ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টানা দ্বিতীয় দিনে আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া Logo টাইফুন নউল চীনের দিকে ধেয়ে আসায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Logo ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও

নয়শ বছর পর দ্বিমুখী তারিখ দেখল বিশ্ব

প্রতিনিধির নাম :

নয়শ বছর পর আজ একটি বিরল প্যালিনড্রোম বা দ্বিমুখী সংখ্যা (০২ ০২ ২০২০) দেখল বিশ্ব। রবিবার ২ ফেব্রুয়ারি এ তারিখটি আন্তর্জাতিক প্যালিনড্রোম। আজকের তারিখটি ‘মাস / দিন / বছর’ বা ‘দিন / মাস / বছর’ হিসাবে লেখেন না কেন এটি কার্যকর হয় যেকোনো বিপরীত দিক থেকে। এই জাতীয় তারিখগুলোকে ‘সর্বব্যাপী প্যালিনড্রোমস’ বলে। এমন আরেকটি প্যালিনড্রোমস পেতে অপেক্ষা করতে হবে এক শতাব্দীরও বেশি সময়। অর্থাৎ ১০১ বছর পর দেখা মিলবে ৩ মার্চ, ৩০৩০ (০৩ ০৩ ৩০৩০)। এই জাতীয় প্যালিনড্রোমের শেষ তারিখটি ছিল ১১-১১-১১১১। যেটি ঘটে ছিল ৯০০ বছর আগে। প্যালিনড্রোম কি? ‘প্যালিনড্রোম হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দ আর সংখ্যা যার আরম্ভ বা শেষ দুদিক থেকেই পড়লে শব্দের উচ্চারণ আর অর্থের কোনো বদল হয় না; বা সংখ্যার মান একই থাকে (সংখ্যার ক্ষেত্রে)। মূল গ্রিক শব্দ প্যালিনড্রোমাস (অর্থ: রানিং ব্যাক এগেইন) থেকে ইংরেজি প্যালিনড্রোম শব্দটি এসেছে καρκινικός থেকে। বাংলা ভাষায় একে দ্বিমুখী শব্দ বা সংখ্যা বলা যায়।’ পেলিনড্রোমিস্ট কারা? এধরনের দ্বিমুখী শব্দ বা বাক্য সাজাতে যারা দক্ষ তাদের ‘পেলিনড্রোমিস্ট’ বলা হয়। প্যালিনড্রোমিক লেখা প্রাচীন ‘কিরাতার্জুনীয়’ কাব্যের বহু অনুচ্ছেদে দেখা যায়। এমনই একটি অনুচ্ছেদ হলো- “সারস নয়না ঘন অঘ নারচিত রতার কলিক হর সার রসাসার রসাহর কলিকর তারত চিরনাঘ অনঘ নায়ন সরসা”। চতুর্দশ শতকে দৈবজ্ঞ সূর্য পণ্ডিতের লেখা ‘রামকৃষ্ণ বিলোম কাব্যম’ নামে ৪০টি শ্লোকের যে বিখ্যাত কবিতা রয়েছে তার রচনাশৈলীও অদ্ভুত। প্রতিটি শ্লোকই এক-একটি প্যালিনড্রোম। আরও পড়ুন: ঝরা পাতায় হাসিমুখ সালেহা মালেকাদের আবার কবিতাটি সামনে থেকে পড়লে রাম ও রামায়ণের কাহিনী আর পেছন থেকে পড়লে কৃষ্ণ ও মহাভারতের কাহিনী। যেমন ৩ নং শ্লোকে রয়েছে ‘তামসীত্যসতি সত্যসীমতা মায়য়াক্ষমসমক্ষয়ায়মা। মায়য়াক্ষমসমক্ষয়ায়মা তামসীত্যসতি সত্যসীমতা।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০
২১ বার পঠিত হয়েছে

নয়শ বছর পর দ্বিমুখী তারিখ দেখল বিশ্ব

আপডেট এর সময় : ০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

নয়শ বছর পর আজ একটি বিরল প্যালিনড্রোম বা দ্বিমুখী সংখ্যা (০২ ০২ ২০২০) দেখল বিশ্ব। রবিবার ২ ফেব্রুয়ারি এ তারিখটি আন্তর্জাতিক প্যালিনড্রোম। আজকের তারিখটি ‘মাস / দিন / বছর’ বা ‘দিন / মাস / বছর’ হিসাবে লেখেন না কেন এটি কার্যকর হয় যেকোনো বিপরীত দিক থেকে। এই জাতীয় তারিখগুলোকে ‘সর্বব্যাপী প্যালিনড্রোমস’ বলে। এমন আরেকটি প্যালিনড্রোমস পেতে অপেক্ষা করতে হবে এক শতাব্দীরও বেশি সময়। অর্থাৎ ১০১ বছর পর দেখা মিলবে ৩ মার্চ, ৩০৩০ (০৩ ০৩ ৩০৩০)। এই জাতীয় প্যালিনড্রোমের শেষ তারিখটি ছিল ১১-১১-১১১১। যেটি ঘটে ছিল ৯০০ বছর আগে। প্যালিনড্রোম কি? ‘প্যালিনড্রোম হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দ আর সংখ্যা যার আরম্ভ বা শেষ দুদিক থেকেই পড়লে শব্দের উচ্চারণ আর অর্থের কোনো বদল হয় না; বা সংখ্যার মান একই থাকে (সংখ্যার ক্ষেত্রে)। মূল গ্রিক শব্দ প্যালিনড্রোমাস (অর্থ: রানিং ব্যাক এগেইন) থেকে ইংরেজি প্যালিনড্রোম শব্দটি এসেছে καρκινικός থেকে। বাংলা ভাষায় একে দ্বিমুখী শব্দ বা সংখ্যা বলা যায়।’ পেলিনড্রোমিস্ট কারা? এধরনের দ্বিমুখী শব্দ বা বাক্য সাজাতে যারা দক্ষ তাদের ‘পেলিনড্রোমিস্ট’ বলা হয়। প্যালিনড্রোমিক লেখা প্রাচীন ‘কিরাতার্জুনীয়’ কাব্যের বহু অনুচ্ছেদে দেখা যায়। এমনই একটি অনুচ্ছেদ হলো- “সারস নয়না ঘন অঘ নারচিত রতার কলিক হর সার রসাসার রসাহর কলিকর তারত চিরনাঘ অনঘ নায়ন সরসা”। চতুর্দশ শতকে দৈবজ্ঞ সূর্য পণ্ডিতের লেখা ‘রামকৃষ্ণ বিলোম কাব্যম’ নামে ৪০টি শ্লোকের যে বিখ্যাত কবিতা রয়েছে তার রচনাশৈলীও অদ্ভুত। প্রতিটি শ্লোকই এক-একটি প্যালিনড্রোম। আরও পড়ুন: ঝরা পাতায় হাসিমুখ সালেহা মালেকাদের আবার কবিতাটি সামনে থেকে পড়লে রাম ও রামায়ণের কাহিনী আর পেছন থেকে পড়লে কৃষ্ণ ও মহাভারতের কাহিনী। যেমন ৩ নং শ্লোকে রয়েছে ‘তামসীত্যসতি সত্যসীমতা মায়য়াক্ষমসমক্ষয়ায়মা। মায়য়াক্ষমসমক্ষয়ায়মা তামসীত্যসতি সত্যসীমতা।’