ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা Logo তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর Logo ইয়েমেনে জ্বালানি ও অক্সিজেন সংকটে হাসপাতাল, ঝুঁকিতে রোগীরা Logo বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে খেলবেন মুস্তাফিজ Logo ফুলবাড়ী সীমান্তে ১ হাজার ৬০৩ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার Logo ডিআর কঙ্গোফেরত উগান্ডার নাগরিকদের ২১ দিনের কোয়ারেন্টিন

ফেসবুকে পরিচয়, ঘুরতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ!

প্রতিনিধির নাম :

ফেসবুকে তাদের পরিচয়। এর সূত্র ধরেই প্রেমিকের সঙ্গে খুলনা শহরে ঘুরতে যায় এক মাদ্রাসাছাত্রী। সেখানে সেই প্রেমিকসহ একদল যুবক তাকে ধর্ষণ করে। গত বুধবারের এই ঘটনা মাকে জানায় ওই কিশোরী। পরে তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় ওই কিশোরীর কথিত প্রেমিক নিয়ামুলকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা জেলার পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রূপসার শ্রীফলতলার শরিফুল ইসলাম (২০), আসাদুল মোড়ল(২১), মোসাব্বরপুর গ্রামের কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিষাঘুনি গ্রামের নাঈম শেখ (১৯), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের রিয়াজুল ইসলাম (১৯) ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোহেল রানা (২২)।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নানার বাড়িতে থেকে এক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তার মা খুলনা শহরে থাকেন। মেয়েটি ফেসবুকে বাগেরহাটের মোড়েলঞ্জের নিয়ামুল নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

ওই মাদ্রাসাছাত্রী তার মায়ের কাছে বেড়াতে এসে গত বুধবার নিয়ামুলের সঙ্গে খুলনা শহরের হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। সে সময় মেয়েটির সঙ্গে তার আট বছরের এক খালাত ভাইও ছিল। নিয়ামুল সুকৌশলে তার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম ও সোহেল রানাসহ ওই কিশোরীকে রূপসা উপজেলার মোছাব্বরপুরে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এর পর সেখানে নিয়ে ওই রাতেই নিয়ামুল কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার পর মোছাব্বরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক বিষয়টি জানতে পারলে নিয়ামুলের কাছে ‘মোটা অংকের টাকা’ দাবি করে। নিয়ামুল ও তার বন্ধুরা টাকা দিতে না পারায় ওই গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আসাদুল মোড়ল ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সহায়তা করেন নাইম শেখ (১৯) ও কামরুল হাওলাদার (১৮)।

এ ঘটনার পর মেয়েটি বাসায় ফিরে তার মাকে জানানোর পর তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা নূর আলম সিদ্দিকী জানিয়েছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯
২১ বার পঠিত হয়েছে

ফেসবুকে পরিচয়, ঘুরতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ!

আপডেট এর সময় : ০৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯

ফেসবুকে তাদের পরিচয়। এর সূত্র ধরেই প্রেমিকের সঙ্গে খুলনা শহরে ঘুরতে যায় এক মাদ্রাসাছাত্রী। সেখানে সেই প্রেমিকসহ একদল যুবক তাকে ধর্ষণ করে। গত বুধবারের এই ঘটনা মাকে জানায় ওই কিশোরী। পরে তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় ওই কিশোরীর কথিত প্রেমিক নিয়ামুলকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা জেলার পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রূপসার শ্রীফলতলার শরিফুল ইসলাম (২০), আসাদুল মোড়ল(২১), মোসাব্বরপুর গ্রামের কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিষাঘুনি গ্রামের নাঈম শেখ (১৯), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের রিয়াজুল ইসলাম (১৯) ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোহেল রানা (২২)।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নানার বাড়িতে থেকে এক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তার মা খুলনা শহরে থাকেন। মেয়েটি ফেসবুকে বাগেরহাটের মোড়েলঞ্জের নিয়ামুল নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

ওই মাদ্রাসাছাত্রী তার মায়ের কাছে বেড়াতে এসে গত বুধবার নিয়ামুলের সঙ্গে খুলনা শহরের হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। সে সময় মেয়েটির সঙ্গে তার আট বছরের এক খালাত ভাইও ছিল। নিয়ামুল সুকৌশলে তার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম ও সোহেল রানাসহ ওই কিশোরীকে রূপসা উপজেলার মোছাব্বরপুরে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এর পর সেখানে নিয়ে ওই রাতেই নিয়ামুল কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার পর মোছাব্বরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক বিষয়টি জানতে পারলে নিয়ামুলের কাছে ‘মোটা অংকের টাকা’ দাবি করে। নিয়ামুল ও তার বন্ধুরা টাকা দিতে না পারায় ওই গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আসাদুল মোড়ল ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সহায়তা করেন নাইম শেখ (১৯) ও কামরুল হাওলাদার (১৮)।

এ ঘটনার পর মেয়েটি বাসায় ফিরে তার মাকে জানানোর পর তিনি বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা নূর আলম সিদ্দিকী জানিয়েছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।