ঢাকা , শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের মিশন শেষ Logo ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে ৯ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার Logo ইরানে সরকারবিরোধী ২ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর Logo মাগুরায় ৫০৭ কোটি টাকা ভুয়া বিদ্যুত বিল, জিএম বরখাস্ত, মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির Logo হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর Logo কোয়ার্টার ফাইনালে কাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া

‘‌যারা আইন লঙ্ঘন করে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোষ করা যাবে না’

প্রতিনিধির নাম :

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, আমাদের দেশে এখন বিচারহীনতার সংস্কৃতি চলছে। যারা আইন লঙ্ঘন করে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোষ করা যাবে না, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন। কিন্তু আমাদের দেশে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে যাদের ন্যয় বিচার দেওয়ার দায়িত্ব, যারা আইনের শাসন করার দায়িত্বে আছেন, তারা অনেক ক্ষেত্রে আপোষ করে প্রভাবশালী কিংবা প্রতাপশালীর কাছে। সেখানে দুর্বল মানুষকে অনেক ভয়ের মধ্যে থাকতে হয়। তাদেরকে অধিকারহীনতায় বাস করতে হয়। এটা দূর করতে হবে।

তিনি শুক্রবার সন্ধ্যায় রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল অডিটোরিয়ামে ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভলোপমেন্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত যুব সংসদের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

সুলতানা কামাল বলেন, বাংলাদেশের কাঠামোগত উন্নয়ন হলেও সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সে ধরনের উন্নয়ন হয়নি, মানবাধিকার চরমভাবে লুণ্ঠিত হচ্ছে। সে কারণে সরকারের কাছে মানুষ আর ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করে না। খুন গুম হলেও আর বিচারের জন্য প্রার্থিত হয় না। যেমন সাগর রুনির পরিবার বলেছে তারা আর বিচার আশা করেন না। মানুষ এখন কথা বলার সাহস পায় না।

সুলতানা কামাল বলেন, ভারত বারবার কথা দেওয়ার পরেও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করছে না এটা বড় উদ্বেগজনক। তারা রাবার বুলেট চালানোর কথা। কিন্তু সেটা করছে না। এ বিষয়ে সরকারের যথাযথ উদ্যোগ ও আমরা দেখছি না। মানুষের মানবাধিকার রক্ষা হচ্ছে না। মানুষের যদি মানবাধিকার রক্ষা না হয় তাহলে মানুষের মর্যাদা থাকে না। মানবাধিকার রক্ষা মানে স্বাধীন থাকা। রাজনৈতিক সদিচ্ছার মাধ্যমে সরকারকেই এই অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে হবে। এটা দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯ টায় রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে যুব সংসদের উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। যুব সংসদে সারাদেশ থেকে সরকারি দলের ১৮০ জন এবং বিরোধীদলের ১২০ জন সংসদ সদস্য নেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ধ্রুব তারার চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব ও শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড নাজমুল আহসান কলিমু উল্লাহ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবু সুফিয়ান, পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন আকবর। জাতীয় সংসদের অনুকরণে এই যুব সংসদ চলে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০
১৭ বার পঠিত হয়েছে

‘‌যারা আইন লঙ্ঘন করে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোষ করা যাবে না’

আপডেট এর সময় : ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, আমাদের দেশে এখন বিচারহীনতার সংস্কৃতি চলছে। যারা আইন লঙ্ঘন করে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোষ করা যাবে না, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন। কিন্তু আমাদের দেশে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে যাদের ন্যয় বিচার দেওয়ার দায়িত্ব, যারা আইনের শাসন করার দায়িত্বে আছেন, তারা অনেক ক্ষেত্রে আপোষ করে প্রভাবশালী কিংবা প্রতাপশালীর কাছে। সেখানে দুর্বল মানুষকে অনেক ভয়ের মধ্যে থাকতে হয়। তাদেরকে অধিকারহীনতায় বাস করতে হয়। এটা দূর করতে হবে।

তিনি শুক্রবার সন্ধ্যায় রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল অডিটোরিয়ামে ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভলোপমেন্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত যুব সংসদের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

সুলতানা কামাল বলেন, বাংলাদেশের কাঠামোগত উন্নয়ন হলেও সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সে ধরনের উন্নয়ন হয়নি, মানবাধিকার চরমভাবে লুণ্ঠিত হচ্ছে। সে কারণে সরকারের কাছে মানুষ আর ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করে না। খুন গুম হলেও আর বিচারের জন্য প্রার্থিত হয় না। যেমন সাগর রুনির পরিবার বলেছে তারা আর বিচার আশা করেন না। মানুষ এখন কথা বলার সাহস পায় না।

সুলতানা কামাল বলেন, ভারত বারবার কথা দেওয়ার পরেও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করছে না এটা বড় উদ্বেগজনক। তারা রাবার বুলেট চালানোর কথা। কিন্তু সেটা করছে না। এ বিষয়ে সরকারের যথাযথ উদ্যোগ ও আমরা দেখছি না। মানুষের মানবাধিকার রক্ষা হচ্ছে না। মানুষের যদি মানবাধিকার রক্ষা না হয় তাহলে মানুষের মর্যাদা থাকে না। মানবাধিকার রক্ষা মানে স্বাধীন থাকা। রাজনৈতিক সদিচ্ছার মাধ্যমে সরকারকেই এই অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে হবে। এটা দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯ টায় রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে যুব সংসদের উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। যুব সংসদে সারাদেশ থেকে সরকারি দলের ১৮০ জন এবং বিরোধীদলের ১২০ জন সংসদ সদস্য নেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ধ্রুব তারার চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব ও শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড নাজমুল আহসান কলিমু উল্লাহ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবু সুফিয়ান, পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন আকবর। জাতীয় সংসদের অনুকরণে এই যুব সংসদ চলে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।