ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে উৎসাহ দেবে পাকিস্তান Logo কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার Logo সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন Logo নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সমর্থন চেয়েছেন উপদেষ্টা তিতুমীর Logo বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ভীষণ হতাশ : বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের পর আক্ষেপ এমবাপ্পের Logo স্বাস্থ্যখাতের সংকটে অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে কিউবার মানুষ Logo ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি Logo দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার

ডিম কেন খাবেন

প্রতিনিধির নাম :
আমাদের রোজকার খাদ্য তালিকায় ডিম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। তবে কেউ কেউ ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে, রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাওয়া ভয়ে কিংবা হৃদরোগের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য ডিম খেতে চান না। কিন্তু এগুলো নিতান্তই ভুল ধারণা। ছোট্ট একটি ডিম নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আসুন জেনে নেই রোজ একটি ডিম খেলে কি কি উপকার পাওয়া যাবে।
ডিম-এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। ডিমের কেরোটিনয়েড, লুটেন ও জিয়েক্সেনথিন চোখের ছানি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।
ছোট্ট একটি ডিম হাজারো ভিটামিনে ভরা। এর ভিটামিন বি-১২ আমাদের গ্রহণকৃত খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে ভিটামিন ডি, যা পেশীকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। ডিমের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের নাস্তায় একটি ডিম খেলে সারাদিন আপনার ক্ষুধা কম হবে। তাই খাওয়াও হবে কম। গবেষণায় দেখা যায় শরীর থেকে দিনে প্রায় ৪০০ ক্যালরি কমাতে পারে সকালে একটি ডিম খাওয়াতে। একটি ডিমে রয়েছে ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন বা ৭০-৮৫ ক্যালরি। যা রোজকার প্রোটিন এর চাহিদার অনেকটা পূরণ করে।
ডিমে রয়েছে আয়রন, জিংক, ফসফরাস। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে ডিম কোলেস্টেরল বাড়ায় না। দিনে একটা ডিম খেলেও আপনার লিপিড প্রোফাইল কোনো প্রভাব পড়বে না। একটি ডিমে প্রায় ৩০০ মাইক্রোগ্রাম কোলাইন থাকে। যা কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম, স্নায়ু, যকৃত ও মস্তিষ্কের জন্য ভালো। চুল ও নখের মান উন্নত রাখতে নিয়মিত ডিম খান। কারণ ডিমের মধ্যে থাকা সালফার চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ডিমের নানাবিধ গুণের কারণে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম রাখুন। সুস্থ থাকুন।
Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০
২৪ বার পঠিত হয়েছে

ডিম কেন খাবেন

আপডেট এর সময় : ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০
আমাদের রোজকার খাদ্য তালিকায় ডিম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। তবে কেউ কেউ ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে, রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাওয়া ভয়ে কিংবা হৃদরোগের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য ডিম খেতে চান না। কিন্তু এগুলো নিতান্তই ভুল ধারণা। ছোট্ট একটি ডিম নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আসুন জেনে নেই রোজ একটি ডিম খেলে কি কি উপকার পাওয়া যাবে।
ডিম-এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। ডিমের কেরোটিনয়েড, লুটেন ও জিয়েক্সেনথিন চোখের ছানি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।
ছোট্ট একটি ডিম হাজারো ভিটামিনে ভরা। এর ভিটামিন বি-১২ আমাদের গ্রহণকৃত খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে ভিটামিন ডি, যা পেশীকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। ডিমের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের নাস্তায় একটি ডিম খেলে সারাদিন আপনার ক্ষুধা কম হবে। তাই খাওয়াও হবে কম। গবেষণায় দেখা যায় শরীর থেকে দিনে প্রায় ৪০০ ক্যালরি কমাতে পারে সকালে একটি ডিম খাওয়াতে। একটি ডিমে রয়েছে ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন বা ৭০-৮৫ ক্যালরি। যা রোজকার প্রোটিন এর চাহিদার অনেকটা পূরণ করে।
ডিমে রয়েছে আয়রন, জিংক, ফসফরাস। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে ডিম কোলেস্টেরল বাড়ায় না। দিনে একটা ডিম খেলেও আপনার লিপিড প্রোফাইল কোনো প্রভাব পড়বে না। একটি ডিমে প্রায় ৩০০ মাইক্রোগ্রাম কোলাইন থাকে। যা কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম, স্নায়ু, যকৃত ও মস্তিষ্কের জন্য ভালো। চুল ও নখের মান উন্নত রাখতে নিয়মিত ডিম খান। কারণ ডিমের মধ্যে থাকা সালফার চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ডিমের নানাবিধ গুণের কারণে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম রাখুন। সুস্থ থাকুন।