ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাগেরহাটে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু Logo ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুনে ৫ জনের মৃত্যু Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ Logo হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী রপ্তানিতে জোর Logo গাজীপুরে শব্দদূষণ রোধে সাইলেন্ট র‌্যালি ও মতবিনিময় Logo বগুড়ায় সাজাপ্রাপ্ত মাদক কারবারি ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo ইরানের হামলার জবাবে ৫টি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের Logo পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান Logo মার্কিন প্রভাব সুসংহত করতে লাতিন আমেরিকা সফর শুরু রুবিওর

ফেসবুকে পরিচয়, ঘুরতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ!

প্রতিনিধির নাম :

ফেসবুকে তাদের পরিচয়। এর সূত্র ধরেই প্রেমিকের সঙ্গে খুলনা শহরে ঘুরতে যায় এক মাদ্রাসাছাত্রী। সেখানে সেই প্রেমিকসহ একদল যুবক তাকে ধর্ষণ করে। গত বুধবারের এই ঘটনা মাকে জানায় ওই কিশোরী। পরে তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় ওই কিশোরীর কথিত প্রেমিক নিয়ামুলকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা জেলার পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রূপসার শ্রীফলতলার শরিফুল ইসলাম (২০), আসাদুল মোড়ল(২১), মোসাব্বরপুর গ্রামের কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিষাঘুনি গ্রামের নাঈম শেখ (১৯), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের রিয়াজুল ইসলাম (১৯) ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোহেল রানা (২২)।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নানার বাড়িতে থেকে এক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তার মা খুলনা শহরে থাকেন। মেয়েটি ফেসবুকে বাগেরহাটের মোড়েলঞ্জের নিয়ামুল নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

ওই মাদ্রাসাছাত্রী তার মায়ের কাছে বেড়াতে এসে গত বুধবার নিয়ামুলের সঙ্গে খুলনা শহরের হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। সে সময় মেয়েটির সঙ্গে তার আট বছরের এক খালাত ভাইও ছিল। নিয়ামুল সুকৌশলে তার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম ও সোহেল রানাসহ ওই কিশোরীকে রূপসা উপজেলার মোছাব্বরপুরে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এর পর সেখানে নিয়ে ওই রাতেই নিয়ামুল কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার পর মোছাব্বরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক বিষয়টি জানতে পারলে নিয়ামুলের কাছে ‘মোটা অংকের টাকা’ দাবি করে। নিয়ামুল ও তার বন্ধুরা টাকা দিতে না পারায় ওই গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আসাদুল মোড়ল ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সহায়তা করেন নাইম শেখ (১৯) ও কামরুল হাওলাদার (১৮)।

এ ঘটনার পর মেয়েটি বাসায় ফিরে তার মাকে জানানোর পর তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা নূর আলম সিদ্দিকী জানিয়েছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯
১৭ বার পঠিত হয়েছে

ফেসবুকে পরিচয়, ঘুরতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ!

আপডেট এর সময় : ০৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯

ফেসবুকে তাদের পরিচয়। এর সূত্র ধরেই প্রেমিকের সঙ্গে খুলনা শহরে ঘুরতে যায় এক মাদ্রাসাছাত্রী। সেখানে সেই প্রেমিকসহ একদল যুবক তাকে ধর্ষণ করে। গত বুধবারের এই ঘটনা মাকে জানায় ওই কিশোরী। পরে তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় ওই কিশোরীর কথিত প্রেমিক নিয়ামুলকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা জেলার পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রূপসার শ্রীফলতলার শরিফুল ইসলাম (২০), আসাদুল মোড়ল(২১), মোসাব্বরপুর গ্রামের কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিষাঘুনি গ্রামের নাঈম শেখ (১৯), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের রিয়াজুল ইসলাম (১৯) ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোহেল রানা (২২)।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নানার বাড়িতে থেকে এক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তার মা খুলনা শহরে থাকেন। মেয়েটি ফেসবুকে বাগেরহাটের মোড়েলঞ্জের নিয়ামুল নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

ওই মাদ্রাসাছাত্রী তার মায়ের কাছে বেড়াতে এসে গত বুধবার নিয়ামুলের সঙ্গে খুলনা শহরের হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। সে সময় মেয়েটির সঙ্গে তার আট বছরের এক খালাত ভাইও ছিল। নিয়ামুল সুকৌশলে তার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম ও সোহেল রানাসহ ওই কিশোরীকে রূপসা উপজেলার মোছাব্বরপুরে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এর পর সেখানে নিয়ে ওই রাতেই নিয়ামুল কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার পর মোছাব্বরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক বিষয়টি জানতে পারলে নিয়ামুলের কাছে ‘মোটা অংকের টাকা’ দাবি করে। নিয়ামুল ও তার বন্ধুরা টাকা দিতে না পারায় ওই গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আসাদুল মোড়ল ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সহায়তা করেন নাইম শেখ (১৯) ও কামরুল হাওলাদার (১৮)।

এ ঘটনার পর মেয়েটি বাসায় ফিরে তার মাকে জানানোর পর তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা নূর আলম সিদ্দিকী জানিয়েছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।