ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দীর্ঘ দেড় যুগেও এমপিও ভুক্ত হয়নি ভোলার চর আনন্দ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

প্রতিনিধির নাম :

মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ভোলার চর ইলিশায় দীর্ঘ ১৮ বছরেও এমপিও ভুক্ত হয়নি চর আনন্দ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি। এই কারনে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন এই প্রতিষ্ঠানে জরিত শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ। স্বরে জমিনে গেলে জানা যায় উপজেলার ২নং পুর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে প্রায় ১ একর ৬ শতক জমিতে এই প্রতিষ্ঠানটি গত ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এর পরে ২০০৯ সালে এই প্রতিষ্টানটি পাঠ দানের অনুমুতি পায় এবং ২০১৪ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে মাদ্রাসাটি। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এই মাদ্রাসা থেকে অনেক ছাত্রের ভাগ্যের পরিবর্তন হলেও পরির্বতন ঘটেনি এই প্রতিষ্ঠানের। এই বিষয়ে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ সবুজ কান্নাজরিত কণ্ঠে বলেন আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে এমপিও না হওয়ার বিনা বেতনে চাকরী করছি। এমপিও হবে এই আশা বুকে নিয়ে আমাদের জীবন শেষ করলাম। এখন নিজ সন্তানের বভিষ্যত অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে অন্যের সন্তানদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছি। তাই বিভিন্ন মাধ্যমে কতৃপক্ষকে অনুরোধ করছি দ্রত এই মাদ্রাসাটি এমপিও ভুক্ত করে আমাদের সন্তানদের সুশিক্ষায শিক্ষিত করতে সহযোগিতা করেন। মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ ইব্রাহিম খলিল বলেন দীর্ঘদিন বিনা বেতনে চাকরী করার কিযে কষ্ট তা যদি কেউ এই মাদ্রাসায় এসে শিক্ষক কর্মচারীদের মুখের দিকে তাকাতো তাহলেই বুঝতো আমরা কেমন আছি। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার জমিদাতা মোঃ ছিদ্দিক পালোয়ান ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বর্তমান ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান আঃ বারেক পাটোয়ারী বলেন এখান থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫/৬ মাইল দুরে তাই এলাকার বাচ্ছাদের ভোগান্তির কথা ভেবে ২০০০ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেছি। সেই থেকে একজন প্রধান শিক্ষক একজন সহকারী সুপার একজন অফিস সহকারী ও একজন পিয়নসহ মোট ১৯ জন শিক্ষক কর্মচারী দিয়ে নিয়মিত চলছে মাদ্রাসাটি। সেই থেকে প্রতি বছর ছাত্র ছাত্রীরা শতভাগ ফলাফল অর্জন করে আসছে। তিনি আরো জানান এই মাদ্রাসাটি এমপিও ভুক্ত হলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপকৃত হবে পাশাপাশি এলাকার গরিব ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত উজ্জল হবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুলাই ২০১৮
১৮ বার পঠিত হয়েছে

দীর্ঘ দেড় যুগেও এমপিও ভুক্ত হয়নি ভোলার চর আনন্দ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

আপডেট এর সময় : ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুলাই ২০১৮

মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ভোলার চর ইলিশায় দীর্ঘ ১৮ বছরেও এমপিও ভুক্ত হয়নি চর আনন্দ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি। এই কারনে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন এই প্রতিষ্ঠানে জরিত শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ। স্বরে জমিনে গেলে জানা যায় উপজেলার ২নং পুর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে প্রায় ১ একর ৬ শতক জমিতে এই প্রতিষ্ঠানটি গত ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এর পরে ২০০৯ সালে এই প্রতিষ্টানটি পাঠ দানের অনুমুতি পায় এবং ২০১৪ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে মাদ্রাসাটি। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এই মাদ্রাসা থেকে অনেক ছাত্রের ভাগ্যের পরিবর্তন হলেও পরির্বতন ঘটেনি এই প্রতিষ্ঠানের। এই বিষয়ে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ সবুজ কান্নাজরিত কণ্ঠে বলেন আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে এমপিও না হওয়ার বিনা বেতনে চাকরী করছি। এমপিও হবে এই আশা বুকে নিয়ে আমাদের জীবন শেষ করলাম। এখন নিজ সন্তানের বভিষ্যত অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে অন্যের সন্তানদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছি। তাই বিভিন্ন মাধ্যমে কতৃপক্ষকে অনুরোধ করছি দ্রত এই মাদ্রাসাটি এমপিও ভুক্ত করে আমাদের সন্তানদের সুশিক্ষায শিক্ষিত করতে সহযোগিতা করেন। মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ ইব্রাহিম খলিল বলেন দীর্ঘদিন বিনা বেতনে চাকরী করার কিযে কষ্ট তা যদি কেউ এই মাদ্রাসায় এসে শিক্ষক কর্মচারীদের মুখের দিকে তাকাতো তাহলেই বুঝতো আমরা কেমন আছি। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার জমিদাতা মোঃ ছিদ্দিক পালোয়ান ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বর্তমান ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান আঃ বারেক পাটোয়ারী বলেন এখান থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫/৬ মাইল দুরে তাই এলাকার বাচ্ছাদের ভোগান্তির কথা ভেবে ২০০০ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেছি। সেই থেকে একজন প্রধান শিক্ষক একজন সহকারী সুপার একজন অফিস সহকারী ও একজন পিয়নসহ মোট ১৯ জন শিক্ষক কর্মচারী দিয়ে নিয়মিত চলছে মাদ্রাসাটি। সেই থেকে প্রতি বছর ছাত্র ছাত্রীরা শতভাগ ফলাফল অর্জন করে আসছে। তিনি আরো জানান এই মাদ্রাসাটি এমপিও ভুক্ত হলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপকৃত হবে পাশাপাশি এলাকার গরিব ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত উজ্জল হবে।