ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

প্রতিনিধির নাম :

সম্প্রতি ইরানের পরমাণু সমঝোতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির আইন ভঙ্গকারী এমন আচরণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। আর যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ জাতিসংঘের কার্যকারিতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাছে লেখা আলাদা আলাদা চিঠিতে একথা বলেছেন জারিফ। পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে গতমাসে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার জের ধরে এ চিঠি লিখলেন তিনি। খবর পার্সটুডের।

চিঠিতে জারিফ বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদনের মাধ্যমে ওই সমঝোতা একটি আন্তর্জাতিক আইন হিসেবে চিহ্নিত যা থেকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বেরিয়ে গেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এ ধরনের উদ্ধত আচরণের নিন্দা জানাতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে নিজে বেরিয়ে যাওয়ার পর এখন অন্যান্য দেশকেও এটি থেকে বের করে নেয়ার জন্য দুর্বৃত্তের মতো আচরণ করছে আমেরিকা। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের মতো একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার চিঠিতে আরও বলেন, ২০১৫ সালে যে পরমাণু সমঝোতা অর্জিত হয়েছিল তাতে পরিবর্তন আনা বা তা নিয়ে আবার আলোচনায় বসা সম্ভব নয়।

গত ৮ মে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইরানের সঙ্গে নতুন করে কোনো সমঝোতা অর্জনের জন্য তেহরানকে বেশ কিছু শর্ত বেধে দেন। তেহরান ওইসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে গেলেও রাশিয়া, চীনসহ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্র ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এ চুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জুন ২০১৮
১০ বার পঠিত হয়েছে

আপডেট এর সময় : ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জুন ২০১৮

সম্প্রতি ইরানের পরমাণু সমঝোতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির আইন ভঙ্গকারী এমন আচরণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। আর যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ জাতিসংঘের কার্যকারিতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাছে লেখা আলাদা আলাদা চিঠিতে একথা বলেছেন জারিফ। পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে গতমাসে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার জের ধরে এ চিঠি লিখলেন তিনি। খবর পার্সটুডের।

চিঠিতে জারিফ বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদনের মাধ্যমে ওই সমঝোতা একটি আন্তর্জাতিক আইন হিসেবে চিহ্নিত যা থেকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বেরিয়ে গেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এ ধরনের উদ্ধত আচরণের নিন্দা জানাতে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে নিজে বেরিয়ে যাওয়ার পর এখন অন্যান্য দেশকেও এটি থেকে বের করে নেয়ার জন্য দুর্বৃত্তের মতো আচরণ করছে আমেরিকা। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের মতো একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার চিঠিতে আরও বলেন, ২০১৫ সালে যে পরমাণু সমঝোতা অর্জিত হয়েছিল তাতে পরিবর্তন আনা বা তা নিয়ে আবার আলোচনায় বসা সম্ভব নয়।

গত ৮ মে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইরানের সঙ্গে নতুন করে কোনো সমঝোতা অর্জনের জন্য তেহরানকে বেশ কিছু শর্ত বেধে দেন। তেহরান ওইসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে। তবে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে গেলেও রাশিয়া, চীনসহ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্র ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এ চুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে