ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা

উত্তাল দিল্লি, ১৪৪ ধারা জারি

প্রতিনিধির নাম :

ভারতের দিল্লিতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষের মাত্রা বেড়েই চলেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির ব্রহ্মপুর এলাকা। ইতোমধ্যে সংঘর্ষে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত অন্তত ১০৫ জন।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সকাল থেকে দু’পক্ষের মধ্যে পাথর ছোড়াছুঁড়ি শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে আগুন লাগানো হয় ২টি গাড়িতে। আশঙ্কায় বন্ধ করা হয়েছে ৫টি মেট্রো স্টেশন।

জাফরাবাদ, মৌজপুর-বাবারপুর, গোকুলপুরি, শিব বিহার ও জোহরি এনক্লেভ মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানে কোনও ট্রেন দাঁড়াবে না। ওই এলাকায় ১৪৪ ধারাও জারি হয়েছে।

এছাড়া দিল্লির আরও ১০ জায়াগায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সেইসঙ্গে মঙ্গলবার পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিল্লির সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিল্লি পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগে ভারতের রাজধানী শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ট্রাম্পের ভারত সফর শুরুর আগের দিনই উত্তর দিল্লির মৌজপুর এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিতর্কিত সিএএ সমর্থক ও বিরোধিতাকারীদের মধ্যকার ওই সংঘর্ষ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং আরো সহিংস হয়ে ওঠে।

ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের মাধ্যমে প্রথমবারের মত ধর্মকে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার নির্ধারক হিসেবে রাখা হয়েছে। নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংশোধন করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের হিন্দুসহ কয়েকটি ধর্মাবলম্বীদের ভারত তাদের দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।বিতর্কিত এই আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে সরব হয়েছে একাধিক রাজনৈতিক দল।

এ নিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে চলছে দফায় দফায় বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জন নিহত হয়েছেন ।

ভারতীয় সরকার সরকার বলছে, নাগরিকত্ব নেয়ার জন্য নয় দেয়ার জন্যই নাগরিক আইন সংশোধন করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা বলছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন মুসলমানদের জন্য বৈষম্যমূলক।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০
১১ বার পঠিত হয়েছে

উত্তাল দিল্লি, ১৪৪ ধারা জারি

আপডেট এর সময় : ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ভারতের দিল্লিতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষের মাত্রা বেড়েই চলেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির ব্রহ্মপুর এলাকা। ইতোমধ্যে সংঘর্ষে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত অন্তত ১০৫ জন।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সকাল থেকে দু’পক্ষের মধ্যে পাথর ছোড়াছুঁড়ি শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে আগুন লাগানো হয় ২টি গাড়িতে। আশঙ্কায় বন্ধ করা হয়েছে ৫টি মেট্রো স্টেশন।

জাফরাবাদ, মৌজপুর-বাবারপুর, গোকুলপুরি, শিব বিহার ও জোহরি এনক্লেভ মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানে কোনও ট্রেন দাঁড়াবে না। ওই এলাকায় ১৪৪ ধারাও জারি হয়েছে।

এছাড়া দিল্লির আরও ১০ জায়াগায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সেইসঙ্গে মঙ্গলবার পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিল্লির সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিল্লি পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগে ভারতের রাজধানী শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ট্রাম্পের ভারত সফর শুরুর আগের দিনই উত্তর দিল্লির মৌজপুর এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিতর্কিত সিএএ সমর্থক ও বিরোধিতাকারীদের মধ্যকার ওই সংঘর্ষ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং আরো সহিংস হয়ে ওঠে।

ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের মাধ্যমে প্রথমবারের মত ধর্মকে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার নির্ধারক হিসেবে রাখা হয়েছে। নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংশোধন করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের হিন্দুসহ কয়েকটি ধর্মাবলম্বীদের ভারত তাদের দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।বিতর্কিত এই আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে সরব হয়েছে একাধিক রাজনৈতিক দল।

এ নিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে চলছে দফায় দফায় বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জন নিহত হয়েছেন ।

ভারতীয় সরকার সরকার বলছে, নাগরিকত্ব নেয়ার জন্য নয় দেয়ার জন্যই নাগরিক আইন সংশোধন করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা বলছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন মুসলমানদের জন্য বৈষম্যমূলক।