ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম Logo ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল Logo স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

রোনালদো রেকর্ড করতে যান না, রেকর্ডই খুঁজে নেয় তাঁকে

প্রতিনিধির নাম :

মাইলফলক ছুঁয়েছেন কি না, এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল বেশ। সপ্তাহের শুরুতে লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে পর্তুগালের হয়ে ৯৪তম গোল করেছিলেন রোনালদো। তাতেই স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম খবর ছাপিয়ে দিয়েছিল, ৭০০ গোলের মাইলফলক ধরে ফেলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু অন্যদের হিসাবে সেটা ৬৯৯। গোল করাকে সবচেয়ে সহজ কাজ বানিয়ে ফেলা রোনালদোই-বা কেন এ আলোচনা চলতে দেবেন? গতকাল ইউক্রেনের বিপক্ষেই আরেকটি গোল করে সব প্রশ্নের মীমাংসা করে দিলেন রোনালদো।

পেনাল্টি থেকে করা গোলে ইউক্রেনের বিপক্ষে হার ঠেকাতে পারেননি রোনালদো। ২-১ গোলের এ হারে বাছাইপর্বে গ্রুপে দুইয়েই রইল পর্তুগাল। দেশের পক্ষে ৯৫ গোল করা রোনালদো তাই মাইলফলক ছুঁয়েও অতৃপ্ত। ম্যাচ শেষে অন্তত সেটাই জানালেন সাংবাদিকদের, ‘সবাই এ মাইলফলক ছুঁতে পারে না। সতীর্থ, কোচ—যারা আমাকে এ পর্যায়ে আনতে সাহায্য করেছে সবাইকে ধন্যবাদ। আমি হতাশ যে আজ জয় পাইনি, কিন্তু দল নিয়ে গর্বিত।’

মাইলফলকের কথাতেও রোনালদোর কথায় খুব একটা আনন্দ টের পাওয়া যায়নি, ‘আমার কতগুলো রেকর্ড আছে? আমি জানিও না। আপাতত এ সময়টুকু উপভোগ করছি এবং যারা এ মাইলফলক ছোঁয়ায় সাহায্য করেছে তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। এ মাঠে সর্বশেষ যখন খেলেছিলাম (২০১৮), চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল, সুন্দর এক স্মৃতি। আজও ভালো খেলেছি কিন্তু জেতা হয়নি। রেকর্ড স্বাভাবিক ভাবেই আসে। আমি তাদের খোঁজে যাই না, রেকর্ডই আমার খোঁজ করে। এ নিয়ে আমার মধ্যে কোনো বাড়াবাড়ি নেই, এমনিতেই রেকর্ড হয়।’

এ ম্যাচের আগে রোনালদোর মাইলফলক হওয়া না হওয়ার তর্কে পেছনে অবদান রেখেছে ২০১০ সালে রিয়াল সোসিয়েদাদের মাঠে একটি গোল। সে ম্যাচে রোনালদোর ফ্রি-কিক মানবদেয়ালে দাঁড়ানো সতীর্থ পেপের পিঠে লেগে বাঁক বদলে ঢোকে জালে। রিয়াল মাদ্রিদ ও মার্কা সেটিকে রোনালদোর গোল হিসেবেই ধরে। কিন্তু বলটা পেপের পিঠে লেগে দিক বদলানোয় রেফারির আনুষ্ঠানিক ম্যাচ প্রতিবেদনে সেটিকে পেপের গোলই ধরা হয়। সে কারণেই রিয়াল মাদ্রিদের ওয়েবসাইট ও মার্কার হিসাব অনুযায়ী, রিয়ালে রোনালদোর গোল ৪৫১টি, অন্যদের হিসাবে ৪৫০। সে কারণে গতকালের আগে রোনালদোর ৬৯৯ নাকি ৭০০ তা নিয়ে তর্ক হচ্ছিল।

এ নিয়ে পর্তুগালের জার্সিতে রোনালদোর গোল হলো ৯৫টি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের আলি দাইয়ির গড়া সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (১০৯) পেরোনোর আগে সম্ভবত থামছেন না রোনালদো!

