ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টানা দ্বিতীয় দিনে আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া Logo টাইফুন নউল চীনের দিকে ধেয়ে আসায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Logo ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও

শার্টডাউনে কর্মী হারাচ্ছে এফবিএআই

প্রতিনিধির নাম :

এখনো অচলাবস্থা কাটেনি আমেরিকায় শার্টডাউনের। এমন অবস্থায় বিপাকে পড়েছে এফবিআইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। কয়েকজন অফিসার জানান, বেতন না পাওয়ায় সোর্সদের আর হাতে রাখা যাচ্ছে না।

গোয়েন্দা সংস্থার ওই অফিসারেরা নিজেদের নাম গোপন রেখে ‘এফবিআই এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি গোষ্ঠীর মাধ্যমে এক রিপোর্টে এই সব তথ্য প্রকাশ্য করেছেন। এর আগে এফবিআইয়ে কোনো দিন এমন ঘটেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অফিসাররা। তারা বলেছেন, অর্থের অভাবে বিশ্ব জুড়ে নানা অভিযানে রাশ টানতে হচ্ছে। দেশের সব চেয়ে লম্বা শাটডাউনে দেশেরই সব চেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে— আপোষ করতে হচ্ছে জাতীয় নিরাপত্তার মতো বিষয়ের সঙ্গে।

এক অফিসারের দাবি, ‘শাটডাউনে আমরা কিছুই করে উঠতে পারছি না। শত্রুরা বুঝতে পারছে, এ বার তারা যা খুশি করতে পারে।’ এফবিআই স্বাভাবিকভাবেই এই রিপোর্ট থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে। এক বিবৃতিতে তাদের দাবি, ‘এফবিআই এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ‘ভয়েসেস ফ্রম দ্য ফিল্ড : এফবিআই এজেন্ট অ্যাকাউন্টস অব দ্য রিয়্যাল কনসিকুয়েন্সেস অব দ্য গভর্নমেন্ট শার্টডা‌উন’ নামে তারা যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তার সঙ্গে এফবিআইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।’

নাম প্রকাশ না করা ওই অফিসারের দাবি, যে সব গোপন সূত্রে খবর আসে, তাদের অর্থ জোগাতে না পেরে বড়সড় চাপের মুখে পড়ছে এফবিআই। তাদের বক্তব্য, তথ্য তো হাতছাড়া হচ্ছেই, পাশাপাশি সোর্সদেরও হারাতে হচ্ছে।

শাটডাউনের জেরে এফবিআইয়ের গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞসহ অন্তত পাঁচ হাজার সদস্যকে আপাতত বাড়িতে বসে থাকতে বলা হয়েছে। সংস্থার মোট ৩৫ হাজার কর্মী এই মাসের শেষেও বেতন পাবেন না। শাটডাউন আরও গড়ালে শুধু ‘সোর্স’ নয়, তরুণ কর্মীদেরও হারাবে এফবিআই— এমনটাই জানিয়েছেন অফিসারেরা। তাদের কথায়, ‘তরুণ ছেলেমেয়েরা বলছে, শাটডাউন না উঠলে অন্য জায়গায় চলে যাবো।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৯
৮ বার পঠিত হয়েছে

শার্টডাউনে কর্মী হারাচ্ছে এফবিএআই

আপডেট এর সময় : ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৯

এখনো অচলাবস্থা কাটেনি আমেরিকায় শার্টডাউনের। এমন অবস্থায় বিপাকে পড়েছে এফবিআইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। কয়েকজন অফিসার জানান, বেতন না পাওয়ায় সোর্সদের আর হাতে রাখা যাচ্ছে না।

গোয়েন্দা সংস্থার ওই অফিসারেরা নিজেদের নাম গোপন রেখে ‘এফবিআই এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি গোষ্ঠীর মাধ্যমে এক রিপোর্টে এই সব তথ্য প্রকাশ্য করেছেন। এর আগে এফবিআইয়ে কোনো দিন এমন ঘটেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অফিসাররা। তারা বলেছেন, অর্থের অভাবে বিশ্ব জুড়ে নানা অভিযানে রাশ টানতে হচ্ছে। দেশের সব চেয়ে লম্বা শাটডাউনে দেশেরই সব চেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে— আপোষ করতে হচ্ছে জাতীয় নিরাপত্তার মতো বিষয়ের সঙ্গে।

এক অফিসারের দাবি, ‘শাটডাউনে আমরা কিছুই করে উঠতে পারছি না। শত্রুরা বুঝতে পারছে, এ বার তারা যা খুশি করতে পারে।’ এফবিআই স্বাভাবিকভাবেই এই রিপোর্ট থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে। এক বিবৃতিতে তাদের দাবি, ‘এফবিআই এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ‘ভয়েসেস ফ্রম দ্য ফিল্ড : এফবিআই এজেন্ট অ্যাকাউন্টস অব দ্য রিয়্যাল কনসিকুয়েন্সেস অব দ্য গভর্নমেন্ট শার্টডা‌উন’ নামে তারা যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তার সঙ্গে এফবিআইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।’

নাম প্রকাশ না করা ওই অফিসারের দাবি, যে সব গোপন সূত্রে খবর আসে, তাদের অর্থ জোগাতে না পেরে বড়সড় চাপের মুখে পড়ছে এফবিআই। তাদের বক্তব্য, তথ্য তো হাতছাড়া হচ্ছেই, পাশাপাশি সোর্সদেরও হারাতে হচ্ছে।

শাটডাউনের জেরে এফবিআইয়ের গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞসহ অন্তত পাঁচ হাজার সদস্যকে আপাতত বাড়িতে বসে থাকতে বলা হয়েছে। সংস্থার মোট ৩৫ হাজার কর্মী এই মাসের শেষেও বেতন পাবেন না। শাটডাউন আরও গড়ালে শুধু ‘সোর্স’ নয়, তরুণ কর্মীদেরও হারাবে এফবিআই— এমনটাই জানিয়েছেন অফিসারেরা। তাদের কথায়, ‘তরুণ ছেলেমেয়েরা বলছে, শাটডাউন না উঠলে অন্য জায়গায় চলে যাবো।’