ঢাকা , শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের মিশন শেষ Logo ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া

বিক্ষোভের আশঙ্কায় যাতায়াতের রুট নিয়ে চিন্তায় মোদী

প্রতিনিধির নাম :

সাম্প্রতিক ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ছাড়াও একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চলছে বিক্ষোভ ও আন্দোলন। উত্তেজনার এই প্রহরে আগামীকাল শনিবার বিকেলে কলকাতা শহরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কলকাতায় মোদীর কর্মসূচি চলাকালীন বিক্ষোভের আশঙ্কার বিষয়টি নিয়ে রীতিমত চিন্তিত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)।

মোদীকে কালো পতাকাও দেখানো হতে পারে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে। সূত্র আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি) সে কারণে প্রধানমন্ত্রীর সফরের নানা বিকল্প পথ তৈরি রাখা হয়েছে । খবর আনন্দবাজার পত্রিকা

নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অফিসারেরা কয়েক দিন আগেই কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ‘রুট’ ঠিক করতে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক সেরেছেন তারা। সেই সব সম্ভাব্য কয়েকটি পথে বিক্ষোভের আশঙ্কাও রয়েছে। সে কারণে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথের মধ্যে নদীপথের কথাও ভাবা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকেই মিলেনিয়াম পার্ক এবং বেলুড় মঠের মধ্যে গঙ্গাবক্ষে চলছে নজরদারি। আঁটোসাঁটো করা হচ্ছে নিরাপত্তার বিষয়টি। কলকাতা পুলিশের অফিসারেরা ‘জেড স্কি’ নিয়ে টহল দিচ্ছেন। মিলেনিয়াম পার্কের অনুষ্ঠানের পর বেলুড় মঠে যদি প্রধানমন্ত্রী নদীপথে যান শনিবার, তা হলে ফেরি চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হবে। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে আবহাওয়ার উপরে।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ভিআইপি রোডে হয়ে বিবাদীবাগে আসতে পারেন তিনি। আবার বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্সে হেলিকপ্টারে চেপেও আসার সম্ভাবনা রয়েছে তার। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, সড়কপথে এলে যে কোনও জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে পারেন তিনি। ফলে, রাস্তার দু’ধারে কলকাতা এবং বিধাননগর পুলিশের কড়া নজরদারি থাকবে। বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ বিবাদীবাগ চত্বরে কারেন্সি বিল্ডিংয়ে পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে মিলেনিয়াম পার্কে হাওড়া সেতুর ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড’ শোর উদ্বোধন করবেন। তার মাঝেও বিক্ষোভের আশঙ্কা রয়েছে। এসপিজি ছাড়াও, কলকাতা পুলিশের কমান্ডো বাহিনী-সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও থাকবেন বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

রবিবার বেলা ১১টা নাগাদ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের একটি অনুষ্ঠানে তার উপস্থিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার পর প্রধানমন্ত্রী মোদী হেলিকপ্টারে করে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সড়কপথে যাওয়ার থেকে আকাশপথই বেশি নিরাপদ বলে মনে করছেন মোদীর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা এসপিজি। তবে, পরিস্থিতির উপর সব কিছু নির্ভর করবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০
১৯ বার পঠিত হয়েছে

বিক্ষোভের আশঙ্কায় যাতায়াতের রুট নিয়ে চিন্তায় মোদী

আপডেট এর সময় : ০১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০

সাম্প্রতিক ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ছাড়াও একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চলছে বিক্ষোভ ও আন্দোলন। উত্তেজনার এই প্রহরে আগামীকাল শনিবার বিকেলে কলকাতা শহরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কলকাতায় মোদীর কর্মসূচি চলাকালীন বিক্ষোভের আশঙ্কার বিষয়টি নিয়ে রীতিমত চিন্তিত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)।

মোদীকে কালো পতাকাও দেখানো হতে পারে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে। সূত্র আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি) সে কারণে প্রধানমন্ত্রীর সফরের নানা বিকল্প পথ তৈরি রাখা হয়েছে । খবর আনন্দবাজার পত্রিকা

নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অফিসারেরা কয়েক দিন আগেই কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ‘রুট’ ঠিক করতে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক সেরেছেন তারা। সেই সব সম্ভাব্য কয়েকটি পথে বিক্ষোভের আশঙ্কাও রয়েছে। সে কারণে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথের মধ্যে নদীপথের কথাও ভাবা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকেই মিলেনিয়াম পার্ক এবং বেলুড় মঠের মধ্যে গঙ্গাবক্ষে চলছে নজরদারি। আঁটোসাঁটো করা হচ্ছে নিরাপত্তার বিষয়টি। কলকাতা পুলিশের অফিসারেরা ‘জেড স্কি’ নিয়ে টহল দিচ্ছেন। মিলেনিয়াম পার্কের অনুষ্ঠানের পর বেলুড় মঠে যদি প্রধানমন্ত্রী নদীপথে যান শনিবার, তা হলে ফেরি চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হবে। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে আবহাওয়ার উপরে।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ভিআইপি রোডে হয়ে বিবাদীবাগে আসতে পারেন তিনি। আবার বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্সে হেলিকপ্টারে চেপেও আসার সম্ভাবনা রয়েছে তার। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, সড়কপথে এলে যে কোনও জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে পারেন তিনি। ফলে, রাস্তার দু’ধারে কলকাতা এবং বিধাননগর পুলিশের কড়া নজরদারি থাকবে। বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ বিবাদীবাগ চত্বরে কারেন্সি বিল্ডিংয়ে পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে মিলেনিয়াম পার্কে হাওড়া সেতুর ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড’ শোর উদ্বোধন করবেন। তার মাঝেও বিক্ষোভের আশঙ্কা রয়েছে। এসপিজি ছাড়াও, কলকাতা পুলিশের কমান্ডো বাহিনী-সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও থাকবেন বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

রবিবার বেলা ১১টা নাগাদ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের একটি অনুষ্ঠানে তার উপস্থিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার পর প্রধানমন্ত্রী মোদী হেলিকপ্টারে করে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সড়কপথে যাওয়ার থেকে আকাশপথই বেশি নিরাপদ বলে মনে করছেন মোদীর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা এসপিজি। তবে, পরিস্থিতির উপর সব কিছু নির্ভর করবে।