ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

নিয়ম মেনে সফল রোহিত

প্রতিনিধির নাম :

টেস্ট দলে জায়গাটাও নিশ্চিত ছিল না তার। অথচ, সেই রোহিত শর্মাই বিশাখাপত্তনম টেস্টের নায়ক। দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করে এক গাদা রেকর্ডে নাম বসিয়েছেন তিনি। এই অনন্য সাফল্যের রহস্যটা কী? রোহিত মনে করছেন নিয়ম মেনে খেলাই তাকে সাদা বলের মতো লাল বলের ক্রিকেটেরও সাফল্য দিচ্ছে।

টেস্টের ওপেনিং পজিশনে অনেকদিন হলো ভারতের একাদশে রীতিমতো মিউজিক্যাল চেয়ার চলছে। রোহিতের আগে টেস্ট ওপেনিংয়ের অভিজ্ঞতা ছিল সামান্যই। আর তাতে সাফল্যও ছিল হাতে গোনা। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম সুযোগ পেলে আমি সেটা কাজে লাগাতে পারব। দল আমার কাছ থেকে তেমনটাই প্রত্যাশা করেছিল। এমনকি নেটের অনুশীলনেও আমি নতুন বলে ব্যাটিং অনুশীলন করতাম। তাই এটা আমার কাছে নতুন কোনো অভিজ্ঞতা নয়। ওপেনিংয়ে ব্যাট করা আমার জন্য দারুণ একটি সুযোগ। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য এবং আগে যেটি করিনি সেটির জন্য আমাকে বিবেচনা করার জন্যও আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’তিনি বলেন, ‘আমার কাজ হচ্ছে নিয়ম মেনে খেলা। সেটা এখন করতে পারছি। বলা উচিত, এটাই এখন আমার মূল শক্তির জায়গা। এটাই দলের প্রত্যাশা আমার কাছে। সেই প্রত্যাশা মেটাতে পারায় তৃপ্ত আমি।’

ফরম্যাটটা টেস্ট হলেও অবশ্য আগ্রাসন কম দেখাননি রোহিত। তিনি এক টেস্টে ১৩টি ছক্কা হাঁকিয়ে রীতিমতো নতুন রেকর্ডই গড়েছেন। বললেন, ‘লাল, নাকি সাদা, আপনি কোন বলে খেলছেন সেটি বিষয় নয়। শুরুতে আপনাকে সাবধান থাকতে হবে। মূল ক্রিকেট খেলাটার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। বাইরের বল ছেড়ে দিতে হবে, কাছের বলগুলোকে খেলতে হবে। মূল ব্যাপারটা হলো পরিস্থিতি বিবেচনা করে খেলতে হবে। সতর্কতার সঙ্গে আগ্রাসী ব্যাটিংই আমার মূলমন্ত্র। আমি ব্যাটিংটা উপভোগ করেছি। আমার কাজ ছিল, দলকে ভালো একটা জায়গায় পৌঁছে দেওয়া, আর সেটা যত দ্রুত সম্ভব। সবকিছু পরিকল্পনা মাফিকই করতে পেরেছি।’

রোহিত শর্মা মনে করছেন ভাগ্যের সহায়তাও তিনি পেয়েছেন। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করাটাই যেখানে কঠিন ব্যাপার সেখানে মাত্র ১৪৯ বল ক্রিজে থেকে ১২৭ রান করেছেন তিনি। বললেন, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে আমি চেষ্টা করেছি বেশি শট খেলতে। কিছু কিছু ডেলিভারি সহজেই ব্যাটে এসেছে, আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটে আসেনি। এ সময় বোলাররাও কিছুটা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়ও দিয়েছে। আমাকে আটকাটে চেষ্টা করেছে। তবে আমি নিজেকে বুঝিয়েছি। ভাগ্যও আমার সঙ্গে ছিল। আর এটা আমাকে সাহসী করেছে।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯
১৩ বার পঠিত হয়েছে

