ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রতিনিধির নাম :

গত ২৯ আগস্ট অনলাইল পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত “ইউপি চেয়ারম্যানের বেতনভোগী ক্যাডার বাহিনী!” এবং গত ২৩ অক্টোবর দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় প্রকাশিত ” উনি এখন আশুলিয়ার রাজা” শীর্ষক সংবাদে চরম মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে দৈনিক মানবজমিন ও বাংলা ট্রিবিউনের মিথ্যাচারিতা হতভম্ব হওয়ার মতো। মানবজমিন ও বাংলা ট্রিবিউনের সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “হত্যা, ছিনতাই, চাঁদা আদায়, মাদক ব্যবসায় জড়িত চিহ্নিত ৩০ থেকে ৩৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে একটি বেতনভোগী বাহিনী গঠনের অভিযোগ উঠেছে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যান এই বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে মহাসড়কে চলাচলরত গণপরিবহনে চাঁদা আদায়, জমি দখল, পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখল, ডিশ ব্যবসা দখল, সরকারি খালের জমি দখল করে বিক্রি করে দেওয়া ও চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকা- ঘটিয়ে থাকেন “।
প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেদন দু’টির তথ্য অনুযায়ী চাঁদা আদায়, জমি দখল, পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখল, ডিশ ব্যবসা দখল, সরকারি খালের জমি দখল করে বিক্রি করে দেওয়াসহ বেতনভোগী ক্যাডার বাহিনী থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এর মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার জনপ্রিয়তা বিনষ্ট করাসহ তাঁকে মানুষের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, এই প্রতিবেদন নির্জলা মিথ্যাচার এবং আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি মানবজমিন ও বাংলা ট্রিবিউনের ভিত্তিহীন ওই প্রতিবেদন দুটিএ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯
২১ বার পঠিত হয়েছে

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

আপডেট এর সময় : ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯

গত ২৯ আগস্ট অনলাইল পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত “ইউপি চেয়ারম্যানের বেতনভোগী ক্যাডার বাহিনী!” এবং গত ২৩ অক্টোবর দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় প্রকাশিত ” উনি এখন আশুলিয়ার রাজা” শীর্ষক সংবাদে চরম মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে দৈনিক মানবজমিন ও বাংলা ট্রিবিউনের মিথ্যাচারিতা হতভম্ব হওয়ার মতো। মানবজমিন ও বাংলা ট্রিবিউনের সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “হত্যা, ছিনতাই, চাঁদা আদায়, মাদক ব্যবসায় জড়িত চিহ্নিত ৩০ থেকে ৩৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে একটি বেতনভোগী বাহিনী গঠনের অভিযোগ উঠেছে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যান এই বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে মহাসড়কে চলাচলরত গণপরিবহনে চাঁদা আদায়, জমি দখল, পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখল, ডিশ ব্যবসা দখল, সরকারি খালের জমি দখল করে বিক্রি করে দেওয়া ও চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকা- ঘটিয়ে থাকেন “।
প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেদন দু’টির তথ্য অনুযায়ী চাঁদা আদায়, জমি দখল, পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখল, ডিশ ব্যবসা দখল, সরকারি খালের জমি দখল করে বিক্রি করে দেওয়াসহ বেতনভোগী ক্যাডার বাহিনী থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এর মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার জনপ্রিয়তা বিনষ্ট করাসহ তাঁকে মানুষের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, এই প্রতিবেদন নির্জলা মিথ্যাচার এবং আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি মানবজমিন ও বাংলা ট্রিবিউনের ভিত্তিহীন ওই প্রতিবেদন দুটিএ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।