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯
১৮ বার পঠিত হয়েছে

রোনালদো রেকর্ড করতে যান না, রেকর্ডই খুঁজে নেয় তাঁকে

আপডেট এর সময় : ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

মাইলফলক ছুঁয়েছেন কি না, এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল বেশ। সপ্তাহের শুরুতে লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে পর্তুগালের হয়ে ৯৪তম গোল করেছিলেন রোনালদো। তাতেই স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম খবর ছাপিয়ে দিয়েছিল, ৭০০ গোলের মাইলফলক ধরে ফেলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু অন্যদের হিসাবে সেটা ৬৯৯। গোল করাকে সবচেয়ে সহজ কাজ বানিয়ে ফেলা রোনালদোই-বা কেন এ আলোচনা চলতে দেবেন? গতকাল ইউক্রেনের বিপক্ষেই আরেকটি গোল করে সব প্রশ্নের মীমাংসা করে দিলেন রোনালদো।

পেনাল্টি থেকে করা গোলে ইউক্রেনের বিপক্ষে হার ঠেকাতে পারেননি রোনালদো। ২-১ গোলের এ হারে বাছাইপর্বে গ্রুপে দুইয়েই রইল পর্তুগাল। দেশের পক্ষে ৯৫ গোল করা রোনালদো তাই মাইলফলক ছুঁয়েও অতৃপ্ত। ম্যাচ শেষে অন্তত সেটাই জানালেন সাংবাদিকদের, ‘সবাই এ মাইলফলক ছুঁতে পারে না। সতীর্থ, কোচ—যারা আমাকে এ পর্যায়ে আনতে সাহায্য করেছে সবাইকে ধন্যবাদ। আমি হতাশ যে আজ জয় পাইনি, কিন্তু দল নিয়ে গর্বিত।’

মাইলফলকের কথাতেও রোনালদোর কথায় খুব একটা আনন্দ টের পাওয়া যায়নি, ‘আমার কতগুলো রেকর্ড আছে? আমি জানিও না। আপাতত এ সময়টুকু উপভোগ করছি এবং যারা এ মাইলফলক ছোঁয়ায় সাহায্য করেছে তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। এ মাঠে সর্বশেষ যখন খেলেছিলাম (২০১৮), চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল, সুন্দর এক স্মৃতি। আজও ভালো খেলেছি কিন্তু জেতা হয়নি। রেকর্ড স্বাভাবিক ভাবেই আসে। আমি তাদের খোঁজে যাই না, রেকর্ডই আমার খোঁজ করে। এ নিয়ে আমার মধ্যে কোনো বাড়াবাড়ি নেই, এমনিতেই রেকর্ড হয়।’

এ ম্যাচের আগে রোনালদোর মাইলফলক হওয়া না হওয়ার তর্কে পেছনে অবদান রেখেছে ২০১০ সালে রিয়াল সোসিয়েদাদের মাঠে একটি গোল। সে ম্যাচে রোনালদোর ফ্রি-কিক মানবদেয়ালে দাঁড়ানো সতীর্থ পেপের পিঠে লেগে বাঁক বদলে ঢোকে জালে। রিয়াল মাদ্রিদ ও মার্কা সেটিকে রোনালদোর গোল হিসেবেই ধরে। কিন্তু বলটা পেপের পিঠে লেগে দিক বদলানোয় রেফারির আনুষ্ঠানিক ম্যাচ প্রতিবেদনে সেটিকে পেপের গোলই ধরা হয়। সে কারণেই রিয়াল মাদ্রিদের ওয়েবসাইট ও মার্কার হিসাব অনুযায়ী, রিয়ালে রোনালদোর গোল ৪৫১টি, অন্যদের হিসাবে ৪৫০। সে কারণে গতকালের আগে রোনালদোর ৬৯৯ নাকি ৭০০ তা নিয়ে তর্ক হচ্ছিল।

এ নিয়ে পর্তুগালের জার্সিতে রোনালদোর গোল হলো ৯৫টি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের আলি দাইয়ির গড়া সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (১০৯) পেরোনোর আগে সম্ভবত থামছেন না রোনালদো!