নিয়ম মেনে সফল রোহিত

আপডেট এর সময় : ০১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯

টেস্ট দলে জায়গাটাও নিশ্চিত ছিল না তার। অথচ, সেই রোহিত শর্মাই বিশাখাপত্তনম টেস্টের নায়ক। দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করে এক গাদা রেকর্ডে নাম বসিয়েছেন তিনি। এই অনন্য সাফল্যের রহস্যটা কী? রোহিত মনে করছেন নিয়ম মেনে খেলাই তাকে সাদা বলের মতো লাল বলের ক্রিকেটেরও সাফল্য দিচ্ছে।

টেস্টের ওপেনিং পজিশনে অনেকদিন হলো ভারতের একাদশে রীতিমতো মিউজিক্যাল চেয়ার চলছে। রোহিতের আগে টেস্ট ওপেনিংয়ের অভিজ্ঞতা ছিল সামান্যই। আর তাতে সাফল্যও ছিল হাতে গোনা। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম সুযোগ পেলে আমি সেটা কাজে লাগাতে পারব। দল আমার কাছ থেকে তেমনটাই প্রত্যাশা করেছিল। এমনকি নেটের অনুশীলনেও আমি নতুন বলে ব্যাটিং অনুশীলন করতাম। তাই এটা আমার কাছে নতুন কোনো অভিজ্ঞতা নয়। ওপেনিংয়ে ব্যাট করা আমার জন্য দারুণ একটি সুযোগ। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য এবং আগে যেটি করিনি সেটির জন্য আমাকে বিবেচনা করার জন্যও আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’তিনি বলেন, ‘আমার কাজ হচ্ছে নিয়ম মেনে খেলা। সেটা এখন করতে পারছি। বলা উচিত, এটাই এখন আমার মূল শক্তির জায়গা। এটাই দলের প্রত্যাশা আমার কাছে। সেই প্রত্যাশা মেটাতে পারায় তৃপ্ত আমি।’

ফরম্যাটটা টেস্ট হলেও অবশ্য আগ্রাসন কম দেখাননি রোহিত। তিনি এক টেস্টে ১৩টি ছক্কা হাঁকিয়ে রীতিমতো নতুন রেকর্ডই গড়েছেন। বললেন, ‘লাল, নাকি সাদা, আপনি কোন বলে খেলছেন সেটি বিষয় নয়। শুরুতে আপনাকে সাবধান থাকতে হবে। মূল ক্রিকেট খেলাটার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। বাইরের বল ছেড়ে দিতে হবে, কাছের বলগুলোকে খেলতে হবে। মূল ব্যাপারটা হলো পরিস্থিতি বিবেচনা করে খেলতে হবে। সতর্কতার সঙ্গে আগ্রাসী ব্যাটিংই আমার মূলমন্ত্র। আমি ব্যাটিংটা উপভোগ করেছি। আমার কাজ ছিল, দলকে ভালো একটা জায়গায় পৌঁছে দেওয়া, আর সেটা যত দ্রুত সম্ভব। সবকিছু পরিকল্পনা মাফিকই করতে পেরেছি।’

রোহিত শর্মা মনে করছেন ভাগ্যের সহায়তাও তিনি পেয়েছেন। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করাটাই যেখানে কঠিন ব্যাপার সেখানে মাত্র ১৪৯ বল ক্রিজে থেকে ১২৭ রান করেছেন তিনি। বললেন, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে আমি চেষ্টা করেছি বেশি শট খেলতে। কিছু কিছু ডেলিভারি সহজেই ব্যাটে এসেছে, আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটে আসেনি। এ সময় বোলাররাও কিছুটা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়ও দিয়েছে। আমাকে আটকাটে চেষ্টা করেছে। তবে আমি নিজেকে বুঝিয়েছি। ভাগ্যও আমার সঙ্গে ছিল। আর এটা আমাকে সাহসী করেছে।’