ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

প্রকাশ্যে এলো সৃজিত-মিথিলার হানিমুনের ছবি

প্রতিনিধির নাম :
ডিসেম্বরের শুরুতেই বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিয়ের পরদিনেই দু’জনে উড়ে গিয়েছিলেন বরফে ঘেরা আল্পসের দেশে… সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। সেখানেই প্রণয়ে মজেছেন তারা। প্রকাশ্যে এলো তাদের মধুচন্দ্রিমার একগুচ্ছ নতুন ছবি।জেনেভার আকাশ কিন্তু বেশ পরিষ্কার। মেঘের চিহ্ন নেই। তাই আল্পসের সারিও মুখ লুকিয়ে থাকেনি। দূর থেকে দেখা যাচ্ছে সারি সারি বরফ-পাহাড়।বড়দিনের আর বেশি দিন বাকি নেই। রাস্তাঘাট সেজে উঠেছে আলোয়। ঠান্ডাও তো সেখানে বারোমাস। কালো লং জ্যাকেটে জেনেভার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন মিথিলা, সঙ্গে বর সৃজিত।

এদিকে আবার সৃজিত ছবি তুলেছেন এই রাজহাঁসের সঙ্গে। ইনস্টাগ্রামে সেই ছবি শেয়ার করেছেন পরিচালক। ক্যাপশনের দিকে নজর পড়লে হাসি চেপে রাখতে পারবেন না আপনি। সৃজিত লিখেছেন, ‘হাঁস ট্যাগড’। রাস্তায় সাজানো রয়েছে দাবার গুটি। পেছনে আবার ছোট ছোট তাঁবু। রাস্তাঘাট ভিজে। এক পশলা বৃষ্টি কী হয়েছে খানিক আগেই? একে অপরের দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দু’জনে মজেছিলেন ভালোবাসায়। তবে মধুচন্দ্রিমাই যে একমাত্র উদ্দেশ্য নয় সে কথা জানা গিয়েছিল আগে। মিথিলা পিএইচডি করবেন জেনেভার বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই কাজকর্ম গোছাতেই যাওয়া সেখানে। ঘোরাও হবে, কাজও হবে। একান্তে সময়ও কাটানো যাবে বেশ কয়েকদিন। বিদেশ যাত্রার দিন ফ্লাইট থেকে বরফে ঢাকা আল্পসের ছবি শেয়ার করেছিলেন সৃজিত। দেখে মনে হবে শরতের মেঘ বুঝি! সে এক নৈসর্গিক দৃশ্য। সাধে কী আর সুইজারল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এত সুনাম! বউকে নাকি এই ছবিতে হ্যারি পটারের বন্ধু হারমাইনি গ্রেঞ্জারের মতো দেখতে লাগছে, অন্তত সৃজিতের দাবি কিন্তু এমনটি। শীতে যবুথুব। তবে ঘোরার বিরাম নেই। শহুরে ব্যস্ততায় আটকা পড়ে রয়েছে দু’জনেই। একটু সময় বার করেছেন কোনওভাবে। ফিরে এসেই তো আবার নেমে পড়তে হবে রোজকারের ছকবাঁধা রুটিনে। সবাইকে চমকে দিয়েই বছরের শেষ মাসের প্রথমে বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন ওরা। ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই। টলিউডের গুটিকয়েক মানুষকে দেখা গিয়েছিল সে অনুষ্ঠানে। ছিলেন দুই পরিবারের বাড়ির

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯
২০ বার পঠিত হয়েছে

প্রকাশ্যে এলো সৃজিত-মিথিলার হানিমুনের ছবি

আপডেট এর সময় : ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯
ডিসেম্বরের শুরুতেই বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিয়ের পরদিনেই দু’জনে উড়ে গিয়েছিলেন বরফে ঘেরা আল্পসের দেশে… সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। সেখানেই প্রণয়ে মজেছেন তারা। প্রকাশ্যে এলো তাদের মধুচন্দ্রিমার একগুচ্ছ নতুন ছবি।জেনেভার আকাশ কিন্তু বেশ পরিষ্কার। মেঘের চিহ্ন নেই। তাই আল্পসের সারিও মুখ লুকিয়ে থাকেনি। দূর থেকে দেখা যাচ্ছে সারি সারি বরফ-পাহাড়।বড়দিনের আর বেশি দিন বাকি নেই। রাস্তাঘাট সেজে উঠেছে আলোয়। ঠান্ডাও তো সেখানে বারোমাস। কালো লং জ্যাকেটে জেনেভার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন মিথিলা, সঙ্গে বর সৃজিত।

এদিকে আবার সৃজিত ছবি তুলেছেন এই রাজহাঁসের সঙ্গে। ইনস্টাগ্রামে সেই ছবি শেয়ার করেছেন পরিচালক। ক্যাপশনের দিকে নজর পড়লে হাসি চেপে রাখতে পারবেন না আপনি। সৃজিত লিখেছেন, ‘হাঁস ট্যাগড’। রাস্তায় সাজানো রয়েছে দাবার গুটি। পেছনে আবার ছোট ছোট তাঁবু। রাস্তাঘাট ভিজে। এক পশলা বৃষ্টি কী হয়েছে খানিক আগেই? একে অপরের দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দু’জনে মজেছিলেন ভালোবাসায়। তবে মধুচন্দ্রিমাই যে একমাত্র উদ্দেশ্য নয় সে কথা জানা গিয়েছিল আগে। মিথিলা পিএইচডি করবেন জেনেভার বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই কাজকর্ম গোছাতেই যাওয়া সেখানে। ঘোরাও হবে, কাজও হবে। একান্তে সময়ও কাটানো যাবে বেশ কয়েকদিন। বিদেশ যাত্রার দিন ফ্লাইট থেকে বরফে ঢাকা আল্পসের ছবি শেয়ার করেছিলেন সৃজিত। দেখে মনে হবে শরতের মেঘ বুঝি! সে এক নৈসর্গিক দৃশ্য। সাধে কী আর সুইজারল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এত সুনাম! বউকে নাকি এই ছবিতে হ্যারি পটারের বন্ধু হারমাইনি গ্রেঞ্জারের মতো দেখতে লাগছে, অন্তত সৃজিতের দাবি কিন্তু এমনটি। শীতে যবুথুব। তবে ঘোরার বিরাম নেই। শহুরে ব্যস্ততায় আটকা পড়ে রয়েছে দু’জনেই। একটু সময় বার করেছেন কোনওভাবে। ফিরে এসেই তো আবার নেমে পড়তে হবে রোজকারের ছকবাঁধা রুটিনে। সবাইকে চমকে দিয়েই বছরের শেষ মাসের প্রথমে বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন ওরা। ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই। টলিউডের গুটিকয়েক মানুষকে দেখা গিয়েছিল সে অনুষ্ঠানে। ছিলেন দুই পরিবারের বাড়ির