ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পাকিস্তান দলে যোগ দিচ্ছেন শফিক ও শাকিল Logo স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান Logo যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল Logo ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী Logo গোমেজের চোটে দুশ্চিন্তায় লিভারপুলের নতুন কোচ ইরাওলা Logo অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২ মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন Logo চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

ফেসবুকে পরিচয়, ঘুরতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ!

প্রতিনিধির নাম :

ফেসবুকে তাদের পরিচয়। এর সূত্র ধরেই প্রেমিকের সঙ্গে খুলনা শহরে ঘুরতে যায় এক মাদ্রাসাছাত্রী। সেখানে সেই প্রেমিকসহ একদল যুবক তাকে ধর্ষণ করে। গত বুধবারের এই ঘটনা মাকে জানায় ওই কিশোরী। পরে তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় ওই কিশোরীর কথিত প্রেমিক নিয়ামুলকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা জেলার পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রূপসার শ্রীফলতলার শরিফুল ইসলাম (২০), আসাদুল মোড়ল(২১), মোসাব্বরপুর গ্রামের কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিষাঘুনি গ্রামের নাঈম শেখ (১৯), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের রিয়াজুল ইসলাম (১৯) ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোহেল রানা (২২)।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নানার বাড়িতে থেকে এক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তার মা খুলনা শহরে থাকেন। মেয়েটি ফেসবুকে বাগেরহাটের মোড়েলঞ্জের নিয়ামুল নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

ওই মাদ্রাসাছাত্রী তার মায়ের কাছে বেড়াতে এসে গত বুধবার নিয়ামুলের সঙ্গে খুলনা শহরের হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। সে সময় মেয়েটির সঙ্গে তার আট বছরের এক খালাত ভাইও ছিল। নিয়ামুল সুকৌশলে তার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম ও সোহেল রানাসহ ওই কিশোরীকে রূপসা উপজেলার মোছাব্বরপুরে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এর পর সেখানে নিয়ে ওই রাতেই নিয়ামুল কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার পর মোছাব্বরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক বিষয়টি জানতে পারলে নিয়ামুলের কাছে ‘মোটা অংকের টাকা’ দাবি করে। নিয়ামুল ও তার বন্ধুরা টাকা দিতে না পারায় ওই গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আসাদুল মোড়ল ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সহায়তা করেন নাইম শেখ (১৯) ও কামরুল হাওলাদার (১৮)।

এ ঘটনার পর মেয়েটি বাসায় ফিরে তার মাকে জানানোর পর তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা নূর আলম সিদ্দিকী জানিয়েছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯
১৬ বার পঠিত হয়েছে

ফেসবুকে পরিচয়, ঘুরতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ!

আপডেট এর সময় : ০৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯

ফেসবুকে তাদের পরিচয়। এর সূত্র ধরেই প্রেমিকের সঙ্গে খুলনা শহরে ঘুরতে যায় এক মাদ্রাসাছাত্রী। সেখানে সেই প্রেমিকসহ একদল যুবক তাকে ধর্ষণ করে। গত বুধবারের এই ঘটনা মাকে জানায় ওই কিশোরী। পরে তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় ওই কিশোরীর কথিত প্রেমিক নিয়ামুলকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা জেলার পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রূপসার শ্রীফলতলার শরিফুল ইসলাম (২০), আসাদুল মোড়ল(২১), মোসাব্বরপুর গ্রামের কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিষাঘুনি গ্রামের নাঈম শেখ (১৯), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের রিয়াজুল ইসলাম (১৯) ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোহেল রানা (২২)।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নানার বাড়িতে থেকে এক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তার মা খুলনা শহরে থাকেন। মেয়েটি ফেসবুকে বাগেরহাটের মোড়েলঞ্জের নিয়ামুল নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

ওই মাদ্রাসাছাত্রী তার মায়ের কাছে বেড়াতে এসে গত বুধবার নিয়ামুলের সঙ্গে খুলনা শহরের হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। সে সময় মেয়েটির সঙ্গে তার আট বছরের এক খালাত ভাইও ছিল। নিয়ামুল সুকৌশলে তার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম ও সোহেল রানাসহ ওই কিশোরীকে রূপসা উপজেলার মোছাব্বরপুরে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এর পর সেখানে নিয়ে ওই রাতেই নিয়ামুল কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার পর মোছাব্বরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক বিষয়টি জানতে পারলে নিয়ামুলের কাছে ‘মোটা অংকের টাকা’ দাবি করে। নিয়ামুল ও তার বন্ধুরা টাকা দিতে না পারায় ওই গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আসাদুল মোড়ল ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সহায়তা করেন নাইম শেখ (১৯) ও কামরুল হাওলাদার (১৮)।

এ ঘটনার পর মেয়েটি বাসায় ফিরে তার মাকে জানানোর পর তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা নূর আলম সিদ্দিকী জানিয়েছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।