ঢাকা , শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের মিশন শেষ Logo ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া

বেজোসের ফোন হ্যাকের নেপথ্যে

প্রতিনিধির নাম :

আমাজনের প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোসের মোবাইল ফোন হ্যাকড হওয়ার পেছনে ইসরাইলের এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যারকে দায়ী করা হচ্ছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। হোয়াটসঅ্যাপ থেকে এ ঘটনা ঘটলেও তার দায় নিচ্ছে না ফেসবুক। মুখ বুজে রয়েছে অ্যাপলও। তাহলে কী রহস্য লুকিয়ে আছে বেজোসের আইফোন হ্যাক ঘিরে?

২০১৮ সালে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পান বেজোস। এর পরই তার মুঠোফোন হ্যাকড হয়। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের ফলাফল মতে, যুবরাজ বিন সালমানের ব্যক্তিগত নম্বর থেকে সুরক্ষিত বার্তার সঙ্গে একটি ক্ষতিকারক ফাইল যুক্ত ছিল। ঐ ফাইল খোলার পর ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর মালিক বেজোসের ফোনে অনুপ্রবেশ করে ম্যালওয়্যার।

মুঠোফোন হ্যাকড হওয়ার পর বেজোস তা তদন্তের জন্য বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এফটিআই কনসাল্টিংকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ঐ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইসরাইলের এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস-৩ ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে বেজোসের ফোন হ্যাকড করা হয়েছে।

এনএসও গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বেজোসের ফোন হ্যাকিংয়ের ঘটনায় তাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি।

কে হ্যাক করল বেজোসের ফোন?

অভিযোগ উঠেছে, হোয়াটসঅ্যাপে ২০১৮ সালের ১ মে ঐ ক্ষতিকর এমপি ফোর ভিডিও ফাইলটি পাঠানো হয় সালমানের অ্যাকাউন্ট থেকে। এরপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেজোসের ফোন থেকে বিপুল তথ্য চুরি হয়। বেজোসের মুঠোফোন হ্যাকিংয়ের ঘটনায় যুবরাজ বিন সালমানের নাম আসার পর বিষয়টি নিয়ে টুইট করে ওয়াশিংটনে সৌদি আরবের দূতাবাস। টুইটে বলা হয়, ‘সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জেফ বেজোসের মুঠোফোন হ্যাকের পেছনে রয়েছে সৌদি আরব। এই খবর পুরোপুরি বানোয়াট।’

সৌদি যুবরাজও বলেন, ‘জেফ আপনি যা শুনেছেন বা আপনাকে যা বলা হচ্ছে, তা সত্য নয়। সত্যটা কী আপনি জানেন, আপনার বা আমাজনের বিরুদ্ধে আমার বা সৌদি আরবের পক্ষ থেকে কিছু করা হয়নি।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০
২১ বার পঠিত হয়েছে

বেজোসের ফোন হ্যাকের নেপথ্যে

আপডেট এর সময় : ১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০

আমাজনের প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোসের মোবাইল ফোন হ্যাকড হওয়ার পেছনে ইসরাইলের এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যারকে দায়ী করা হচ্ছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। হোয়াটসঅ্যাপ থেকে এ ঘটনা ঘটলেও তার দায় নিচ্ছে না ফেসবুক। মুখ বুজে রয়েছে অ্যাপলও। তাহলে কী রহস্য লুকিয়ে আছে বেজোসের আইফোন হ্যাক ঘিরে?

২০১৮ সালে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পান বেজোস। এর পরই তার মুঠোফোন হ্যাকড হয়। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের ফলাফল মতে, যুবরাজ বিন সালমানের ব্যক্তিগত নম্বর থেকে সুরক্ষিত বার্তার সঙ্গে একটি ক্ষতিকারক ফাইল যুক্ত ছিল। ঐ ফাইল খোলার পর ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর মালিক বেজোসের ফোনে অনুপ্রবেশ করে ম্যালওয়্যার।

মুঠোফোন হ্যাকড হওয়ার পর বেজোস তা তদন্তের জন্য বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এফটিআই কনসাল্টিংকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ঐ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইসরাইলের এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস-৩ ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে বেজোসের ফোন হ্যাকড করা হয়েছে।

এনএসও গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বেজোসের ফোন হ্যাকিংয়ের ঘটনায় তাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি।

কে হ্যাক করল বেজোসের ফোন?

অভিযোগ উঠেছে, হোয়াটসঅ্যাপে ২০১৮ সালের ১ মে ঐ ক্ষতিকর এমপি ফোর ভিডিও ফাইলটি পাঠানো হয় সালমানের অ্যাকাউন্ট থেকে। এরপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেজোসের ফোন থেকে বিপুল তথ্য চুরি হয়। বেজোসের মুঠোফোন হ্যাকিংয়ের ঘটনায় যুবরাজ বিন সালমানের নাম আসার পর বিষয়টি নিয়ে টুইট করে ওয়াশিংটনে সৌদি আরবের দূতাবাস। টুইটে বলা হয়, ‘সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জেফ বেজোসের মুঠোফোন হ্যাকের পেছনে রয়েছে সৌদি আরব। এই খবর পুরোপুরি বানোয়াট।’

সৌদি যুবরাজও বলেন, ‘জেফ আপনি যা শুনেছেন বা আপনাকে যা বলা হচ্ছে, তা সত্য নয়। সত্যটা কী আপনি জানেন, আপনার বা আমাজনের বিরুদ্ধে আমার বা সৌদি আরবের পক্ষ থেকে কিছু করা হয়নি।’