ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

ইংল্যান্ড ছাড়ছেন অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার

প্রতিনিধির নাম :

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেটের (ইসিবি) সঙ্গে ১২ বছরের বন্ধন ছিন্ন করতে চলেছেন জিম্বাবুয়ের কিংবদন্তি অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। লম্বা এই সময়ে প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়াও বোর্ডের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি।

গেল ২০০৭ সালে পিটার মুরসের অধীনে প্রথম সহকারী কোচের দায়িত্ব নেন ফ্লাওয়ার। জায়গা নেন ম্যাথু মেয়নার্ডের। এরপর মুরস চলে যাওয়ার পর ফ্লাওয়ার ২০০৯ সালের ইংলিশদের প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০১৪ থেকে তিনি ইংল্যান্ড লায়ন্সের কোচ।

এই এক যুগে অনেকবারই শীর্ষ ক্রিকেটীয় দেশ থেকে কোচ হওয়ার জন্য ফ্লাওয়ারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কোনোবারই সেই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া তিনি দেননি। বাংলাদেশের কোচ হওয়ার জন্যও অনেকবারই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেনদরবার করেছেন। কোনোবারই কোনো লাভ হয়নি।

কোচ হিসেবে তার সময়ে ২৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গিয়ে অ্যাশেজ জিতে ইংলিশরা। আর দেশের মাটিতেও অ্যাশেজে নিজেদের জাত চিনিয়ে দেয় ইংল্যান্ড দল। ২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে। ২০১১ সালে ভারতকে হারিয়ে ওঠে টেস্ট র্যাংকিংয়ের চূড়ায়। ২০১২-১৩ মৌসুমে লম্বা সময় বিরতি দিয়ে প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে গিয়ে টেস্ট সিরিজ জিতে আসে ফ্লাওয়ারের শিষ্যরা।

৫১ বছর বয়সি ফ্লাওয়ার অবশ্য ইসিবি ছাড়ার পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণের কথা বলেননি। আসন্ন গন্তব্যের ব্যাপারেও কোনো কিছু খোলাসা করেনি। তিনি বিদায়বেলায় বলেন, ‘যখন মানুষ আপনার ওপর ভরসা করেন, তখন সেটা আকাশসমান আত্মবিশ্বাস যোগায়। ইংল্যান্ডের এই ব্যাপারটা আমি সব সময় মনে রাখব। আমি লম্বা সময় কাজ করেছি দুই অধিনায়ক—অ্যালিস্টার কুক ও অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসের সঙ্গে। তাদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। এখানকার খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আমার জন্য ছিল বিরাট একটা সম্মানের ব্যাপার।’

ইংলিশ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় সময় হিসেবে ফ্লাওয়ার মানছেন অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অ্যাশেজ জয় করাকে। স্মরণ করলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের কথাও। বললেন, ‘২০১০-১১ মৌসুমে অ্যাশেজ জয়ের স্মৃতি কখনো ভোলার নয়। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে জয়টা সব সময়ই কঠিন। এটা আমার কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। ভারতে গিয়ে ২০১২-১৩ মৌসুমে টেস্ট সিরিজ জয়টাকেও পিছিয়ে রাখব না। বড়োসব খেলোয়াড়দের বিপক্ষে এমন স্পিনিং কন্ডিশনে কাজটা সহজ ছিল না। ২০১০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা নিজেদের খেলাটা খেলেছি, স্বাধীনতা নিয়ে খেলেছি।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯
১৭ বার পঠিত হয়েছে

ইংল্যান্ড ছাড়ছেন অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার

আপডেট এর সময় : ১২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেটের (ইসিবি) সঙ্গে ১২ বছরের বন্ধন ছিন্ন করতে চলেছেন জিম্বাবুয়ের কিংবদন্তি অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। লম্বা এই সময়ে প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়াও বোর্ডের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি।

গেল ২০০৭ সালে পিটার মুরসের অধীনে প্রথম সহকারী কোচের দায়িত্ব নেন ফ্লাওয়ার। জায়গা নেন ম্যাথু মেয়নার্ডের। এরপর মুরস চলে যাওয়ার পর ফ্লাওয়ার ২০০৯ সালের ইংলিশদের প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০১৪ থেকে তিনি ইংল্যান্ড লায়ন্সের কোচ।

এই এক যুগে অনেকবারই শীর্ষ ক্রিকেটীয় দেশ থেকে কোচ হওয়ার জন্য ফ্লাওয়ারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কোনোবারই সেই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া তিনি দেননি। বাংলাদেশের কোচ হওয়ার জন্যও অনেকবারই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেনদরবার করেছেন। কোনোবারই কোনো লাভ হয়নি।

কোচ হিসেবে তার সময়ে ২৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গিয়ে অ্যাশেজ জিতে ইংলিশরা। আর দেশের মাটিতেও অ্যাশেজে নিজেদের জাত চিনিয়ে দেয় ইংল্যান্ড দল। ২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে। ২০১১ সালে ভারতকে হারিয়ে ওঠে টেস্ট র্যাংকিংয়ের চূড়ায়। ২০১২-১৩ মৌসুমে লম্বা সময় বিরতি দিয়ে প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে গিয়ে টেস্ট সিরিজ জিতে আসে ফ্লাওয়ারের শিষ্যরা।

৫১ বছর বয়সি ফ্লাওয়ার অবশ্য ইসিবি ছাড়ার পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণের কথা বলেননি। আসন্ন গন্তব্যের ব্যাপারেও কোনো কিছু খোলাসা করেনি। তিনি বিদায়বেলায় বলেন, ‘যখন মানুষ আপনার ওপর ভরসা করেন, তখন সেটা আকাশসমান আত্মবিশ্বাস যোগায়। ইংল্যান্ডের এই ব্যাপারটা আমি সব সময় মনে রাখব। আমি লম্বা সময় কাজ করেছি দুই অধিনায়ক—অ্যালিস্টার কুক ও অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসের সঙ্গে। তাদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। এখানকার খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আমার জন্য ছিল বিরাট একটা সম্মানের ব্যাপার।’

ইংলিশ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় সময় হিসেবে ফ্লাওয়ার মানছেন অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অ্যাশেজ জয় করাকে। স্মরণ করলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের কথাও। বললেন, ‘২০১০-১১ মৌসুমে অ্যাশেজ জয়ের স্মৃতি কখনো ভোলার নয়। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে জয়টা সব সময়ই কঠিন। এটা আমার কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। ভারতে গিয়ে ২০১২-১৩ মৌসুমে টেস্ট সিরিজ জয়টাকেও পিছিয়ে রাখব না। বড়োসব খেলোয়াড়দের বিপক্ষে এমন স্পিনিং কন্ডিশনে কাজটা সহজ ছিল না। ২০১০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা নিজেদের খেলাটা খেলেছি, স্বাধীনতা নিয়ে খেলেছি।’