঙ্গে নতুন করে কোনো সমঝোতা অর্জনের জন্য তেহরানকে বেশ কিছু শর্ত বেধে দেন। তেহরান ওইসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে গেলেও রাশিয়া, চীনসহ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্র ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এ চুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জুন ২০১৮
১৫ বার পঠিত হয়েছে

আপডেট এর সময় : ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জুন ২০১৮

সম্প্রতি ইরানের পরমাণু সমঝোতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির আইন ভঙ্গকারী এমন আচরণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। আর যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ জাতিসংঘের কার্যকারিতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাছে লেখা আলাদা আলাদা চিঠিতে একথা বলেছেন জারিফ। পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে গতমাসে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার জের ধরে এ চিঠি লিখলেন তিনি। খবর পার্সটুডের।

চিঠিতে জারিফ বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদনের মাধ্যমে ওই সমঝোতা একটি আন্তর্জাতিক আইন হিসেবে চিহ্নিত যা থেকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বেরিয়ে গেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এ ধরনের উদ্ধত আচরণের নিন্দা জানাতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে নিজে বেরিয়ে যাওয়ার পর এখন অন্যান্য দেশকেও এটি থেকে বের করে নেয়ার জন্য দুর্বৃত্তের মতো আচরণ করছে আমেরিকা। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের মতো একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার চিঠিতে আরও বলেন, ২০১৫ সালে যে পরমাণু সমঝোতা অর্জিত হয়েছিল তাতে পরিবর্তন আনা বা তা নিয়ে আবার আলোচনায় বসা সম্ভব নয়।

গত ৮ মে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইরানের সঙ্গে নতুন করে কোনো সমঝোতা অর্জনের জন্য তেহরানকে বেশ কিছু শর্ত বেধে দেন। তেহরান ওইসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে গেলেও রাশিয়া, চীনসহ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্র ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এ চুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে