ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া Logo সাতক্ষীরার কুড়িকাহুনিয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন; স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার কাজ শুরু Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের পর বেঁচে যাওয়া মানুষের সংগ্রাম

স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ শ্বশুরবাড়িতে পাঠালেন স্বামী

প্রতিনিধির নাম :

স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। চট্রগ্রামের পাহাড়তলী থানার হালিশহরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপাইর গ্রামে বাবার বাড়িতে ওই নারীর লাশ এসে পৌঁছায়।

নিহতের নাম মারজিয়া আক্তার লিপি (৩৪)। তিনি চুপাইর গ্রামের সরকার বাড়ির মৃত আব্দুল আজিজের মেয়ে। তিনি স্বামীর সঙ্গে পাহাড়তলীর হালিশহরে থাকতেন। এ ঘটনার পর থেকে লিপির স্বামী মোশারফ হোসেন সরকার পলাতক রয়েছে।

মোশারফ হোসেন সরকার একই গ্রামের হাসিমুদ্দিন সরকারের ছেলে। মোশারফ স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে চট্রগ্রামের হালিশহরে ভাড়া বাসায় থাকতো। সেখানে সে ঠিকাদারি কাজ করে।

স্বজনরা জানান, লিপির সঙ্গে ২০ বছর আগে বিয়ে হয় মোশারফের। তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাতে বাসায় লিপিকে পিটিয়ে হত্যা করে মোশারফ। এরপর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

লিপির মা রহিমা বেগম বলেন, ‘চট্রগ্রাম থেকে লিপির প্রতিবেশিরা ফোন করে তাদের জানিয়েছেন, লিপিকে হত্যা করে মোশারফ পালিয়ে গেছে।’

রহিমা বেগম আরও জানান, বিয়ের এক বছর পর থেকেই যৌতুকের জন্য মোশারফ তার মেয়েকে চাপ দিয়ে আসছিল। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার লিপিকে মারধর করেছেন মোশারফ। তিন বছর আগে মোশারফ পিটিয়ে লিপির বাম চোখ নষ্ট করে দেয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মিজানুর হক জানান, খবর পেয়ে বুধবার সকালে কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম নিহতের বাড়িতে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরো জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগ, লিপির স্বামী হত্যা করে লাশ বাড়িতে পাঠিয়েছে। হত্যার অভিযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত পাহাড়তলী থানায় পাঠানো হচ্ছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৯
১৬ বার পঠিত হয়েছে

স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ শ্বশুরবাড়িতে পাঠালেন স্বামী

আপডেট এর সময় : ১২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৯

স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। চট্রগ্রামের পাহাড়তলী থানার হালিশহরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপাইর গ্রামে বাবার বাড়িতে ওই নারীর লাশ এসে পৌঁছায়।

নিহতের নাম মারজিয়া আক্তার লিপি (৩৪)। তিনি চুপাইর গ্রামের সরকার বাড়ির মৃত আব্দুল আজিজের মেয়ে। তিনি স্বামীর সঙ্গে পাহাড়তলীর হালিশহরে থাকতেন। এ ঘটনার পর থেকে লিপির স্বামী মোশারফ হোসেন সরকার পলাতক রয়েছে।

মোশারফ হোসেন সরকার একই গ্রামের হাসিমুদ্দিন সরকারের ছেলে। মোশারফ স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে চট্রগ্রামের হালিশহরে ভাড়া বাসায় থাকতো। সেখানে সে ঠিকাদারি কাজ করে।

স্বজনরা জানান, লিপির সঙ্গে ২০ বছর আগে বিয়ে হয় মোশারফের। তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাতে বাসায় লিপিকে পিটিয়ে হত্যা করে মোশারফ। এরপর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

লিপির মা রহিমা বেগম বলেন, ‘চট্রগ্রাম থেকে লিপির প্রতিবেশিরা ফোন করে তাদের জানিয়েছেন, লিপিকে হত্যা করে মোশারফ পালিয়ে গেছে।’

রহিমা বেগম আরও জানান, বিয়ের এক বছর পর থেকেই যৌতুকের জন্য মোশারফ তার মেয়েকে চাপ দিয়ে আসছিল। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার লিপিকে মারধর করেছেন মোশারফ। তিন বছর আগে মোশারফ পিটিয়ে লিপির বাম চোখ নষ্ট করে দেয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মিজানুর হক জানান, খবর পেয়ে বুধবার সকালে কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম নিহতের বাড়িতে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরো জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগ, লিপির স্বামী হত্যা করে লাশ বাড়িতে পাঠিয়েছে। হত্যার অভিযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত পাহাড়তলী থানায় পাঠানো হচ্ছে।