ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি

ধেয়ে আসছে চীনা রকেটের নিয়ন্ত্রণহীন অংশ

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অনিয়ন্ত্রিতভাবে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে চীনের সেই রকেটের ধ্বংসাবশেষ। যে কোনো সময় এটি পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে।

তবে কখন আছড়ে পড়বে, কেউ তা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারছেন না। আছড়ে পড়ার কেবল ঘণ্টাখানেক আগে বিজ্ঞানীরা হয়তো সেটি ঠিক কোথায় পড়তে যাচ্ছে সেটি চিহ্নিত করতে পারবেন।-খবর বিবিসির

গত মাসে চীনের নতুন মহাকাশ স্টেশনের প্রথম মডিউলটি নিয়ে কক্ষপথে রওনা দেয় লং মার্চ ৫বি নামের রকেটটি।

তিয়ানহে মডিউল চীনের নির্মাণাধীন স্থায়ী মহাকাশ স্টেশনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্টেশনটির তিন ক্রুর বসবাসের কোয়ার্টার এই মডিউলটিতে করেই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

মহাকাশ স্টেশন স্থাপনের জন্য কক্ষপথে মোট ১১টি মিশন পরিচালনা করবে চীন। এর প্রথমটিতেই লং মার্চ ৫বি রকেটে করে তিয়ানহে মডিউল কক্ষপথে পাঠানো হয়। বায়ুমণ্ডলে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ঘুরপাক খেতে থাকা গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বস্তু হলো ১৮ টন ওজনের এই ধ্বংসাবশেষ।

বৃহস্পতিবার (০৭ মে) ধ্বংসাবশেষটি নজরে রাখার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু বর্তমানে এটিকে গুলি করে ভূপাতিত করার কোনো পরিকল্পনা নেই।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, আমরা আশাবাদী, এটি এমন কোথাও আছড়ে পড়বে, যেখানে কারো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। সম্ভবত সমুদ্র কিংবা এমন কোনো স্থানে এটি এসে পড়বে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, রকেটের ধ্বংসাবশেষ আগামী ১০ মে বা তার দুই/একদিন আগে-পরে পৃথিবীতে পড়তে পারে। রকেটের ধ্বংসাবশেষ এখন পৃথিবী প্রদক্ষিণ করছে এবং যে কোনো সময় এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে প্রবেশ করবে।

১৯৯০ সালে বিজ্ঞনীরা ইচ্ছাকৃতভাবে ১০ টন ওজনের একটি রকেট পৃথিবীর কক্ষপথে ছেড়ে দিয়েছিলেন। যেটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। লং মার্চ ৫বি এর অংশটি এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে ধসে পড়তে যাওয়া সবচেয়ে বেশি ওজনের ধ্বংসাবশেষ হতে যাচ্ছে।

ধ্বংসাবশেষটি ৯৮ ফুট লম্বা এবং ১৬ ফুট চওড়া। সেটি বর্তমানে কক্ষপথ হয়ে পৃথিবীর দিকে ঘণ্টায় প্রায় ২৭ হাজার ৬০০ কিলোমিটার গতিতে ধেয়ে আসছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১
১২ বার পঠিত হয়েছে

ধেয়ে আসছে চীনা রকেটের নিয়ন্ত্রণহীন অংশ

আপডেট এর সময় : ১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অনিয়ন্ত্রিতভাবে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে চীনের সেই রকেটের ধ্বংসাবশেষ। যে কোনো সময় এটি পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে।

তবে কখন আছড়ে পড়বে, কেউ তা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারছেন না। আছড়ে পড়ার কেবল ঘণ্টাখানেক আগে বিজ্ঞানীরা হয়তো সেটি ঠিক কোথায় পড়তে যাচ্ছে সেটি চিহ্নিত করতে পারবেন।-খবর বিবিসির

গত মাসে চীনের নতুন মহাকাশ স্টেশনের প্রথম মডিউলটি নিয়ে কক্ষপথে রওনা দেয় লং মার্চ ৫বি নামের রকেটটি।

তিয়ানহে মডিউল চীনের নির্মাণাধীন স্থায়ী মহাকাশ স্টেশনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্টেশনটির তিন ক্রুর বসবাসের কোয়ার্টার এই মডিউলটিতে করেই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

মহাকাশ স্টেশন স্থাপনের জন্য কক্ষপথে মোট ১১টি মিশন পরিচালনা করবে চীন। এর প্রথমটিতেই লং মার্চ ৫বি রকেটে করে তিয়ানহে মডিউল কক্ষপথে পাঠানো হয়। বায়ুমণ্ডলে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ঘুরপাক খেতে থাকা গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বস্তু হলো ১৮ টন ওজনের এই ধ্বংসাবশেষ।

বৃহস্পতিবার (০৭ মে) ধ্বংসাবশেষটি নজরে রাখার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু বর্তমানে এটিকে গুলি করে ভূপাতিত করার কোনো পরিকল্পনা নেই।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, আমরা আশাবাদী, এটি এমন কোথাও আছড়ে পড়বে, যেখানে কারো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। সম্ভবত সমুদ্র কিংবা এমন কোনো স্থানে এটি এসে পড়বে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, রকেটের ধ্বংসাবশেষ আগামী ১০ মে বা তার দুই/একদিন আগে-পরে পৃথিবীতে পড়তে পারে। রকেটের ধ্বংসাবশেষ এখন পৃথিবী প্রদক্ষিণ করছে এবং যে কোনো সময় এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে প্রবেশ করবে।

১৯৯০ সালে বিজ্ঞনীরা ইচ্ছাকৃতভাবে ১০ টন ওজনের একটি রকেট পৃথিবীর কক্ষপথে ছেড়ে দিয়েছিলেন। যেটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। লং মার্চ ৫বি এর অংশটি এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে ধসে পড়তে যাওয়া সবচেয়ে বেশি ওজনের ধ্বংসাবশেষ হতে যাচ্ছে।

ধ্বংসাবশেষটি ৯৮ ফুট লম্বা এবং ১৬ ফুট চওড়া। সেটি বর্তমানে কক্ষপথ হয়ে পৃথিবীর দিকে ঘণ্টায় প্রায় ২৭ হাজার ৬০০ কিলোমিটার গতিতে ধেয়ে আসছে।